খুলনার তেরখাদায় নাশকতা ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের মামলায় গ্রেপ্তার উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি ও সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান জনাব আলী শেখের থানার গারদের ভেতরে মুঠোফোনে কথা বলার একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
পুলিশের হেফাজতে থাকা একজন গ্রেপ্তার ব্যক্তির হাতে মুঠোফোন কীভাবে গেল এবং গারদের ভেতরের ছবি কে তুলেছেন—এ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
শনিবার দুপুর আড়াইটার দিকে উপজেলার ইখড়ি এলাকার নিজ বাড়ি থেকে জনাব আলী শেখকে গ্রেপ্তার করে তেরখাদা থানা পুলিশ। তিনি ইখড়ি এলাকার মৃত ওলিয়ার রহমান শেখের ছেলে।
পুলিশ জানায়, নাশকতা মামলার তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার বিরুদ্ধে নাশকতা ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে মামলা রয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবিতে দেখা যায়, থানার গারদের ভেতরে দাঁড়িয়ে মুঠোফোন কানে নিয়ে কথা বলছেন জনাব আলী শেখ। ছবিটি ছড়িয়ে পড়ার পর পুলিশের হেফাজতে থাকা অবস্থায় তার হাতে মুঠোফোন কীভাবে পৌঁছাল এবং গারদের ভেতরে ছবি তোলার সুযোগ কীভাবে তৈরি হলো—তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।
এ বিষয়ে তেরখাদা থানার ওসি মো. জহিরুল ইসলাম রোববার বিকেলে বলেন, শনিবার তিনি খুলনায় পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেটের সভায় ছিলেন। জনাব আলী শেখকে তার বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত ছিলেন এবং গারদে থাকা অবস্থায় তার ওষুধের প্রয়োজন ছিল।
ওসি বলেন, “ওই সময় তার ছেলে থানায় ছিল। দায়িত্বপ্রাপ্ত সেন্ট্রির কাছে ফোন চাইলে সেন্ট্রি তাকে ফোন দিয়েছিল। ওই ফোনে তিনি তার ওষুধপত্রের বিষয়ে কথা বলেছেন। এ সময় হয়তো কেউ ছবি তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল করেছেন।”
তিনি আরও বলেন, “আমাদের ধারণা, তার ছেলেই ছবিটি তুলেছেন। তবে ছবি তোলার সময় দায়িত্বপ্রাপ্ত সেন্ট্রির কোনো গাফিলতি ছিল কি না, সেটি তদন্তাধীন রয়েছে।”

ডেস্ক রিপোর্ট 


















