ঢাকা , সোমবার, ১৮ মে ২০২৬, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারীর সমালোচনায় সিইসি: ‘দেখা করে বের হয়েই আমাদের গালি দিতেন’ বাংলাদেশ থেকে কর্মী নেয়ার সুখবর দিলো কাতার আওয়ামী লীগকে আর কখনো রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: হাসনাত  রাস্তার ইট তুলে নিজ বাড়িতে পাকা বাথরুম নির্মাণের অভিযোগ ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে গঙ্গা নদীতে আমিষ বর্জ্য ফেলা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত: ভারতীয় হাইকোর্ট বিএনপির ১৮ নেতা-কর্মীকে হত্যার হুমকি দিয়ে চিরকুট ও বোমা রেখে গেল দুর্বৃত্তরা! আরেকটা গণঅভ্যুত্থান হলে আগে ইসিকে হাত দিব: নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী ধৈর্যেরও একটা সীমা আছে, আমিরাতকে হুঁশিয়ারি ইরানের আড়াইশ কোটি টাকার শেয়ার কেলেঙ্কারি, সাকিবসহ ১৫ জনের নথি জব্দ  স্থানীয় সরকার নির্বাচনে রক্তপাত না ঘটাতে সব দলকে বসার আহ্বান সিইসির

জামায়াত ক্ষমতায় আসলে কওমি ও সুন্নিদের অস্তিত্ব থাকবে না: মহিবুল্লাহ বাবুনগরী

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৪:২৩:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ নভেম্বর ২০২৫
  • ৪৭৩ বার পড়া হয়েছে

এবার হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির শায়খুল হাদিস আল্লামা শাহ মুহিবুল্লাহ বাবুনগরী বলেছেন,আওয়ামী লীগ ইসলামের দুশমন আর জামায়াতে ইসলামী কওমি মাদ্রাসার দুশমন। তিনি দাবি করেন, যদি কখনও জামায়াত ক্ষমতায় আসে,তাহলে দেশে কওমি দেওবন্দী ধারা ও আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত ধারার মাদ্রাসাগুলোর অস্তিত্ব টিকবে না।

সম্প্রতি চট্টগ্রামে এক সমাবেশে অংশ নিয়ে ভিডিও বার্তায় তিনি এসব মন্তব্য করেন। মহিবুল্লাহ বাবুনগরী বলেন, আল্লাহ তা না করুক, যদি এই ফেরাউনের জাত আবার ক্ষমতায় ফিরে আসে, তাহলে এ দেশের মাদরাসাগুলোর কোনো অস্তিত্ব থাকবে না। আমি কসম করে বলছি, তারা কওমি ও সুন্নিয়ত ধারার মাদরাসা মুছে ফেলবে।

তিনি আরও বলেন, জামায়াত ইসলামী মুখে ইসলামের কথা বললেও বাস্তবে তারা ইসলামী শিক্ষার সবচেয়ে বড় ক্ষতি করেছে। এই দলের নেতারা ক্ষমতায় থাকাকালীন কওমি মাদরাসাকে নানা প্রকারভাবে অবমূল্যায়ন করেছে। তারা ইসলামী রাজনীতির নামে নিজেদের স্বার্থ রক্ষা করে।

জামায়াতের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ও রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। কওমি ঘেরা আলেম ওলামা বলছেন, জামায়াত রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে ধর্মকে ব্যবহার করছে। তারা মওদুদীর ইসলাম বাদ দিয়ে সঠিক ইসলামে পথে আসলে সবাই তাদেরকে সর্মথন করবে।

হেফাজত আমিরের এ মন্তব্যের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এক বিবৃতিতে বলেন, মুহিবুল্লাহ বাবুনগরীর বক্তব্য সম্পূর্ণ মনগড়া ও ভিত্তিহীন। জামায়াতে ইসলামী প্রতিষ্ঠার পর থেকেই দেশে অসংখ্য মসজিদ, মাদ্রাসা ও এতিমখানা প্রতিষ্ঠা করেছে। ২০০১ থেকে ২০০৬ সালে জামায়াতের দুইজন মন্ত্রী ক্ষমতায় থাকাকালীন কওমি মাদ্রাসাকে বরং মুক্তহস্তে সহায়তা দিয়েছেন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারীর সমালোচনায় সিইসি: ‘দেখা করে বের হয়েই আমাদের গালি দিতেন’

জামায়াত ক্ষমতায় আসলে কওমি ও সুন্নিদের অস্তিত্ব থাকবে না: মহিবুল্লাহ বাবুনগরী

আপডেট সময় ০৪:২৩:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ নভেম্বর ২০২৫

এবার হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির শায়খুল হাদিস আল্লামা শাহ মুহিবুল্লাহ বাবুনগরী বলেছেন,আওয়ামী লীগ ইসলামের দুশমন আর জামায়াতে ইসলামী কওমি মাদ্রাসার দুশমন। তিনি দাবি করেন, যদি কখনও জামায়াত ক্ষমতায় আসে,তাহলে দেশে কওমি দেওবন্দী ধারা ও আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত ধারার মাদ্রাসাগুলোর অস্তিত্ব টিকবে না।

সম্প্রতি চট্টগ্রামে এক সমাবেশে অংশ নিয়ে ভিডিও বার্তায় তিনি এসব মন্তব্য করেন। মহিবুল্লাহ বাবুনগরী বলেন, আল্লাহ তা না করুক, যদি এই ফেরাউনের জাত আবার ক্ষমতায় ফিরে আসে, তাহলে এ দেশের মাদরাসাগুলোর কোনো অস্তিত্ব থাকবে না। আমি কসম করে বলছি, তারা কওমি ও সুন্নিয়ত ধারার মাদরাসা মুছে ফেলবে।

তিনি আরও বলেন, জামায়াত ইসলামী মুখে ইসলামের কথা বললেও বাস্তবে তারা ইসলামী শিক্ষার সবচেয়ে বড় ক্ষতি করেছে। এই দলের নেতারা ক্ষমতায় থাকাকালীন কওমি মাদরাসাকে নানা প্রকারভাবে অবমূল্যায়ন করেছে। তারা ইসলামী রাজনীতির নামে নিজেদের স্বার্থ রক্ষা করে।

জামায়াতের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ও রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। কওমি ঘেরা আলেম ওলামা বলছেন, জামায়াত রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে ধর্মকে ব্যবহার করছে। তারা মওদুদীর ইসলাম বাদ দিয়ে সঠিক ইসলামে পথে আসলে সবাই তাদেরকে সর্মথন করবে।

হেফাজত আমিরের এ মন্তব্যের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এক বিবৃতিতে বলেন, মুহিবুল্লাহ বাবুনগরীর বক্তব্য সম্পূর্ণ মনগড়া ও ভিত্তিহীন। জামায়াতে ইসলামী প্রতিষ্ঠার পর থেকেই দেশে অসংখ্য মসজিদ, মাদ্রাসা ও এতিমখানা প্রতিষ্ঠা করেছে। ২০০১ থেকে ২০০৬ সালে জামায়াতের দুইজন মন্ত্রী ক্ষমতায় থাকাকালীন কওমি মাদ্রাসাকে বরং মুক্তহস্তে সহায়তা দিয়েছেন।