ঝিনাইদহ সদরে জামায়াতে ইসলামীর ইউনিয়ন কার্যালয় থেকে সরকারি কৃষি প্রণোদনার সার ও বীজ উদ্ধারের ঘটনাকে ‘নাটক’ আখ্যা দিয়ে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে সংগঠনটি।
শনিবার (১ নভেম্বর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ঝিনাইদহ সদর উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আলমগীর হুসাইন অভিযোগ করেন, সুরাট ইউনিয়নের জামায়াত কার্যালয় থেকে সার ও বীজ উদ্ধারের নামে স্থানীয়ভাবে একটি ‘মব’ সৃষ্টি করে সংগঠনের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় কৃষকদের মাঝে বিতরণের উদ্দেশ্যে সার ও বীজগুলো রাখা হয়েছিল। উপজেলা থেকে ৩০ জন প্রকৃত কৃষককে বীজ দেওয়া হয়, যারা তা বাড়িতে নিয়ে যান। রাত হয়ে যাওয়ায় সারগুলো ইউনিয়ন অফিসে রেখে যান, পরদিন নেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) রাতে বিএনপির কিছু কুচক্রী নেতা, স্থানীয় সাংবাদিক ও তাদের অনুসারীরা যোগসাজশে জামায়াত কর্মীদের চোর প্রমাণের জন্য ‘সার উদ্ধারের নাটক’ সাজায় বলে দাবি করে দলটি।
জামায়াতের অভিযোগ, এই ঘটনায় সাবেক চেয়ারম্যান বিল্লাল হোসেনের নেতৃত্বে বিএনপির কিছু সন্ত্রাসী এবং আওয়ামী ফ্যাসিস্টদের সহযোগিতায় ‘মব’ তৈরি করা হয়। তাদের উদ্দেশ্য ছিল জামায়াতের ভাবমূর্তি নষ্ট করা।
সংগঠনটি দাবি করে, বিভিন্ন গণমাধ্যমে বিপুল পরিমাণ সার ও বীজ উদ্ধারের কথা বলা হলেও বাস্তবে সেখানে মাত্র সাত প্যাকেট সরিষা ও মসুরির বীজ এবং চার বস্তা সার পাওয়া গেছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ৫ আগস্ট ২০২৪ সালের পর থেকে জামায়াতের জনপ্রিয়তা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে এবং আগামী জাতীয় নির্বাচনে দলটির ক্ষমতায় আসার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। সেই আশঙ্কায় বিএনপির একাংশ জামায়াতবিরোধী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে।
পরিশেষে জামায়াত জানায়, এটি একটি আমানতদার সংগঠন, যার অসংখ্য দৃষ্টান্ত সমাজে রয়েছে। “জনগণের সম্পদ আত্মসাৎ করা আমাদের চরিত্রে নেই; এই অভিযোগ হাস্যকর,” বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়।

ডেস্ক রিপোর্ট 

























