ঢাকা , বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
মাদক কারবারিদের সংশোধনে তাবলিগে পাঠালেন ওসি ১০ কোটি টাকার সেতুতে রডের বদলে বাঁশ দিয়ে ঢালাই, গ্রেপ্তার ১ নেদারল্যান্ডসের রানির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কুশল বিনিময় জাতিসংঘে ভাষণে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের স্বীকৃতির দাবি জানালেন এরদোয়ান গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে যা বললেন স্পিকার আমার দুধের সন্তানকে অপরাধী বানাতে চাইলে মেনে নেব না: অপ্রতিমের মা বাংলাদেশি সাংবাদিকদের ফ্রিতে সাংবাদিকতা শেখাবে ভারত বিনামূল্যে ১০ লিটার মদ না দেয়ায় ম্যানেজারের শরীরে পেট্রোল ঢেলে আগুন! প্রয়োজনীয় সহায়তা ও সুরক্ষার অভাবে গাজা ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে: জাতিসংঘে ড. খলিলুর বিএনপির কার্যালয় পোড়ানো মামলায় গ্রেপ্তার, পরদিনই আ.লীগ কর্মীর জামিন

সন্তানের জীবন বাঁচাতে নিজের লিভার দিতে চান মা, চিকিৎসায় প্রয়োজন ৭০ লাখ টাকা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০২:০৭:২১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৬৫ বার পড়া হয়েছে

মাত্র ৪ মাস ৬ দিনের ছোট্ট ফুয়াদ। পৃথিবীর আলো দেখার পর যে বয়সে মায়ের কোলে নিশ্চিন্তে থাকার কথা, সেই বয়সেই জটিল রোগে আক্রান্ত হয়ে কঠিন সময় পার করছে শিশুটি।

 

শরীর ও চোখ হলুদ হয়ে গেছে। ধীরে ধীরে বড় হচ্ছে পেট। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, ফুয়াদের জীবন বাঁচাতে প্রয়োজন লিভার প্রতিস্থাপন। আর সন্তানকে বাঁচাতে নিজের লিভারের অংশ দিতেও প্রস্তুত মা ভূবন আক্তার বীথি। কিন্তু সন্তানের চিকিৎসার পথে সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে অর্থ।

 

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার শিশু ফুয়াদের শরীরে সম্প্রতি ধরা পড়ে জটিল রোগ ‘বিলিয়ারি অ্যাট্রেসিয়া’। চিকিৎসকের পরামর্শে তার অস্ত্রোপচার করা হলেও কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যায়নি। বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হচ্ছে বলে পরিবার জানিয়েছে।

 

চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, ফুয়াদকে বাঁচাতে লিভার প্রতিস্থাপন প্রয়োজন। এজন্য তাকে ভারতের চেন্নাইয়ে নিয়ে চিকিৎসা করাতে হবে। সেখানে চিকিৎসা ও লিভার প্রতিস্থাপনে আনুমানিক ৬০ থেকে ৭০ লাখ টাকা প্রয়োজন হতে পারে।

 

এই বিপুল অর্থের কথা শুনে দিশেহারা পরিবারটি। ছেলের চিকিৎসার জন্য ইতোমধ্যে ঋণ নেওয়া এবং জমি বন্ধক রেখে পাওয়া অর্থের বড় অংশ ব্যয় হয়ে গেছে। এখন নতুন করে এত টাকা সংগ্রহ করা তাদের পক্ষে প্রায় অসম্ভব।

 

বর্তমানে বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের পেডিয়েট্রিক সার্জারি ও পেডিয়েট্রিক ইউরোলজি বিশেষজ্ঞ মো. সামিউল হাসানের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা চলছে ফুয়াদের।

 

ফুয়াদের বাবা আব্দুল্লাহ আল মামুন হৃদয় পাকুন্দিয়া উপজেলার সুখিয়া ইউনিয়নের কোষাকান্দা গ্রামের বর্গাচাষি মো. রতন মিয়ার ছেলে। পরিবারের আর্থিক সংকট কাটাতে সাত মাস আগে তিনি সৌদি আরবে পাড়ি জমিয়েছেন। দেশে থাকাকালে অটোরিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন।

 

অন্যদিকে ফুয়াদের মা ভূবন আক্তার বীথি শেরপুর সরকারি কলেজের অনার্সের শিক্ষার্থী। একদিকে সন্তানের অসুস্থতা, অন্যদিকে চিকিৎসার বিপুল ব্যয়—সব মিলিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটছে তার।

 

সন্তানকে বাঁচানোর আকুতি জানিয়ে বীথি বলেন, সন্তানকে বাঁচাতে আমি নিজের লিভারের অংশ দিতে চাই। চিকিৎসকেরা বলেছেন, লিভার প্রতিস্থাপন করতে হবে। কিন্তু এত টাকা আমাদের পক্ষে জোগাড় করা অসম্ভব। সবাই সামান্য করে সহযোগিতা করলে হয়তো আমার সন্তানকে বাঁচাতে পারব।

 

মায়ের এই আকুতি এখন পৌঁছাতে চায় দেশের মানুষের কাছে। কারও সামর্থ্য অনুযায়ী ছোট একটি সহযোগিতাও হতে পারে ফুয়াদের চিকিৎসার পথে বড় সহায়তা।

 

একটি শিশুর জীবন, একটি মায়ের স্বপ্ন, একটি পরিবারের শেষ আশা, মানবিক মানুষের সহযোগিতায় হয়তো বেঁচে উঠতে পারে ছোট্ট ফুয়াদ।

 

