ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
জবি উপাচার্যের উপমা দিয়ে অধ্যাপক মামুন বললেন— আত্মসম্মানবোধ ও লজ্জাহীনদেরকে নিয়োগ দিয়েছে সরকার হুতিদের ড্রোন হামলায় সৌদি আরবের তায়েফে একজন নিহত, গুরুতর আহত দুই আওয়ামী লীগ ও অন্তর্বর্তীর অব্যবস্থাপনা বিএনপি সরকারকে সমাধান করতে হচ্ছে: রাশেদ খান ডাকসু থেকে কোনো টাকা নেননি ভিপি-জিএস-এজিএস প্রতিবেশী দেশ থেকে মাদক ঢুকিয়ে যুবসমাজ ধ্বংসের ষড়যন্ত্র চলছে: টুকু সৌদির কাছে ‘মক্কায় হামলার’ প্রমাণ চাইল ইরান মাঝ আকাশে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটে যাত্রীদের মারামারি, ভিডিও ভাইরাল ওসি রাকিবুলকে গ্রেপ্তারে আইনি নোটিশ হুথিদের সঙ্গে বৈঠকের পর সৌদিকে সামরিক সহায়তা না করার সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্রের বন্ধ শিল্প-সেবা চালু করতে ৭% সুদে ২০০ কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ

বন্ধ শিল্প-সেবা চালু করতে ৭% সুদে ২০০ কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৯:০০:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৯ বার পড়া হয়েছে

বন্ধ হয়ে যাওয়া শিল্প ও সেবা খাতের প্রতিষ্ঠানগুলো পুনরায় চালুর লক্ষ্যে ২০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ স্কিম চালু করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ স্কিমের আওতায় গ্রাহক পর্যায়ে ঋণের সর্বোচ্চ সুদহার নির্ধারণ করা হয়েছে ৭ শতাংশ। একই সঙ্গে ঋণগ্রহীতাদের জন্য রাখা হয়েছে ছয় মাসের গ্রেস পিরিয়ড।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ-১ থেকে এ-সংক্রান্ত সার্কুলার জারি করা হয়।

সার্কুলারে বলা হয়েছে, ‘বন্ধ শিল্প ও সেবা খাত সহায়ক প্রাক-অর্থায়ন স্কিম’-এর মাধ্যমে ব্যাংকগুলোকে অর্থায়ন করে বন্ধ প্রতিষ্ঠানগুলো পুনরায় চালুর সুযোগ তৈরি করা হবে। এ জন্য প্রয়োজনীয় প্রাক-অর্থায়ন সরবরাহ করবে বাংলাদেশ ব্যাংক।

নীতিমালা অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে নেওয়া প্রাক-অর্থায়নের বিপরীতে ব্যাংকগুলোকে ৪ শতাংশ সুদ দিতে হবে। তবে অর্থ পাওয়ার পর প্রথম ছয় মাস এ সুদ পরিশোধের প্রয়োজন হবে না। গ্রেস পিরিয়ড শেষ হলে ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে বাংলাদেশ ব্যাংককে সুদ পরিশোধ করতে হবে। একই সময়ে প্রথম দুই ত্রৈমাসিকের বকেয়া সুদও পরিশোধ করতে হবে।

অন্যদিকে, স্কিমের আওতায় ব্যাংকগুলো যে ঋণ গ্রাহকদের দেবে, তার সুদহার সর্বোচ্চ ৭ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। গ্রাহকদের ক্ষেত্রেও ছয় মাসের গ্রেস পিরিয়ড রাখা হয়েছে। অর্থাৎ ঋণ বিতরণের পর প্রথম ছয় মাস কোনো সুদ আদায় করা যাবে না। এরপর থেকে সুদ আদায় শুরু হবে এবং প্রথম দুই ত্রৈমাসিকের বকেয়া সুদও আদায় করতে হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, তহবিলের প্রাপ্যতা সাপেক্ষে স্কিমের মেয়াদকালীন তিন বছরের মধ্যে যেকোনো সময় ব্যাংকগুলো প্রাক-অর্থায়নের জন্য আবেদন করতে পারবে।

