ঢাকা , রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাদ্রাসায় আগুন, নামাজে গিয়ে রক্ষা পেল ৩৫ শিক্ষার্থী

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৩:০১:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৬৭৩ বার পড়া হয়েছে

এবার নামাজে গিয়ে আগুনের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা পেল একটি মাদ্র‍াসা ও এতিমখানার ৩৫ শিক্ষার্থী। শনিবার (৩ জানুয়ারি) বরিশাল সদর উপজেলার চরবাড়িয়া ইউনিয়নের মহাবাজ এলাকার মাদিনাতুল উলুম নূরানি ও হাফিজিয়া মাদ্রাসা এবং এতিমখানা লিল্লাহ বোর্ডিংয়ে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

এদিকে ফায়ার সার্ভিস ও মাদ্রাসা সূত্রে জানা যায়, শনিবার সন্ধ্যায় মাগরিবের নামাজ আদায়ের জন্য প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা পাশের একটি মসজিদে যান। এ সময় বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিটের মাধ্যমে মাদ্রাসাটিতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে বলে ধারনা করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা জহিরুল ইসলাম বলেন, ‘মাগরিবের নামাজ আদায়ের জন্য পাশের একটি মসজিদে অবস্থান করেন মাদ্রাসার ৩৫ জন শিক্ষার্থী ও শিক্ষক। নামাজের শেষের দিকে আগুনের খবর পেয়ে ছুটে গিয়ে দেখা গেছে পুরো মাদ্রাসা দাউ দাউ করে জ্বলছে। সব মালামাল পুড়ে গেছে। তবে ভেতরে কেউ না থাকায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।’

এ বিষয়ে বরিশাল সদর ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার রবিউল আল আমিন বলেন, ‘ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘণ্টাব্যাপী চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে এনেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে শর্টসার্কিট থেকে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ দাবি অনুযায়ী ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৩০ লাখ টাকা।’

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

মাদ্রাসায় আগুন, নামাজে গিয়ে রক্ষা পেল ৩৫ শিক্ষার্থী

আপডেট সময় ০৩:০১:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৬

এবার নামাজে গিয়ে আগুনের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা পেল একটি মাদ্র‍াসা ও এতিমখানার ৩৫ শিক্ষার্থী। শনিবার (৩ জানুয়ারি) বরিশাল সদর উপজেলার চরবাড়িয়া ইউনিয়নের মহাবাজ এলাকার মাদিনাতুল উলুম নূরানি ও হাফিজিয়া মাদ্রাসা এবং এতিমখানা লিল্লাহ বোর্ডিংয়ে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

এদিকে ফায়ার সার্ভিস ও মাদ্রাসা সূত্রে জানা যায়, শনিবার সন্ধ্যায় মাগরিবের নামাজ আদায়ের জন্য প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা পাশের একটি মসজিদে যান। এ সময় বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিটের মাধ্যমে মাদ্রাসাটিতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে বলে ধারনা করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা জহিরুল ইসলাম বলেন, ‘মাগরিবের নামাজ আদায়ের জন্য পাশের একটি মসজিদে অবস্থান করেন মাদ্রাসার ৩৫ জন শিক্ষার্থী ও শিক্ষক। নামাজের শেষের দিকে আগুনের খবর পেয়ে ছুটে গিয়ে দেখা গেছে পুরো মাদ্রাসা দাউ দাউ করে জ্বলছে। সব মালামাল পুড়ে গেছে। তবে ভেতরে কেউ না থাকায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।’

এ বিষয়ে বরিশাল সদর ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার রবিউল আল আমিন বলেন, ‘ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘণ্টাব্যাপী চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে এনেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে শর্টসার্কিট থেকে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ দাবি অনুযায়ী ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৩০ লাখ টাকা।’