ফুয়াদের চিকিৎসায় সাহায্য পাঠানোর মাধ্যম

নাম: মোছা. ভূবন আক্তার বীথি

সঞ্চয়ী হিসাব নম্বর: ৬২০৮৩০১০১২২৯৪

ব্যাংক: সোনালী ব্যাংক পিএলসি

শাখা: সূর্যদী বাজার, শেরপুর

বিকাশ (পার্সোনাল): ০১৯৪৮০৮৭০৩৬

নগদ ও রকেট: ০১৩৫১০২৮২৭৭

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

মাদক কারবারিদের সংশোধনে তাবলিগে পাঠালেন ওসি

সন্তানের জীবন বাঁচাতে নিজের লিভার দিতে চান মা, চিকিৎসায় প্রয়োজন ৭০ লাখ টাকা

আপডেট সময় ০২:০৭:২১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মাত্র ৪ মাস ৬ দিনের ছোট্ট ফুয়াদ। পৃথিবীর আলো দেখার পর যে বয়সে মায়ের কোলে নিশ্চিন্তে থাকার কথা, সেই বয়সেই জটিল রোগে আক্রান্ত হয়ে কঠিন সময় পার করছে শিশুটি।

 

শরীর ও চোখ হলুদ হয়ে গেছে। ধীরে ধীরে বড় হচ্ছে পেট। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, ফুয়াদের জীবন বাঁচাতে প্রয়োজন লিভার প্রতিস্থাপন। আর সন্তানকে বাঁচাতে নিজের লিভারের অংশ দিতেও প্রস্তুত মা ভূবন আক্তার বীথি। কিন্তু সন্তানের চিকিৎসার পথে সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে অর্থ।

 

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার শিশু ফুয়াদের শরীরে সম্প্রতি ধরা পড়ে জটিল রোগ ‘বিলিয়ারি অ্যাট্রেসিয়া’। চিকিৎসকের পরামর্শে তার অস্ত্রোপচার করা হলেও কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যায়নি। বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হচ্ছে বলে পরিবার জানিয়েছে।

 

চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, ফুয়াদকে বাঁচাতে লিভার প্রতিস্থাপন প্রয়োজন। এজন্য তাকে ভারতের চেন্নাইয়ে নিয়ে চিকিৎসা করাতে হবে। সেখানে চিকিৎসা ও লিভার প্রতিস্থাপনে আনুমানিক ৬০ থেকে ৭০ লাখ টাকা প্রয়োজন হতে পারে।

 

এই বিপুল অর্থের কথা শুনে দিশেহারা পরিবারটি। ছেলের চিকিৎসার জন্য ইতোমধ্যে ঋণ নেওয়া এবং জমি বন্ধক রেখে পাওয়া অর্থের বড় অংশ ব্যয় হয়ে গেছে। এখন নতুন করে এত টাকা সংগ্রহ করা তাদের পক্ষে প্রায় অসম্ভব।

 

বর্তমানে বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের পেডিয়েট্রিক সার্জারি ও পেডিয়েট্রিক ইউরোলজি বিশেষজ্ঞ মো. সামিউল হাসানের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা চলছে ফুয়াদের।

 

ফুয়াদের বাবা আব্দুল্লাহ আল মামুন হৃদয় পাকুন্দিয়া উপজেলার সুখিয়া ইউনিয়নের কোষাকান্দা গ্রামের বর্গাচাষি মো. রতন মিয়ার ছেলে। পরিবারের আর্থিক সংকট কাটাতে সাত মাস আগে তিনি সৌদি আরবে পাড়ি জমিয়েছেন। দেশে থাকাকালে অটোরিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন।

 

অন্যদিকে ফুয়াদের মা ভূবন আক্তার বীথি শেরপুর সরকারি কলেজের অনার্সের শিক্ষার্থী। একদিকে সন্তানের অসুস্থতা, অন্যদিকে চিকিৎসার বিপুল ব্যয়—সব মিলিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটছে তার।

 

সন্তানকে বাঁচানোর আকুতি জানিয়ে বীথি বলেন, সন্তানকে বাঁচাতে আমি নিজের লিভারের অংশ দিতে চাই। চিকিৎসকেরা বলেছেন, লিভার প্রতিস্থাপন করতে হবে। কিন্তু এত টাকা আমাদের পক্ষে জোগাড় করা অসম্ভব। সবাই সামান্য করে সহযোগিতা করলে হয়তো আমার সন্তানকে বাঁচাতে পারব।

 

মায়ের এই আকুতি এখন পৌঁছাতে চায় দেশের মানুষের কাছে। কারও সামর্থ্য অনুযায়ী ছোট একটি সহযোগিতাও হতে পারে ফুয়াদের চিকিৎসার পথে বড় সহায়তা।

 

একটি শিশুর জীবন, একটি মায়ের স্বপ্ন, একটি পরিবারের শেষ আশা, মানবিক মানুষের সহযোগিতায় হয়তো বেঁচে উঠতে পারে ছোট্ট ফুয়াদ।

 

ফুয়াদের চিকিৎসায় সাহায্য পাঠানোর মাধ্যম

নাম: মোছা. ভূবন আক্তার বীথি

সঞ্চয়ী হিসাব নম্বর: ৬২০৮৩০১০১২২৯৪

ব্যাংক: সোনালী ব্যাংক পিএলসি

শাখা: সূর্যদী বাজার, শেরপুর

বিকাশ (পার্সোনাল): ০১৯৪৮০৮৭০৩৬

নগদ ও রকেট: ০১৩৫১০২৮২৭৭