ঢাকা , বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
শিক্ষকের মেসেজে ‘হা হা রিঅ্যাক্ট’, আটকে গেলো ছাত্রের সার্টিফিকেট আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির প্রাথমিক সত্যতা মিলেছে: দুদক মুখপাত্র সাহায্য নয়, ক্ষতিপূরণ চায় নেপাল; নজরে ভারতসহ তিন দেশ টানাপোড়েনের মধ্যেও এগিয়েছে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক: স্পিকার ইরানের নির্দেশনা অমান্য করে হরমুজে চলাচল, মাইন বিস্ফোরণে ধ্বংস ২ জাহাজ বাড়ল বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম টোল ছাড়াই চালু হলো ধউর-আশুলিয়া সার্ভিস সেতু যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণে ভিসা বন্ড ব্যবস্থা সহজ করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির ক্যানসার থেকে বাঁচতে ‘সূরা আর রহমান’ বড় ভূমিকা রেখেছে বাবা খাবেন, বাবার ব্যবসা করবেন, আবার বিএনপিও করবেন—তা হবে না

টোল ছাড়াই চালু হলো ধউর-আশুলিয়া সার্ভিস সেতু

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৩:৫০:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১২ বার পড়া হয়েছে

ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের আওতায় নির্মিত ৩ দশমিক ৩১ কিলোমিটার দীর্ঘ দুটি সার্ভিস সেতু যানবাহন চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে।

বুধবার সকালে আনুষ্ঠানিকভাবে সেতু দুটির উদ্বোধন করেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

মূল এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণকাজ চলাকালে সাভার, আশুলিয়া ও ঢাকার মধ্যে যানজট ও জনভোগান্তি কমাতে বিকল্প যোগাযোগ ব্যবস্থা হিসেবে সেতু দুটি নির্মাণ করা হয়েছে। এগুলো সম্পূর্ণ টোলমুক্ত। সাধারণ যানবাহনের পাশাপাশি পথচারীরাও সেতু দুটি ব্যবহার করতে পারবেন।

তবে নিরাপদ চলাচলের জন্য সেতুতে তিন ধরনের নির্দিষ্ট উচ্চতা সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। নির্ধারিত সীমার বেশি উচ্চতার কোনো যানবাহন সেতুতে উঠতে পারবে না।

প্রকল্পটি পুরোপুরি বাস্তবায়িত হলে ঢাকা ইপিজেড থেকে আশুলিয়া হয়ে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাওলা এলাকায় ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ তৈরি হবে। এতে বিমানবন্দর থেকে কুড়িল, বনানী, তেজগাঁও হয়ে যাত্রাবাড়ীর কুতুবখালী পর্যন্ত প্রায় ৪৪ কিলোমিটার দীর্ঘ নিরবচ্ছিন্ন উড়াল সড়ক নেটওয়ার্ক গড়ে উঠবে।

এ ছাড়া সাভার ও বাইপাইল এলাকার যানজট কমাতে বাইপাইল মোড়ে মাল্টি-লেভেল ইন্টারচেঞ্জ, বিমানবন্দরে প্রবেশের জন্য বিশেষ র‍্যাম্প এবং মেট্রোরেল এমআরটি লাইন-১-এর স্টেশনে যাতায়াতের জন্য পৃথক সংযোগ নির্মাণ করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ ও চীন সরকারের যৌথ অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পটির মোট ব্যয় ২৭ হাজার ৪৫ কোটি ৬৮ লাখ টাকা। জুলাই ২০২৬ পর্যন্ত প্রকল্পের ভৌত অগ্রগতি হয়েছে ৬৬ শতাংশ এবং আর্থিক অগ্রগতি ৫৬ দশমিক ০২ শতাংশ।

২০১৭ সালে শুরু হওয়া প্রকল্পটির কাজ ২০৩০ সালের জুনে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

চায়না ন্যাশনাল মেশিনারি ইমপোর্ট অ্যান্ড এক্সপোর্ট করপোরেশনের তত্ত্বাবধানে বাস্তবায়নাধীন এই এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে চালু হলে দেশের মোট দেশজ উৎপাদন—জিডিপি প্রায় শূন্য দশমিক ২১৭ শতাংশ বাড়বে বলে আশা করছে সরকার।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষকের মেসেজে ‘হা হা রিঅ্যাক্ট’, আটকে গেলো ছাত্রের সার্টিফিকেট

টোল ছাড়াই চালু হলো ধউর-আশুলিয়া সার্ভিস সেতু

আপডেট সময় ০৩:৫০:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের আওতায় নির্মিত ৩ দশমিক ৩১ কিলোমিটার দীর্ঘ দুটি সার্ভিস সেতু যানবাহন চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে।

বুধবার সকালে আনুষ্ঠানিকভাবে সেতু দুটির উদ্বোধন করেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

মূল এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণকাজ চলাকালে সাভার, আশুলিয়া ও ঢাকার মধ্যে যানজট ও জনভোগান্তি কমাতে বিকল্প যোগাযোগ ব্যবস্থা হিসেবে সেতু দুটি নির্মাণ করা হয়েছে। এগুলো সম্পূর্ণ টোলমুক্ত। সাধারণ যানবাহনের পাশাপাশি পথচারীরাও সেতু দুটি ব্যবহার করতে পারবেন।

তবে নিরাপদ চলাচলের জন্য সেতুতে তিন ধরনের নির্দিষ্ট উচ্চতা সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। নির্ধারিত সীমার বেশি উচ্চতার কোনো যানবাহন সেতুতে উঠতে পারবে না।

প্রকল্পটি পুরোপুরি বাস্তবায়িত হলে ঢাকা ইপিজেড থেকে আশুলিয়া হয়ে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাওলা এলাকায় ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ তৈরি হবে। এতে বিমানবন্দর থেকে কুড়িল, বনানী, তেজগাঁও হয়ে যাত্রাবাড়ীর কুতুবখালী পর্যন্ত প্রায় ৪৪ কিলোমিটার দীর্ঘ নিরবচ্ছিন্ন উড়াল সড়ক নেটওয়ার্ক গড়ে উঠবে।

এ ছাড়া সাভার ও বাইপাইল এলাকার যানজট কমাতে বাইপাইল মোড়ে মাল্টি-লেভেল ইন্টারচেঞ্জ, বিমানবন্দরে প্রবেশের জন্য বিশেষ র‍্যাম্প এবং মেট্রোরেল এমআরটি লাইন-১-এর স্টেশনে যাতায়াতের জন্য পৃথক সংযোগ নির্মাণ করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ ও চীন সরকারের যৌথ অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পটির মোট ব্যয় ২৭ হাজার ৪৫ কোটি ৬৮ লাখ টাকা। জুলাই ২০২৬ পর্যন্ত প্রকল্পের ভৌত অগ্রগতি হয়েছে ৬৬ শতাংশ এবং আর্থিক অগ্রগতি ৫৬ দশমিক ০২ শতাংশ।

২০১৭ সালে শুরু হওয়া প্রকল্পটির কাজ ২০৩০ সালের জুনে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

চায়না ন্যাশনাল মেশিনারি ইমপোর্ট অ্যান্ড এক্সপোর্ট করপোরেশনের তত্ত্বাবধানে বাস্তবায়নাধীন এই এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে চালু হলে দেশের মোট দেশজ উৎপাদন—জিডিপি প্রায় শূন্য দশমিক ২১৭ শতাংশ বাড়বে বলে আশা করছে সরকার।