ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বাঁশের কঞ্চি দিয়ে ব্রিজ নির্মাণ! অবরুদ্ধ হরমুজ: ট্রাম্পের অবরোধ ভাঙতে নামবে চীনের ভয়ঙ্কর নৌবহর? মার্কিন হুমকি তোয়াক্কা না করে হরমুজ পার হলো ইরানি সুপার ট্যাংকার ২৮০০ কোটি টাকার মার্কিন ড্রোন ধ্বংস করল ইরান মাদ্রাসা ছাত্ররা ভালোভাবে কোরআন শেখেনি বলে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ দিতে পারছি না: শিক্ষামন্ত্রী ইরানকে আত্মসমর্পণে বাধ্য করার প্রচেষ্টা ব্যর্থ হবে: পেজেশকিয়ান তেহরানের স্বার্থের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ যেকোনো সমাধানই মস্কো মেনে নেবে: রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইরান থেকে তেল নিতে পারবে না চীন: যুক্তরাষ্ট্র আমাকে নতি স্বীকার করাতে বুশরা বিবিকে ‘অমানুষিক’ নির্যাতন করা হচ্ছে: ইমরান খান আমিও অনলাইন ক্লাস চাই না, কিন্তু পৃথিবী চায়: শিক্ষামন্ত্রী

ভোলায় স্বামীকে বেঁধে স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় আটক-১

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৭:৩১:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ জুলাই ২০২৫
  • ৭৮২ বার পড়া হয়েছে

হাসনাইন আহমেদ হাওলাদার, ভোলা প্রতিনিধি:

চাঁদার দাবিতে ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলায় স্বামীকে বেঁধে মারধর এবং স্ত্রীকে শ্রমিক ও ছাত্রদল নেতাদের নেতৃত্বে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় করা মামলার আরও এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)।
আজ বুধবার (২ জুলাই) দুপুরে ভোলা সদর উপজেলার ইলিশা লঞ্চঘাট থেকে ধর্ষণ মামলার ৫ নম্বর আসামি মানিককে (৩৫) গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে গতকাল এক নারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।
র‍্যাব-৮ ভোলার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট মো. শাহরিয়ার রিফাত (অভি) খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, আজ বেলা ২টার দিকে ভোলা সদর উপজেলার ইলিশা লঞ্চঘাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে মানিককে গ্রেপ্তার করা হয়।
তিনি আরও জানান, মানিককে ভোলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

জানা গেছে, উপজেলার শম্ভুপুর ইউনিয়নের এক যুবককে গত শনিবার রাতে বাসায় ডেকে নিয়ে চাঁদার দাবিতে রাতভর নির্যাতন চালান উপজেলা শ্রমিক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. ফরিদ উদ্দিন, তজুমদ্দিন সরকারি কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক রাসেল, তাঁর ভাই আলাউদ্দিনসহ সংঘবদ্ধ একটি দল।

একপর্যায়ে ওই ব্যক্তির স্ত্রীকে টাকা নিয়ে এসে স্বামীকে ছাড়িয়ে নিতে বলা হয়। গত রোববার সকালে স্ত্রী ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে স্বামীকে ছাড়িয়ে নিতে ৪ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। চাঁদা না দেওয়ায় ওই যুবককে বেঁধে রেখে তাঁর স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করার অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী ওই নারী।
তজুমদ্দিন উপজেলা শ্রমিক দলের ১ নম্বর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. ফরিদ উদ্দিন, আলাউদ্দিনসহ তিনজন মিলে ওই নারীকে ধর্ষণ করেন। ধর্ষণ শেষে স্বামী-স্ত্রী দুজনকে ভয়ভীতি দেখিয়ে ঘটনা কাউকে না বলার হুমকি দিয়ে সেখান থেকে বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বাঁশের কঞ্চি দিয়ে ব্রিজ নির্মাণ!

ভোলায় স্বামীকে বেঁধে স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় আটক-১

আপডেট সময় ০৭:৩১:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ জুলাই ২০২৫

হাসনাইন আহমেদ হাওলাদার, ভোলা প্রতিনিধি:

চাঁদার দাবিতে ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলায় স্বামীকে বেঁধে মারধর এবং স্ত্রীকে শ্রমিক ও ছাত্রদল নেতাদের নেতৃত্বে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় করা মামলার আরও এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)।
আজ বুধবার (২ জুলাই) দুপুরে ভোলা সদর উপজেলার ইলিশা লঞ্চঘাট থেকে ধর্ষণ মামলার ৫ নম্বর আসামি মানিককে (৩৫) গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে গতকাল এক নারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।
র‍্যাব-৮ ভোলার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট মো. শাহরিয়ার রিফাত (অভি) খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, আজ বেলা ২টার দিকে ভোলা সদর উপজেলার ইলিশা লঞ্চঘাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে মানিককে গ্রেপ্তার করা হয়।
তিনি আরও জানান, মানিককে ভোলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

জানা গেছে, উপজেলার শম্ভুপুর ইউনিয়নের এক যুবককে গত শনিবার রাতে বাসায় ডেকে নিয়ে চাঁদার দাবিতে রাতভর নির্যাতন চালান উপজেলা শ্রমিক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. ফরিদ উদ্দিন, তজুমদ্দিন সরকারি কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক রাসেল, তাঁর ভাই আলাউদ্দিনসহ সংঘবদ্ধ একটি দল।

একপর্যায়ে ওই ব্যক্তির স্ত্রীকে টাকা নিয়ে এসে স্বামীকে ছাড়িয়ে নিতে বলা হয়। গত রোববার সকালে স্ত্রী ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে স্বামীকে ছাড়িয়ে নিতে ৪ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। চাঁদা না দেওয়ায় ওই যুবককে বেঁধে রেখে তাঁর স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করার অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী ওই নারী।
তজুমদ্দিন উপজেলা শ্রমিক দলের ১ নম্বর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. ফরিদ উদ্দিন, আলাউদ্দিনসহ তিনজন মিলে ওই নারীকে ধর্ষণ করেন। ধর্ষণ শেষে স্বামী-স্ত্রী দুজনকে ভয়ভীতি দেখিয়ে ঘটনা কাউকে না বলার হুমকি দিয়ে সেখান থেকে বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।