রাশিয়ার ড্রোন হামলা থেকে অল্পের জন্যেই প্রাণে রক্ষা পেয়েছেন যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন ও ইউরোপীয় ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ থেকে পোল্যান্ডের উদ্দেশে তাদের বহনকারী একটি বিশেষ ট্রেন আক্রান্ত হওয়ার আগেই যাত্রা স্থগিত করা হয়।
ওই ট্রেনে সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনসহ ইউরোপের বেশ কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তা ছিলেন। এর কিছুক্ষণ আগে একই রেলপথে পোল্যান্ডের সীমান্তের কাছে আরেকটি যাত্রীবাহী ট্রেনে ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটে।
জার্মান সংবাদমাধ্যম ডের স্পিগেলের বরাত দিয়ে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা আনাদোলু। প্রতিবেদন অনুযায়ী, জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিশ মের্ৎসের ঘনিষ্ঠ উপদেষ্টা গুন্টার সাউটারও ওই ট্রেনে ছিলেন। তারা রাতে কিয়েভ থেকে পোল্যান্ডের দিকে রওনা হয়েছিলেন এবং রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) ভোরে পোলিশ সীমান্তের কাছে ট্রেনটি থামানো হয়। ওই এলাকায় ড্রোন হামলার পর ট্রেনটির কয়েকটি অংশ থেকে যাত্রীদের সরিয়ে নেয়া হয়।
এর আগে একই রেলপথে হামলার ঘটনা ঘটে। রোববার ভোরে কিয়েভ থেকে ওয়ারশগামী একটি যাত্রীবাহী ট্রেনে পোলিশ সীমান্তের কাছে ড্রোন হামলা হয়। ট্রেনটির পরিচালনাকারী কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, হামলায় ট্রেনের ইঞ্জিনে আঘাত লাগে। তবে এতে কেউ আহত হননি।
জার্মান চ্যান্সেলরের দপ্তরের পররাষ্ট্র ও নিরাপত্তা নীতিবিষয়ক উপদেষ্টা সাউটার রাশিয়ার সঙ্গে সম্ভাব্য শান্তি আলোচনা নিয়ে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সরকারের সঙ্গে আলোচনার জন্য কিয়েভে ছিলেন। তার সঙ্গে ব্রিটেন, ফ্রান্স ও ইতালির নিরাপত্তা বিষয়ক উপদেষ্টারাও ছিলেন। শনিবার তিনি ইয়াল্টা ইউরোপীয় কৌশল সম্মেলনেও অংশ নেন।
ওই ট্রেনে সাউটার ছাড়াও ইউরোপের অন্যান্য নিরাপত্তা উপদেষ্টা, জার্মানির কয়েকজন আইনপ্রণেতা, কূটনীতিক ও শিক্ষাবিদ ছিলেন। সম্মেলন শেষে পোল্যান্ডে ফিরছিলেন বরিস জনসনও।ডের স্পিগেলের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই ঘটনায় কেউ আহত হননি। ড্রোনের সতর্কবার্তা পাওয়ার পর ট্রেনের যাত্রীদের কিছু সময়ের জন্য সরিয়ে নেয়া হয়েছিল। পরে ওই এলাকায় আর কোনো ড্রোন শনাক্ত না হওয়ায় কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি স্বাভাবিক ঘোষণা করে।

ডেস্ক রিপোর্ট 


















