ঢাকা , রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
খোলা আকাশের নিচে জুতা সেলাই করেন বাবা, পাশেই বসে ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন বুনছে ছোট্ট প্রিয়জিত বাংলাদেশ থেকে নির্বাসিত তসলিমা নাসরিনের নিরাপত্তার দায়িত্ব নিলেন শুভেন্দু কোরআনের আয়াত উদ্ধৃত করে প্রতিবেশী দেশগুলোকে যে বার্তা দিল ইরান আসিয়ানে বাংলাদেশের সদস্যপদের সম্ভাবনা নেই: মহাসচিব ‎রাজধানীর উত্তর সিটি প্রশাসক ও এমপির ওপর হামলার অভিযোগ ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থা বিলোপ করতে হলে ১৯৭২-এর সংবিধান বাতিল করতে হবে: ফরহাদ মজহার জুলাই সনদ-বিচার ইস্যুতে তোপের মুখে মাহদী আমিন ‘ইরানের সঙ্গে সংঘাতের প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়ছে যুক্তরাষ্ট্রে’ ঢাকা মাতাবেন পাকিস্তানি র‍্যাপার হাসান রহিম ইসরায়েলে তীব্র তাপপ্রবাহ, সতর্কতা জারি

বাংলাদেশ থেকে নির্বাসিত তসলিমা নাসরিনের নিরাপত্তার দায়িত্ব নিলেন শুভেন্দু

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৫:৫৪:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬
  • ০ বার পড়া হয়েছে

এবার বাংলাদেশ থেকে নির্বাসিত লেখিকা তসলিমা নাসরিনের নিরাপত্তার দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। লেখিকাকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, ‘আপনাকে নিরাপত্তা দেওয়ার দায়িত্ব আমার। আমি রাজ্যের পুলিশমন্ত্রীও।শনিবার (১ আগস্ট) কলকাতার রবীন্দ্র সদনে এক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে তসলিমা নাসরিনকে এমনভাবেই ভরসা দেন শুভেন্দু অধিকারী। অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত না হলেও, হঠাৎ সেখানে হাজির হয়েছিলেন পশ্চিমবঙ্গ মুখ্যমন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে লেখিকাকে স্বাগত জানিয়ে তার হাতে ঋষি বঙ্কিমচন্দ্রের ছবি তুলে দেন শুভেন্দু অধিকারী। এ সময় তিনি বলেন, পশ্চিমবঙ্গে সংবিধানের প্রতিটি স্তম্ভ সুরক্ষিত। সেই পশ্চিমবঙ্গে সবার আসার সুযোগ রয়েছে, সবার কথা বলার স্বাধীনতা রয়েছে। অত্যন্ত সম্মানীয় লেখিকা তসলিমা নাসরিন এই বঙ্গভূমিতে গত শুক্রবার (৩১ জুলাই) এসেছেন। আজ কর্মসূচি করছেন, এটার মধ্যে দিয়ে প্রমাণিত হচ্ছে, যে নতুন সরকারের হাতে এই বাংলার গণতন্ত্র, সংবিধান, বাক্‌স্বাধীনতা ও মৌলিক অধিকার সুরক্ষিত।

পশ্চিমবঙ্গ মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এখানে ধমকচমক, দেখে নেবো, আটকে দেবোএসব জিনিস অতীত হয়ে গেছে। এরপরই লেখিকার উদ্দেশে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, এখানে আমি আমন্ত্রিত নই। তিনি (তসলিমা নাসরিন) আছেন বলে, তাকে স্বাগত জানালাম ঋষি বঙ্কিমচন্দ্রের ছবি দিয়ে। পশ্চিমবঙ্গে আপনাকে স্বাগত। আপনি লেখিকা, আপনার লেখা সবাই পড়ে, আপনার গুণগ্রাহীর সংখ্যা প্রচুর।

তসলিমা নাসরিনের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, আপনি একবার নয়, পশ্চিমবঙ্গে বারবার আসবেন। সুরক্ষিত পশ্চিমবঙ্গে আপনাকে নিরাপত্তা দেওয়ার দায়িত্ব আমার। পশ্চিমবঙ্গে শুধু মুখের পরিবর্তন হয়নি, ব্যবস্থারও পরিবর্তন হয়েছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

খোলা আকাশের নিচে জুতা সেলাই করেন বাবা, পাশেই বসে ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন বুনছে ছোট্ট প্রিয়জিত

বাংলাদেশ থেকে নির্বাসিত তসলিমা নাসরিনের নিরাপত্তার দায়িত্ব নিলেন শুভেন্দু

আপডেট সময় ০৫:৫৪:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬

এবার বাংলাদেশ থেকে নির্বাসিত লেখিকা তসলিমা নাসরিনের নিরাপত্তার দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। লেখিকাকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, ‘আপনাকে নিরাপত্তা দেওয়ার দায়িত্ব আমার। আমি রাজ্যের পুলিশমন্ত্রীও।শনিবার (১ আগস্ট) কলকাতার রবীন্দ্র সদনে এক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে তসলিমা নাসরিনকে এমনভাবেই ভরসা দেন শুভেন্দু অধিকারী। অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত না হলেও, হঠাৎ সেখানে হাজির হয়েছিলেন পশ্চিমবঙ্গ মুখ্যমন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে লেখিকাকে স্বাগত জানিয়ে তার হাতে ঋষি বঙ্কিমচন্দ্রের ছবি তুলে দেন শুভেন্দু অধিকারী। এ সময় তিনি বলেন, পশ্চিমবঙ্গে সংবিধানের প্রতিটি স্তম্ভ সুরক্ষিত। সেই পশ্চিমবঙ্গে সবার আসার সুযোগ রয়েছে, সবার কথা বলার স্বাধীনতা রয়েছে। অত্যন্ত সম্মানীয় লেখিকা তসলিমা নাসরিন এই বঙ্গভূমিতে গত শুক্রবার (৩১ জুলাই) এসেছেন। আজ কর্মসূচি করছেন, এটার মধ্যে দিয়ে প্রমাণিত হচ্ছে, যে নতুন সরকারের হাতে এই বাংলার গণতন্ত্র, সংবিধান, বাক্‌স্বাধীনতা ও মৌলিক অধিকার সুরক্ষিত।

পশ্চিমবঙ্গ মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এখানে ধমকচমক, দেখে নেবো, আটকে দেবোএসব জিনিস অতীত হয়ে গেছে। এরপরই লেখিকার উদ্দেশে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, এখানে আমি আমন্ত্রিত নই। তিনি (তসলিমা নাসরিন) আছেন বলে, তাকে স্বাগত জানালাম ঋষি বঙ্কিমচন্দ্রের ছবি দিয়ে। পশ্চিমবঙ্গে আপনাকে স্বাগত। আপনি লেখিকা, আপনার লেখা সবাই পড়ে, আপনার গুণগ্রাহীর সংখ্যা প্রচুর।

তসলিমা নাসরিনের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, আপনি একবার নয়, পশ্চিমবঙ্গে বারবার আসবেন। সুরক্ষিত পশ্চিমবঙ্গে আপনাকে নিরাপত্তা দেওয়ার দায়িত্ব আমার। পশ্চিমবঙ্গে শুধু মুখের পরিবর্তন হয়নি, ব্যবস্থারও পরিবর্তন হয়েছে।