ঢাকা , মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::

মোহাম্মদপুরে গ্রেপ্তারের পরও কমছে না সন্ত্রাস, জামিনে ফিরছে অপরাধীরা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:৪১:৩১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১ অগাস্ট ২০২৬
  • ২৬ বার পড়া হয়েছে

গ্রেপ্তার হচ্ছে, আবার জামিনে বেরিয়ে ফিরছে অপরাধে। তাই শত শত অভিযান আর হাজারো গ্রেপ্তারের পরও রাজধানীর মোহাম্মদপুরে কমছে না সন্ত্রাস।

গত ছয় মাসে মোহাম্মদপুর থানায় হত্যা, ছিনতাই, মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধে ৫৩০টি মামলা হয়েছে। এসব ঘটনায় কয়েক হাজার আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ, আর র‍্যাব গ্রেপ্তার করেছে আরও ৪১২ জনকে। কিন্তু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দাবি, অনেকেই জামিনে মুক্ত হয়ে আবার একই ধরনের অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে।

এ সময়ে আলোচিত কয়েকটি ঘটনার মধ্যে রয়েছে এলেক্স গ্রুপের প্রধান ইমন হত্যা, ঈদের পর দুই নারীকে ছিনতাই এবং চার রাস্তা মোড়ে ব্যবসায়ীর বাড়িতে হামলা ও লুটপাট।

র‍্যাব বলছে, ছিনতাইকারী, কিশোর গ্যাং ও মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে মামলা নিষ্পত্তি এবং বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত জামিন সীমিত করার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন।

অন্যদিকে, ডিএমপি জানিয়েছে, অধিকাংশ ঘটনার রহস্য উদঘাটন, আসামি গ্রেপ্তার এবং বিচারিক প্রক্রিয়ায় নেওয়ার কাজ অব্যাহত রয়েছে।

তবে অপরাধবিজ্ঞানীরা মনে করছেন, শুধু গ্রেপ্তার করলেই হবে না। সন্ত্রাসীদের যাঁরা আশ্রয়-প্রশ্রয় দেন এবং জামিনে বের হতে সহায়তা করেন, তাঁদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। তাদের মতে, রাজনৈতিক সদিচ্ছা, দ্রুত বিচার এবং মাদকের বিস্তার রোধ—এই তিনটি বিষয় নিশ্চিত করা গেলে মোহাম্মদপুরে সন্ত্রাস নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও চীন সীমান্তে ভারতের ৫ বিলিয়নের নতুন প্রকল্প

মোহাম্মদপুরে গ্রেপ্তারের পরও কমছে না সন্ত্রাস, জামিনে ফিরছে অপরাধীরা

আপডেট সময় ১০:৪১:৩১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১ অগাস্ট ২০২৬

গ্রেপ্তার হচ্ছে, আবার জামিনে বেরিয়ে ফিরছে অপরাধে। তাই শত শত অভিযান আর হাজারো গ্রেপ্তারের পরও রাজধানীর মোহাম্মদপুরে কমছে না সন্ত্রাস।

গত ছয় মাসে মোহাম্মদপুর থানায় হত্যা, ছিনতাই, মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধে ৫৩০টি মামলা হয়েছে। এসব ঘটনায় কয়েক হাজার আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ, আর র‍্যাব গ্রেপ্তার করেছে আরও ৪১২ জনকে। কিন্তু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দাবি, অনেকেই জামিনে মুক্ত হয়ে আবার একই ধরনের অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে।

এ সময়ে আলোচিত কয়েকটি ঘটনার মধ্যে রয়েছে এলেক্স গ্রুপের প্রধান ইমন হত্যা, ঈদের পর দুই নারীকে ছিনতাই এবং চার রাস্তা মোড়ে ব্যবসায়ীর বাড়িতে হামলা ও লুটপাট।

র‍্যাব বলছে, ছিনতাইকারী, কিশোর গ্যাং ও মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে মামলা নিষ্পত্তি এবং বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত জামিন সীমিত করার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন।

অন্যদিকে, ডিএমপি জানিয়েছে, অধিকাংশ ঘটনার রহস্য উদঘাটন, আসামি গ্রেপ্তার এবং বিচারিক প্রক্রিয়ায় নেওয়ার কাজ অব্যাহত রয়েছে।

তবে অপরাধবিজ্ঞানীরা মনে করছেন, শুধু গ্রেপ্তার করলেই হবে না। সন্ত্রাসীদের যাঁরা আশ্রয়-প্রশ্রয় দেন এবং জামিনে বের হতে সহায়তা করেন, তাঁদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। তাদের মতে, রাজনৈতিক সদিচ্ছা, দ্রুত বিচার এবং মাদকের বিস্তার রোধ—এই তিনটি বিষয় নিশ্চিত করা গেলে মোহাম্মদপুরে সন্ত্রাস নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে।