ঢাকা , শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সিআইডি প্রধানের দায়িত্ব পাওয়ার তিন দিনের মাথায় অবসরের আবেদন

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:৩৬:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬
  • ১২৩ বার পড়া হয়েছে

পদোন্নতি না পাওয়ায় চাকরি থেকে স্বেচ্ছা অবসর নিয়েছেন বাংলাদেশ পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ভারপ্রাপ্ত প্রধান আলি আকবর খান।

 

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) পুলিশ হেডকোয়ার্টারের বিশেষ পুলিশ সুপার (প্রশাসন) এ এ এম হুমায়ুন কবীর স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

 

ঐচ্ছিক অবসর গ্রহণ ও পিআরএলের আবেদন পাঠানোর বিষয় উল্লেখ করে প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ডিআইজি (অর্গানাইজড ক্রাইম) এবং ভারপ্রাপ্ত সিআইডি প্রধান আলি আকবর খান স্বেচ্ছায় অবসর গ্রহণ করেন। আগামী ২ জুলাই থেকে এক বছরের পিআরএল মঞ্জুরের জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে সিনিয়র সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা বরাবর আবেদন করেছেন। তার দাখিল করা আবেদন এতৎসঙ্গে প্রেরণ করা হলো।’

 

আরও বলা হয়, ‘এ অবস্থায় বর্ণিত কর্মকর্তার আবদনের প্রেক্ষিতে সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর ৪৪ ধারা মোতাবেক ঐচ্ছিক অবসর গ্রহণের এবং আগামী ২ জুলাই থেকে এক বছরের পিআরএল মঞ্জুরের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হলো।’

 

এর আগে গত ১ জুন পুলিশ সদর দপ্তরের এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে বাংলাদেশ পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) প্রধানের ভারপ্রাপ্ত দায়িত্বে নিয়োজিত করা হয় আলি আকবর খানকে।

 

আলি আকবর খান ১৯৯৫ সালে ১৫তম বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের মাধ্যমে বাংলাদেশ পুলিশে যোগদান করেন। ১৯৬৭ সালের ২১ সেপ্টেম্বর চাঁদপুর জেলায় জন্মগ্রহণ করেন।

 

দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি রেঞ্জ পুলিশ, বাংলাদেশ পুলিশ সদর দপ্তর এবং জননিরাপত্তা বিভাগসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইউনিটে দায়িত্ব পালন করেছেন। নিষ্ঠা, দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের মাধ্যমে তিনি সহকর্মী ও সংশ্লিষ্ট মহলে প্রশংসা অর্জন করেন।

 

পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আকবর খান দেশ-বিদেশে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ, সেমিনার ও কর্মশালায় অংশ নিয়েছেন। এর মধ্যে ইতালিতে অনুষ্ঠিত মানবপাচার প্রতিরোধ, বৈধ অভিবাসন উৎসাহিতকরণ এবং অনিয়মিত অভিবাসন নিরুৎসাহিতকরণবিষয়ক কর্মশালা এবং মালদ্বীপে অনুষ্ঠিত মানবপাচার ও অভিবাসী পাচারসংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহবিষয়ক আঞ্চলিক কর্মশালা উল্লেখযোগ্য।

 

এ ছাড়া তিনি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে পেশাগত জ্ঞান ও দক্ষতা আরও সমৃদ্ধ করেছেন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

সিআইডি প্রধানের দায়িত্ব পাওয়ার তিন দিনের মাথায় অবসরের আবেদন

আপডেট সময় ১১:৩৬:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬

পদোন্নতি না পাওয়ায় চাকরি থেকে স্বেচ্ছা অবসর নিয়েছেন বাংলাদেশ পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ভারপ্রাপ্ত প্রধান আলি আকবর খান।

 

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) পুলিশ হেডকোয়ার্টারের বিশেষ পুলিশ সুপার (প্রশাসন) এ এ এম হুমায়ুন কবীর স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

 

ঐচ্ছিক অবসর গ্রহণ ও পিআরএলের আবেদন পাঠানোর বিষয় উল্লেখ করে প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ডিআইজি (অর্গানাইজড ক্রাইম) এবং ভারপ্রাপ্ত সিআইডি প্রধান আলি আকবর খান স্বেচ্ছায় অবসর গ্রহণ করেন। আগামী ২ জুলাই থেকে এক বছরের পিআরএল মঞ্জুরের জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে সিনিয়র সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা বরাবর আবেদন করেছেন। তার দাখিল করা আবেদন এতৎসঙ্গে প্রেরণ করা হলো।’

 

আরও বলা হয়, ‘এ অবস্থায় বর্ণিত কর্মকর্তার আবদনের প্রেক্ষিতে সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর ৪৪ ধারা মোতাবেক ঐচ্ছিক অবসর গ্রহণের এবং আগামী ২ জুলাই থেকে এক বছরের পিআরএল মঞ্জুরের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হলো।’

 

এর আগে গত ১ জুন পুলিশ সদর দপ্তরের এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে বাংলাদেশ পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) প্রধানের ভারপ্রাপ্ত দায়িত্বে নিয়োজিত করা হয় আলি আকবর খানকে।

 

আলি আকবর খান ১৯৯৫ সালে ১৫তম বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের মাধ্যমে বাংলাদেশ পুলিশে যোগদান করেন। ১৯৬৭ সালের ২১ সেপ্টেম্বর চাঁদপুর জেলায় জন্মগ্রহণ করেন।

 

দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি রেঞ্জ পুলিশ, বাংলাদেশ পুলিশ সদর দপ্তর এবং জননিরাপত্তা বিভাগসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইউনিটে দায়িত্ব পালন করেছেন। নিষ্ঠা, দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের মাধ্যমে তিনি সহকর্মী ও সংশ্লিষ্ট মহলে প্রশংসা অর্জন করেন।

 

পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আকবর খান দেশ-বিদেশে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ, সেমিনার ও কর্মশালায় অংশ নিয়েছেন। এর মধ্যে ইতালিতে অনুষ্ঠিত মানবপাচার প্রতিরোধ, বৈধ অভিবাসন উৎসাহিতকরণ এবং অনিয়মিত অভিবাসন নিরুৎসাহিতকরণবিষয়ক কর্মশালা এবং মালদ্বীপে অনুষ্ঠিত মানবপাচার ও অভিবাসী পাচারসংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহবিষয়ক আঞ্চলিক কর্মশালা উল্লেখযোগ্য।

 

এ ছাড়া তিনি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে পেশাগত জ্ঞান ও দক্ষতা আরও সমৃদ্ধ করেছেন।