ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইরানকে চাপে রাখতে এবার হরমুজে মার্কিন ‘এসকর্ট’ মিশন

  • অনলাই ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:৪৭:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬
  • ৬২ বার পড়া হয়েছে

রমুজ প্রণালিতে আটকে পড়া বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে মার্কিন পাহারায় (এসকর্ট) পার করে দেওয়ার কথা ভাবছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

সোফান সেন্টারের বিশ্লেষক কেনেথ কাটজম্যান এ তথ্য জানিয়েছেন।

কাটজম্যান বলেন, ট্রাম্প নতুন করে যুদ্ধ শুরু না করেই ইরানের সঙ্গে চলমান অচলাবস্থার সমাধান করতে চান। এ ক্ষেত্রে তিনি হরমুজ প্রণালিতে আটকে থাকা বাণিজ্যিক ট্যাংকারগুলোকে মার্কিন এসকর্ট মিশনের মাধ্যমে পার করে দেওয়ার বিকল্পটি বিবেচনা করছেন।

তিনি আরও বলেন, ‘যদি ইরানের পক্ষ থেকে বিশেষ কোনো অগ্রগতি দেখা না যায়, তাহলে আটকে পড়া জাহাজগুলোর জন্য ট্রাম্প সম্ভবত মার্কিন এসকর্ট মিশনের দিকেই এগোবেন।’ এই উদ্যোগের ফলে উপসাগরীয় দেশগুলো এবং ইরাকের মতো বন্ধু রাষ্ট্রগুলো উপকৃত হবে, যদিও ইরানের ওপর মার্কিন অবরোধ আগের মতোই বহাল থাকবে।

ইরানকে সতর্ক করে কাটজম্যান বলেন, যদি ইরান এই এসকর্ট মিশনে হামলা চালানোর ভুল করে, তাহলে আলোচনার মোড় ঘুরে যাবে। সে ক্ষেত্রে ট্রাম্পের হাতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের আরও অনেক কঠোর বিকল্প রয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘমেয়াদি অচলাবস্থা শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষেই যাবে। কারণ সমুদ্রপথে বাণিজ্য ছাড়া ইরানের সামনে খুব কম বিকল্পই খোলা আছে। এতে ইরান তেল উৎপাদন কমিয়ে দিতে বাধ্য হতে পারে এবং দেশটির সাধারণ জনগণের মধ্যে ব্যাপক অর্থনৈতিক সংকট তৈরি হতে পারে।

কাটজম্যানের মতে, এই সংকটে তেলের দাম বাড়া ট্রাম্পের জন্য রাজনৈতিকভাবে কিছুটা অসুবিধাজনক হলেও ইরানের পরিস্থিতি হবে আরও ভয়াবহ।

সূত্র: আলজাজিরা

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানকে চাপে রাখতে এবার হরমুজে মার্কিন ‘এসকর্ট’ মিশন

আপডেট সময় ০১:৪৭:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬

রমুজ প্রণালিতে আটকে পড়া বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে মার্কিন পাহারায় (এসকর্ট) পার করে দেওয়ার কথা ভাবছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

সোফান সেন্টারের বিশ্লেষক কেনেথ কাটজম্যান এ তথ্য জানিয়েছেন।

কাটজম্যান বলেন, ট্রাম্প নতুন করে যুদ্ধ শুরু না করেই ইরানের সঙ্গে চলমান অচলাবস্থার সমাধান করতে চান। এ ক্ষেত্রে তিনি হরমুজ প্রণালিতে আটকে থাকা বাণিজ্যিক ট্যাংকারগুলোকে মার্কিন এসকর্ট মিশনের মাধ্যমে পার করে দেওয়ার বিকল্পটি বিবেচনা করছেন।

তিনি আরও বলেন, ‘যদি ইরানের পক্ষ থেকে বিশেষ কোনো অগ্রগতি দেখা না যায়, তাহলে আটকে পড়া জাহাজগুলোর জন্য ট্রাম্প সম্ভবত মার্কিন এসকর্ট মিশনের দিকেই এগোবেন।’ এই উদ্যোগের ফলে উপসাগরীয় দেশগুলো এবং ইরাকের মতো বন্ধু রাষ্ট্রগুলো উপকৃত হবে, যদিও ইরানের ওপর মার্কিন অবরোধ আগের মতোই বহাল থাকবে।

ইরানকে সতর্ক করে কাটজম্যান বলেন, যদি ইরান এই এসকর্ট মিশনে হামলা চালানোর ভুল করে, তাহলে আলোচনার মোড় ঘুরে যাবে। সে ক্ষেত্রে ট্রাম্পের হাতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের আরও অনেক কঠোর বিকল্প রয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘমেয়াদি অচলাবস্থা শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষেই যাবে। কারণ সমুদ্রপথে বাণিজ্য ছাড়া ইরানের সামনে খুব কম বিকল্পই খোলা আছে। এতে ইরান তেল উৎপাদন কমিয়ে দিতে বাধ্য হতে পারে এবং দেশটির সাধারণ জনগণের মধ্যে ব্যাপক অর্থনৈতিক সংকট তৈরি হতে পারে।

কাটজম্যানের মতে, এই সংকটে তেলের দাম বাড়া ট্রাম্পের জন্য রাজনৈতিকভাবে কিছুটা অসুবিধাজনক হলেও ইরানের পরিস্থিতি হবে আরও ভয়াবহ।

সূত্র: আলজাজিরা