ঢাকা , শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
তারেক রহমানের শুভেচ্ছা পেয়ে ধন্যবাদ জানালেন নরেন্দ্র মোদি জিন্নাহর বাবা মাছ বিক্রেতা ছিলেন: ফজলুর রহমান মাহবুবা হাকিমের হলফনামায় তথ্য গোপন নয়, ‘অনাকাঙ্ক্ষিত ভুল’ জাকির নায়েকের সঙ্গে আজহারির সাক্ষাৎ, উপহার পেলেন ‘বিশেষ আতর’ আবারও বাড়ল নিম্নস্তরের সিগারেটের দাম ঢাবির বিজয় একাত্তর হলের ক্লাব রুমের নাম ফলক ভাঙচুর ইরানের সরকার পতন ও হামাস-হিজবুল্লাহকে নির্মূল করব: নেতানিয়াহু সৌদির অনুরোধে হুথিদের নিয়ন্ত্রণে ইরানকে চীনের বার্তা, প্রভাব কাজে লাগানোর আহ্বান ছাত্রদলের নতুন কমিটিতে আলোচনায় যারা ধর্মকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করে বিভেদ সৃষ্টি করা উচিত নয়: আইনমন্ত্রী

ঢাবির বিজয় একাত্তর হলের ক্লাব রুমের নাম ফলক ভাঙচুর

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:১৬:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৬ বার পড়া হয়েছে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বিজয় একাত্তর হলের নব নির্মিত ক্লাব রুমের নামফলক ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে বিজয় একাত্তর হল ছাত্রদলের বিরুদ্ধে। তবে হল প্রোভোস্ট বলছেন নাম ফলক বসানো ও নাম দেয়ার আগে প্রশাসনিক কোনো অনুমতি নেয়নি হল সংসদ।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজয় একাত্তর হলে এ ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।

হল সংসদের পক্ষ থেকে অভিযোগ উঠেছে, উদ্বোধনী নাম ফলকে ডাকসুর এজিএস মো. মহিউদ্দিন এর নাম থাকায় ছাত্রদল প্যানেল থেকে নির্বাচিত হল সংসদের দুই সদস্য সোলাইমান হোসেন রবি ও আহনাফ আহমেদ রাফির নেতৃত্বে হল ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা এই ভাঙচুর চালিয়েছে।

এ ঘটনায় তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বিজয় একাত্তর হল সংসদের পক্ষ থেকে দেওয়া একটি বিবৃতিতে জানানো হয়, ‘‘ক্লাব রুমের অর্থায়ন, প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম এবং উদ্বোধনসংক্রান্ত বিষয়গুলো নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে একাধিক পর্যায়ে আলোচনা ও সমন্বয় করা হয়েছে। অর্থায়নের ক্ষেত্রে বিজয় একাত্তর হল প্রশাসন অর্ধেক দিয়েছে, বাকিটা প্রাধ্যক্ষ স্যারের অনুমতিতে ডাকসুর এজিএস মহিউদ্দিন খাঁনের মাধ্যমে থেকে ম্যানেজ করা হয়। এ প্রক্রিয়ার ধারাবাহিকতায় আলোচনা করেই উদ্বোধনী নামফলক প্রস্তুত করা হয়। একইসাথে প্রাধ্যক্ষ মহোদয় এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষককে বিষয়টি অবহিত করা হয়। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখজনকভাবে, নামফলকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)-এর এজিএস মহিউদ্দীন খানের নাম থাকাকে কেন্দ্র করে সেটি ভাঙচুর করা হয়েছে বলে আমরা জানতে পেরেছি। ঘটনাটির সঙ্গে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের সম্পৃক্ততার অভিযোগ উঠেছে।’’

অনুমতি না নিয়ে উদ্বোধনী ফলকে নাম দেওয়ার পাল্টা অভিযোগ করে বিজয় একাত্তর হল ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ও হল সংসদ সদস্য আহনাফ আহমেদ রাফি স্টার নিউজকে বলেন, ‘‘হল প্রভোস্টের সাথে কথা এ বিষয়ে কথা বললে তিনি আমাদের জানান তিনি এ বিষয়ে অবগত ছিলেন এবং তার অনুমতি ছাড়া এখানে নাম দেওয়া হয়েছে। আমরা এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে প্রশাসনকে যখন এটি সরিয়ে ফেলতে বলি তারা আমাদের জানায় যে তারা যেহেতু নাম দেওয়ার সময় ছিলো না সরানোর সময়ও তারা থাকবে না।পরবর্তীতে আমি, সোলাইমানসহ কয়েকজন গিয়ে সেটি অপসারন করি।’’

এজিএসের নাম দিয়ে ক্লাবরুমকে তাদের একটি রাজনৈতিক আড্ডাখানা বানানোর চেষ্টা করেছিলো বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

এ ঘটনায় বিজয় একাত্তর হলের প্রোভোস্ট ড. স ম আলী রেজা স্টার নিউজকে বলেন, ‘‘ফলক নিয়ে হল সংসদ আমার সাথে কোন কথা বলেনি। ওরা এটা ভুল বলছে। আমি তখন দেশের বাহিরে ছিলাম।হল সংসদ থেকে কল দিয়ে আমাকে শুধু বলা হয়েছিলো মহিউদ্দিন ভাই থাকবে। আমার কেয়ারটেকার আমাকে ছবি পাঠানোর পরে আমি জানতে কয়েকদিন আগে পেরেছি ওখানে একটা নাম ফলক লাগানো হয়েছে।ওখানে নাম ফলক লাগানো হবে আমি এটা জানতাম না। হলের ছোট একটা পরিবর্তন আনতে হলেও হল প্রশাসনের অনুমতি দরকার হয়।এক্ষেত্রে আমার স্পষ্ট বক্তব্য হলো তারা আমার থেকে কোন অনুমতি নেয়নি। তবে যারা এটা ভেঙেছে তারাও ঠিক কাজ করেনি। আমরা পরবর্তী প্রশাসনিক মিটিং এটি নিয়ে আলোচনা করবো।’’