স্কিমের অর্থ নির্ধারিত খাতে ব্যবহার হচ্ছে কি না, তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি ঋণের ব্যবহার ও আদায়ের পরিস্থিতি নিয়মিত তদারক করতে ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গ্রেস পিরিয়ড শেষ হওয়ার পর নির্ধারিত নিয়মে বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে সুদ পরিশোধের হিসাবও নিষ্পত্তি করতে হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক বলেছে, ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৫ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। সার্কুলারে উল্লেখিত নির্দেশনা অবিলম্বে কার্যকর হবে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

জবি উপাচার্যের উপমা দিয়ে অধ্যাপক মামুন বললেন— আত্মসম্মানবোধ ও লজ্জাহীনদেরকে নিয়োগ দিয়েছে সরকার

বন্ধ শিল্প-সেবা চালু করতে ৭% সুদে ২০০ কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ

আপডেট সময় ০৯:০০:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বন্ধ হয়ে যাওয়া শিল্প ও সেবা খাতের প্রতিষ্ঠানগুলো পুনরায় চালুর লক্ষ্যে ২০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ স্কিম চালু করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ স্কিমের আওতায় গ্রাহক পর্যায়ে ঋণের সর্বোচ্চ সুদহার নির্ধারণ করা হয়েছে ৭ শতাংশ। একই সঙ্গে ঋণগ্রহীতাদের জন্য রাখা হয়েছে ছয় মাসের গ্রেস পিরিয়ড।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ-১ থেকে এ-সংক্রান্ত সার্কুলার জারি করা হয়।

সার্কুলারে বলা হয়েছে, ‘বন্ধ শিল্প ও সেবা খাত সহায়ক প্রাক-অর্থায়ন স্কিম’-এর মাধ্যমে ব্যাংকগুলোকে অর্থায়ন করে বন্ধ প্রতিষ্ঠানগুলো পুনরায় চালুর সুযোগ তৈরি করা হবে। এ জন্য প্রয়োজনীয় প্রাক-অর্থায়ন সরবরাহ করবে বাংলাদেশ ব্যাংক।

নীতিমালা অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে নেওয়া প্রাক-অর্থায়নের বিপরীতে ব্যাংকগুলোকে ৪ শতাংশ সুদ দিতে হবে। তবে অর্থ পাওয়ার পর প্রথম ছয় মাস এ সুদ পরিশোধের প্রয়োজন হবে না। গ্রেস পিরিয়ড শেষ হলে ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে বাংলাদেশ ব্যাংককে সুদ পরিশোধ করতে হবে। একই সময়ে প্রথম দুই ত্রৈমাসিকের বকেয়া সুদও পরিশোধ করতে হবে।

অন্যদিকে, স্কিমের আওতায় ব্যাংকগুলো যে ঋণ গ্রাহকদের দেবে, তার সুদহার সর্বোচ্চ ৭ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। গ্রাহকদের ক্ষেত্রেও ছয় মাসের গ্রেস পিরিয়ড রাখা হয়েছে। অর্থাৎ ঋণ বিতরণের পর প্রথম ছয় মাস কোনো সুদ আদায় করা যাবে না। এরপর থেকে সুদ আদায় শুরু হবে এবং প্রথম দুই ত্রৈমাসিকের বকেয়া সুদও আদায় করতে হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, তহবিলের প্রাপ্যতা সাপেক্ষে স্কিমের মেয়াদকালীন তিন বছরের মধ্যে যেকোনো সময় ব্যাংকগুলো প্রাক-অর্থায়নের জন্য আবেদন করতে পারবে।

স্কিমের অর্থ নির্ধারিত খাতে ব্যবহার হচ্ছে কি না, তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি ঋণের ব্যবহার ও আদায়ের পরিস্থিতি নিয়মিত তদারক করতে ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গ্রেস পিরিয়ড শেষ হওয়ার পর নির্ধারিত নিয়মে বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে সুদ পরিশোধের হিসাবও নিষ্পত্তি করতে হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক বলেছে, ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৫ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। সার্কুলারে উল্লেখিত নির্দেশনা অবিলম্বে কার্যকর হবে।