এবার পটুয়াখালী–২ (বাউফল) আসনের জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম মাসুদ নিজের রাজনৈতিক অতীত ও সাংগঠনিক ভূমিকার প্রসঙ্গ তুলে ধরে বলেন, ‘রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে খোঁজ নিয়ে জাইনেন, ওখানকার সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসীর কাছে জিজ্ঞেস কইরেন, শফিকুল ইসলাম মাসুদ কী জিনিস। উল্টাপাল্টা কথা বইলা মটকা গরম করবেন না। মটকা বোঝেন? মটকা গরম করবেন না, সামলাইতে পারবেন না।’
শনিবার (৩০ মে) বাউফল উপজেলার সূর্যমনি ইউনিয়নে ঈদ পূনর্মিলনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। নিজের রাজনৈতিক বক্তব্যে নিজের অবস্থান তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘শফিকুল ইসলাম মাসুদ কী জিনিস, এইটা বাউফলের মানুষকে দেখানোর দরকার নাই, শেখ হাসিনার কাছে জেনে নিয়েন। শেখ হাসিনার কাছে জিজ্ঞেস করে দেখে নিয়েন, শফিকুল ইসলাম মাসুদ কী জিনিস।’
বক্তব্যে শেখ হাসিনার সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের প্রসঙ্গ টেনে শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, ‘শেখ হাসিনা উন্নয়ন তো কম করেনি, তার পরও পালানো লাগছে কেন? উন্নয়ন করে যদি টিকে থাকতে পারত, তাহলে বাংলাদেশে একমাত্র শেখ হাসিনার টিকে থাকার কথা। কিন্তু পারেনি কেন? রাস্তা দিছে, ঘাট দিছে, সেতু দিছে—এইটা করছে, ওইটা করছে, কিন্তু মানুষের মনে কোনো আনন্দ ছিল না। মানুষের অধিকার ছিল না।’
তিনি আরো বলেন, ‘জনগণের অধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত না হলে শুধু অবকাঠামোগত উন্নয়ন দিয়ে মানুষের আস্থা অর্জন করা সম্ভব নয়।’ অনুষ্ঠানে তিনি আনুষ্ঠানিক বক্তব্যের মাঝে সীমাবদ্ধ না থেকে সরাসরি সাধারণ মানুষের মুখোমুখি হন। সাধারণ মানুষের মনের কথা, এলাকার সমস্যা ও নানা অভাব–অভিযোগ মনোযোগ সহকারে শোনেন। জনগণের সার্বিক কল্যাণে এবং এলাকার উন্নয়নে তিনি প্রতিটি বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জোরালো আশ্বাস প্রদান করেন।
এলাকার চলমান উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড, বিশেষ করে রাস্তাঘাটের কাজের গুণগত মান বজায় রাখার ব্যাপারে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে তিনি বলেন, ‘এলাকার যে সব রাস্তাঘাটের কাজ চলমান রয়েছে, সেখানে যেন কোনো প্রকার দুর্নীতি বা অনিয়ম না হয়। জনগণের ট্যাক্সের টাকায় এই উন্নয়ন হচ্ছে, তাই এই টাকার সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। এখানে কেউ কোনো রকমের দুর্নীতি করলে তা কোনোভাবেই সহ্য করা হবে না।’

ডেস্ক রিপোর্ট 





















