ঢাকা , মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
দুর্নীতি করলে রাষ্ট্রের কোনো প্রতিষ্ঠানই আমার বিরুদ্ধে কিছু করত না: আসিফ মাহমুদ দেবিদ্বারে ১১ হাসপাতাল-ক্লিনিককে ৫ লাখ ৯০ হাজার টাকা জরিমানা কল্যাণমূলক রাষ্ট্র ও সমাজ প্রতিষ্ঠাই জনগণের প্রতি সরকারের অঙ্গীকার: প্রধানমন্ত্রী বিএনপির কার্যালয়ে হামলা-ভাঙচুর, সাবেক আওয়ামী লীগ চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার যুবদল নেতার ফোন না ধরায় রেলকর্মীকে মারধর বিদেশে অর্থ বিনিয়োগের ধূলিকণারও প্রমাণ দিতে পারলে রাজনীতি ছেড়ে দেব: আসিফ মাহমুদ হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন এমকিউ-১ ড্রো’ন ভূ’পা’তি’ত করল ই’রা’ন প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য চলাকালে লোডশেডিং, পিরোজপুর পল্লী বিদ্যুতের জিএম স্ট্যান্ড রিলিজ কার অনুরোধে হরমুজ প্রণালি ইস্যুতে বৈঠক স্থগিত, জানাল ইরান আ.লীগ নেতার গোডাউন থেকে সার জব্দ

কোরআনের আয়াত উদ্ধৃত করে প্রতিবেশী দেশগুলোকে যে বার্তা দিল ইরান

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৫:৪১:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬
  • ৬৯ বার পড়া হয়েছে

প্রতিবেশী কয়েকটি দেশের সাম্প্রতিক অবস্থানের কড়া সমালোচনা করেছে ইরান। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘায়ি বলেছেন, যারা মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর বাণী উদ্ধৃত করেন, তাদের আগে নিজেদের কর্মকাণ্ড ইসলামের নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না, তা পর্যালোচনা করা উচিত।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বাঘায়ি বলেন, ইরান একটি প্রাচীন ও সমৃদ্ধ সভ্যতার দেশ এবং ইসলাম গ্রহণের পর থেকে ফিকহ, দর্শন, চিকিৎসাবিজ্ঞান, গণিত ও সাহিত্যসহ নানা ক্ষেত্রে ইসলামী সভ্যতায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে এসেছে।

তিনি পবিত্র কোরআনের সুরা হুজুরাতের ১৩ নম্বর আয়াত উদ্ধৃত করে বলেন, ইসলামে মর্যাদার ভিত্তি কোনো জাতি, ভাষা বা ভৌগোলিক পরিচয় নয়; বরং তাকওয়া বা আল্লাহভীতি। কেবল আরব বা আরবিভাষী হওয়ার কারণে কেউ মহানবী (সা.)-এর মিশনের প্রতিনিধি দাবি করতে পারেন না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

বাঘায়ির দাবি, রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও ইরান সবসময় সুপ্রতিবেশীসুলভ সম্পর্ক ও মুসলিম ভ্রাতৃত্বকে গুরুত্ব দিয়ে এসেছে। তবে তিনি প্রশ্ন তোলেন, কোনো মুসলিম দেশের ওপর হামলাকারী শক্তির সঙ্গে সহযোগিতা করা বা মুসলমানদের শত্রুদের আশ্রয় দেওয়া ইসলামের শিক্ষা ও মুসলিম ঐক্যের সঙ্গে কতটা সামঞ্জস্যপূর্ণ।

সম্প্রতি বাহরাইনের বাদশাহ হামাদ বিন ঈসা আল খলিফা ইরানকে বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে হামলা না চালানোর আহ্বান জানিয়ে মহানবী (সা.)-এর শিক্ষার প্রসঙ্গ টেনেছিলেন। এর জবাবেই মূলত ইরানের পক্ষ থেকে এই প্রতিক্রিয়া এসেছে বলে মনে করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, জুলাইয়ের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্র দক্ষিণ ইরানের বিভিন্ন স্থানে হামলা চালিয়ে আসছে। এর জবাবে ইরানও ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার মাধ্যমে বাহরাইনসহ অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র পরিচালিত সামরিক স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

দুর্নীতি করলে রাষ্ট্রের কোনো প্রতিষ্ঠানই আমার বিরুদ্ধে কিছু করত না: আসিফ মাহমুদ

কোরআনের আয়াত উদ্ধৃত করে প্রতিবেশী দেশগুলোকে যে বার্তা দিল ইরান

আপডেট সময় ০৫:৪১:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬

প্রতিবেশী কয়েকটি দেশের সাম্প্রতিক অবস্থানের কড়া সমালোচনা করেছে ইরান। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘায়ি বলেছেন, যারা মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর বাণী উদ্ধৃত করেন, তাদের আগে নিজেদের কর্মকাণ্ড ইসলামের নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না, তা পর্যালোচনা করা উচিত।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বাঘায়ি বলেন, ইরান একটি প্রাচীন ও সমৃদ্ধ সভ্যতার দেশ এবং ইসলাম গ্রহণের পর থেকে ফিকহ, দর্শন, চিকিৎসাবিজ্ঞান, গণিত ও সাহিত্যসহ নানা ক্ষেত্রে ইসলামী সভ্যতায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে এসেছে।

তিনি পবিত্র কোরআনের সুরা হুজুরাতের ১৩ নম্বর আয়াত উদ্ধৃত করে বলেন, ইসলামে মর্যাদার ভিত্তি কোনো জাতি, ভাষা বা ভৌগোলিক পরিচয় নয়; বরং তাকওয়া বা আল্লাহভীতি। কেবল আরব বা আরবিভাষী হওয়ার কারণে কেউ মহানবী (সা.)-এর মিশনের প্রতিনিধি দাবি করতে পারেন না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

বাঘায়ির দাবি, রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও ইরান সবসময় সুপ্রতিবেশীসুলভ সম্পর্ক ও মুসলিম ভ্রাতৃত্বকে গুরুত্ব দিয়ে এসেছে। তবে তিনি প্রশ্ন তোলেন, কোনো মুসলিম দেশের ওপর হামলাকারী শক্তির সঙ্গে সহযোগিতা করা বা মুসলমানদের শত্রুদের আশ্রয় দেওয়া ইসলামের শিক্ষা ও মুসলিম ঐক্যের সঙ্গে কতটা সামঞ্জস্যপূর্ণ।

সম্প্রতি বাহরাইনের বাদশাহ হামাদ বিন ঈসা আল খলিফা ইরানকে বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে হামলা না চালানোর আহ্বান জানিয়ে মহানবী (সা.)-এর শিক্ষার প্রসঙ্গ টেনেছিলেন। এর জবাবেই মূলত ইরানের পক্ষ থেকে এই প্রতিক্রিয়া এসেছে বলে মনে করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, জুলাইয়ের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্র দক্ষিণ ইরানের বিভিন্ন স্থানে হামলা চালিয়ে আসছে। এর জবাবে ইরানও ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার মাধ্যমে বাহরাইনসহ অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র পরিচালিত সামরিক স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করছে।