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

তারেক রহমানের শুভেচ্ছা পেয়ে ধন্যবাদ জানালেন নরেন্দ্র মোদি

ঢাবির বিজয় একাত্তর হলের ক্লাব রুমের নাম ফলক ভাঙচুর

আপডেট সময় ১১:১৬:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বিজয় একাত্তর হলের নব নির্মিত ক্লাব রুমের নামফলক ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে বিজয় একাত্তর হল ছাত্রদলের বিরুদ্ধে। তবে হল প্রোভোস্ট বলছেন নাম ফলক বসানো ও নাম দেয়ার আগে প্রশাসনিক কোনো অনুমতি নেয়নি হল সংসদ।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজয় একাত্তর হলে এ ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।

হল সংসদের পক্ষ থেকে অভিযোগ উঠেছে, উদ্বোধনী নাম ফলকে ডাকসুর এজিএস মো. মহিউদ্দিন এর নাম থাকায় ছাত্রদল প্যানেল থেকে নির্বাচিত হল সংসদের দুই সদস্য সোলাইমান হোসেন রবি ও আহনাফ আহমেদ রাফির নেতৃত্বে হল ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা এই ভাঙচুর চালিয়েছে।

এ ঘটনায় তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বিজয় একাত্তর হল সংসদের পক্ষ থেকে দেওয়া একটি বিবৃতিতে জানানো হয়, ‘‘ক্লাব রুমের অর্থায়ন, প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম এবং উদ্বোধনসংক্রান্ত বিষয়গুলো নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে একাধিক পর্যায়ে আলোচনা ও সমন্বয় করা হয়েছে। অর্থায়নের ক্ষেত্রে বিজয় একাত্তর হল প্রশাসন অর্ধেক দিয়েছে, বাকিটা প্রাধ্যক্ষ স্যারের অনুমতিতে ডাকসুর এজিএস মহিউদ্দিন খাঁনের মাধ্যমে থেকে ম্যানেজ করা হয়। এ প্রক্রিয়ার ধারাবাহিকতায় আলোচনা করেই উদ্বোধনী নামফলক প্রস্তুত করা হয়। একইসাথে প্রাধ্যক্ষ মহোদয় এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষককে বিষয়টি অবহিত করা হয়। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখজনকভাবে, নামফলকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)-এর এজিএস মহিউদ্দীন খানের নাম থাকাকে কেন্দ্র করে সেটি ভাঙচুর করা হয়েছে বলে আমরা জানতে পেরেছি। ঘটনাটির সঙ্গে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের সম্পৃক্ততার অভিযোগ উঠেছে।’’

অনুমতি না নিয়ে উদ্বোধনী ফলকে নাম দেওয়ার পাল্টা অভিযোগ করে বিজয় একাত্তর হল ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ও হল সংসদ সদস্য আহনাফ আহমেদ রাফি স্টার নিউজকে বলেন, ‘‘হল প্রভোস্টের সাথে কথা এ বিষয়ে কথা বললে তিনি আমাদের জানান তিনি এ বিষয়ে অবগত ছিলেন এবং তার অনুমতি ছাড়া এখানে নাম দেওয়া হয়েছে। আমরা এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে প্রশাসনকে যখন এটি সরিয়ে ফেলতে বলি তারা আমাদের জানায় যে তারা যেহেতু নাম দেওয়ার সময় ছিলো না সরানোর সময়ও তারা থাকবে না।পরবর্তীতে আমি, সোলাইমানসহ কয়েকজন গিয়ে সেটি অপসারন করি।’’

এজিএসের নাম দিয়ে ক্লাবরুমকে তাদের একটি রাজনৈতিক আড্ডাখানা বানানোর চেষ্টা করেছিলো বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

এ ঘটনায় বিজয় একাত্তর হলের প্রোভোস্ট ড. স ম আলী রেজা স্টার নিউজকে বলেন, ‘‘ফলক নিয়ে হল সংসদ আমার সাথে কোন কথা বলেনি। ওরা এটা ভুল বলছে। আমি তখন দেশের বাহিরে ছিলাম।হল সংসদ থেকে কল দিয়ে আমাকে শুধু বলা হয়েছিলো মহিউদ্দিন ভাই থাকবে। আমার কেয়ারটেকার আমাকে ছবি পাঠানোর পরে আমি জানতে কয়েকদিন আগে পেরেছি ওখানে একটা নাম ফলক লাগানো হয়েছে।ওখানে নাম ফলক লাগানো হবে আমি এটা জানতাম না। হলের ছোট একটা পরিবর্তন আনতে হলেও হল প্রশাসনের অনুমতি দরকার হয়।এক্ষেত্রে আমার স্পষ্ট বক্তব্য হলো তারা আমার থেকে কোন অনুমতি নেয়নি। তবে যারা এটা ভেঙেছে তারাও ঠিক কাজ করেনি। আমরা পরবর্তী প্রশাসনিক মিটিং এটি নিয়ে আলোচনা করবো।’’