ঢাকা , রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
খুঁটিতে বাঁধা সেই বাবার পাশে প্রশাসন, মেয়ে তুবার পড়াশোনার দায়িত্ব নিলেন ইউএনও কেন্দ্র থেকে বহিষ্কৃত দুই যুবদল নেতাকে সভাপতি ঘোষণা এমপির প্রার্থী জিয়ার সৈনিক না হলে পরীক্ষায় বসতে দিয়েন না: রাকসু জিএস আম্মার দিল্লির সড়কে তরুণকে চড় মন্ত্রীর, পাল্টা হাত তুললো তরুণও চকলেট দেয়ার কথা বলে অফিসের সব কর্মীকে আইফোন উপহার দিলেন নারী বস সংবিধানে ফিরছে ‘মহান আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস’ এআই ছবিতে নারী সেনা সেজে প্রবাসীর সঙ্গে প্রেম, ৭ লাখ টাকা আত্মসাৎ সারের ডিলার নিয়োগে কোটি টাকা বাণিজ্যের অভিযোগ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে নাশকতা মামলায় গ্রেপ্তার আ.লীগ নেতা গারদে মোবাইলে কথা বলার ছবি ভাইরাল নারীদের জন্য চালু হচ্ছে আরও ১০০ পিংক বাস

নাশকতা মামলায় গ্রেপ্তার আ.লীগ নেতা গারদে মোবাইলে কথা বলার ছবি ভাইরাল

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:২১:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১১ বার পড়া হয়েছে

খুলনার তেরখাদায় নাশকতা ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের মামলায় গ্রেপ্তার উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি ও সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান জনাব আলী শেখের থানার গারদের ভেতরে মুঠোফোনে কথা বলার একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

 

পুলিশের হেফাজতে থাকা একজন গ্রেপ্তার ব্যক্তির হাতে মুঠোফোন কীভাবে গেল এবং গারদের ভেতরের ছবি কে তুলেছেন—এ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

 

শনিবার দুপুর আড়াইটার দিকে উপজেলার ইখড়ি এলাকার নিজ বাড়ি থেকে জনাব আলী শেখকে গ্রেপ্তার করে তেরখাদা থানা পুলিশ। তিনি ইখড়ি এলাকার মৃত ওলিয়ার রহমান শেখের ছেলে।

 

পুলিশ জানায়, নাশকতা মামলার তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার বিরুদ্ধে নাশকতা ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা রয়েছে।

 

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবিতে দেখা যায়, থানার গারদের ভেতরে দাঁড়িয়ে মুঠোফোন কানে নিয়ে কথা বলছেন জনাব আলী শেখ। ছবিটি ছড়িয়ে পড়ার পর পুলিশের হেফাজতে থাকা অবস্থায় তার হাতে মুঠোফোন কীভাবে পৌঁছাল এবং গারদের ভেতরে ছবি তোলার সুযোগ কীভাবে তৈরি হলো—তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।

 

এ বিষয়ে তেরখাদা থানার ওসি মো. জহিরুল ইসলাম রোববার বিকেলে বলেন, শনিবার তিনি খুলনায় পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেটের সভায় ছিলেন। জনাব আলী শেখকে তার বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত ছিলেন এবং গারদে থাকা অবস্থায় তার ওষুধের প্রয়োজন ছিল।

 

ওসি বলেন, “ওই সময় তার ছেলে থানায় ছিল। দায়িত্বপ্রাপ্ত সেন্ট্রির কাছে ফোন চাইলে সেন্ট্রি তাকে ফোন দিয়েছিল। ওই ফোনে তিনি তার ওষুধপত্রের বিষয়ে কথা বলেছেন। এ সময় হয়তো কেউ ছবি তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল করেছেন।”

 

তিনি আরও বলেন, “আমাদের ধারণা, তার ছেলেই ছবিটি তুলেছেন। তবে ছবি তোলার সময় দায়িত্বপ্রাপ্ত সেন্ট্রির কোনো গাফিলতি ছিল কি না, সেটি তদন্তাধীন রয়েছে।”

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

খুঁটিতে বাঁধা সেই বাবার পাশে প্রশাসন, মেয়ে তুবার পড়াশোনার দায়িত্ব নিলেন ইউএনও

নাশকতা মামলায় গ্রেপ্তার আ.লীগ নেতা গারদে মোবাইলে কথা বলার ছবি ভাইরাল

আপডেট সময় ১০:২১:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

খুলনার তেরখাদায় নাশকতা ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের মামলায় গ্রেপ্তার উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি ও সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান জনাব আলী শেখের থানার গারদের ভেতরে মুঠোফোনে কথা বলার একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

 

পুলিশের হেফাজতে থাকা একজন গ্রেপ্তার ব্যক্তির হাতে মুঠোফোন কীভাবে গেল এবং গারদের ভেতরের ছবি কে তুলেছেন—এ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

 

শনিবার দুপুর আড়াইটার দিকে উপজেলার ইখড়ি এলাকার নিজ বাড়ি থেকে জনাব আলী শেখকে গ্রেপ্তার করে তেরখাদা থানা পুলিশ। তিনি ইখড়ি এলাকার মৃত ওলিয়ার রহমান শেখের ছেলে।

 

পুলিশ জানায়, নাশকতা মামলার তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার বিরুদ্ধে নাশকতা ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা রয়েছে।

 

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবিতে দেখা যায়, থানার গারদের ভেতরে দাঁড়িয়ে মুঠোফোন কানে নিয়ে কথা বলছেন জনাব আলী শেখ। ছবিটি ছড়িয়ে পড়ার পর পুলিশের হেফাজতে থাকা অবস্থায় তার হাতে মুঠোফোন কীভাবে পৌঁছাল এবং গারদের ভেতরে ছবি তোলার সুযোগ কীভাবে তৈরি হলো—তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।

 

এ বিষয়ে তেরখাদা থানার ওসি মো. জহিরুল ইসলাম রোববার বিকেলে বলেন, শনিবার তিনি খুলনায় পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেটের সভায় ছিলেন। জনাব আলী শেখকে তার বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত ছিলেন এবং গারদে থাকা অবস্থায় তার ওষুধের প্রয়োজন ছিল।

 

ওসি বলেন, “ওই সময় তার ছেলে থানায় ছিল। দায়িত্বপ্রাপ্ত সেন্ট্রির কাছে ফোন চাইলে সেন্ট্রি তাকে ফোন দিয়েছিল। ওই ফোনে তিনি তার ওষুধপত্রের বিষয়ে কথা বলেছেন। এ সময় হয়তো কেউ ছবি তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল করেছেন।”

 

তিনি আরও বলেন, “আমাদের ধারণা, তার ছেলেই ছবিটি তুলেছেন। তবে ছবি তোলার সময় দায়িত্বপ্রাপ্ত সেন্ট্রির কোনো গাফিলতি ছিল কি না, সেটি তদন্তাধীন রয়েছে।”