সৌদি আরবের পবিত্র মক্কা মোকাররমা থেকে দেওয়া এক ফেসবুক পোস্টে বনলতা এক্সপ্রেসকে ঘিরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সৃষ্ট পরিস্থিতি নিয়ে মন্তব্য করেছেন ইসলামী বক্তা ও নেতা মামুনুল হক।
পোস্টে তিনি বলেন, আলেম সমাজের ধর্মীয় কার্যক্রমকে মূলত উদ্বুদ্ধকরণ এবং প্রতিবাদ-প্রতিরোধ—এই দুই ভাগে বিভক্ত করা যায়। শিক্ষা, আত্মশুদ্ধি ও দাওয়াহর কাজ সাধারণত হিকমাহ ও কল্যাণকামিতার মাধ্যমে পরিচালিত হয়। অন্যদিকে অন্যায়ের প্রতিবাদ ও প্রতিরোধের ক্ষেত্রে সক্ষমতার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ বলে তিনি উল্লেখ করেন।
মামুনুল হক তার বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশে শরিয়াভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা না থাকায় বিভিন্ন ধরনের অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের সক্ষমতা সমান নয়। তিনি দাবি করেন, আল্লাহ ও রাসূল (সা.)-এর অবমাননা, কুরআনের বিধান নিয়ে কটাক্ষ কিংবা ইসলামী ঐতিহ্য ও ধর্মীয় ব্যক্তিত্বদের অসম্মান—এসব বিষয়ে ধর্মপ্রাণ মানুষের প্রতিক্রিয়ার মাত্রা ভিন্ন হতে পারে।
বনলতা এক্সপ্রেসকে কেন্দ্র করে সাম্প্রতিক বিতর্ক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যদি পবিত্র বায়তুল্লাহ শরীফের অবমাননা বা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিশিষ্ট আলেম ফখরে বাঙাল তাজুল ইসলাম (রহ.)-এর সম্মানহানির মতো ঘটনা ঘটে থাকে, তাহলে বিষয়টি অত্যন্ত গুরুতর এবং দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।
তবে যদি কেবল একটি সিনেমার প্রদর্শনীকে কেন্দ্র করেই প্রতিবাদ হয়ে থাকে, তাহলে সেটি ভিন্ন মাত্রার বিষয় বলে উল্লেখ করেন তিনি।
মামুনুল হক বলেন, পুরো ঘটনাকে ঘিরে একটি ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। তাই প্রকৃত ঘটনা স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন। একই সঙ্গে আলেম সমাজ ও ইসলামী জনতার প্রতিবাদের কারণ সাধারণ মানুষের কাছে বোধগম্য ও গ্রহণযোগ্য হওয়াও জরুরি বলে তিনি মন্তব্য করেন।

ডেস্ক রিপোর্ট 
























