ঢাকা , মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
দুর্নীতি করলে রাষ্ট্রের কোনো প্রতিষ্ঠানই আমার বিরুদ্ধে কিছু করত না: আসিফ মাহমুদ দেবিদ্বারে ১১ হাসপাতাল-ক্লিনিককে ৫ লাখ ৯০ হাজার টাকা জরিমানা কল্যাণমূলক রাষ্ট্র ও সমাজ প্রতিষ্ঠাই জনগণের প্রতি সরকারের অঙ্গীকার: প্রধানমন্ত্রী বিএনপির কার্যালয়ে হামলা-ভাঙচুর, সাবেক আওয়ামী লীগ চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার যুবদল নেতার ফোন না ধরায় রেলকর্মীকে মারধর বিদেশে অর্থ বিনিয়োগের ধূলিকণারও প্রমাণ দিতে পারলে রাজনীতি ছেড়ে দেব: আসিফ মাহমুদ হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন এমকিউ-১ ড্রো’ন ভূ’পা’তি’ত করল ই’রা’ন প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য চলাকালে লোডশেডিং, পিরোজপুর পল্লী বিদ্যুতের জিএম স্ট্যান্ড রিলিজ কার অনুরোধে হরমুজ প্রণালি ইস্যুতে বৈঠক স্থগিত, জানাল ইরান আ.লীগ নেতার গোডাউন থেকে সার জব্দ

গাজা পরিকল্পনা নিয়ে ট্রাম্পের সঙ্গে ‘মতপার্থক্য’ রয়েছে: নেতানিয়াহু

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০১:২৩:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬
  • ৫৮ বার পড়া হয়েছে

গাজাকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত শান্তি পরিকল্পনা নিয়ে মতপার্থক্যের কথা প্রকাশ্যে স্বীকার করেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তিনি জানিয়েছেন, হামাসের সঙ্গে হওয়া সাম্প্রতিক সমঝোতার কিছু বিষয়ে ট্রাম্পের সঙ্গে তার অবস্থান এক নয়।

সম্প্রতি ট্রাম্পের ‘বোর্ড অব পিস’-এর প্রধান দূত নিকোলাই ম্লাদেনভের সঙ্গে বৈঠকের পর নেতানিয়াহু বলেন, “হামাসের সঙ্গে হওয়া চুক্তি নিয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে আমার কিছু মতপার্থক্য রয়েছে। আমি সেটি গোপন করছি না।”

নেতানিয়াহুর মতে, গাজায় পুনর্গঠন কার্যক্রম শুরু করার আগে হামাসকে পুরোপুরি নিরস্ত্র করতে হবে এবং গাজা উপত্যকাকে সামরিকীকরণমুক্ত করতে হবে। এই শর্ত পূরণ না হলে স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয় বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

গত সপ্তাহে ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছিলেন, ‘বোর্ড অব পিস’-এর মধ্যস্থতায় হামাসের সঙ্গে একটি ‘ঐতিহাসিক’ সমঝোতা হয়েছে। ওই পরিকল্পনা অনুযায়ী, হামাস ধাপে ধাপে অস্ত্র সমর্পণ করবে এবং একই সঙ্গে গাজা থেকে পর্যায়ক্রমে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার করা হবে।

তবে এই কাঠামো নিয়ে আপত্তি তোলে ইসরায়েল। পরে ‘বোর্ড অব পিস’ জানায়, ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের আগে হামাসকে সম্পূর্ণভাবে নিরস্ত্র হতে হবে।

ফলে হামাসের নিরস্ত্রীকরণ এবং ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের ক্রম নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের অবস্থানের পার্থক্য স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই মতপার্থক্য ট্রাম্প প্রশাসনের প্রস্তাবিত গাজা শান্তি পরিকল্পনা বাস্তবায়নকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। হামাসের নিরস্ত্রীকরণ, ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার এবং গাজার পুনর্গঠন—এই তিনটি বিষয়ই এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

দুর্নীতি করলে রাষ্ট্রের কোনো প্রতিষ্ঠানই আমার বিরুদ্ধে কিছু করত না: আসিফ মাহমুদ

গাজা পরিকল্পনা নিয়ে ট্রাম্পের সঙ্গে ‘মতপার্থক্য’ রয়েছে: নেতানিয়াহু

আপডেট সময় ০১:২৩:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬

গাজাকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত শান্তি পরিকল্পনা নিয়ে মতপার্থক্যের কথা প্রকাশ্যে স্বীকার করেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তিনি জানিয়েছেন, হামাসের সঙ্গে হওয়া সাম্প্রতিক সমঝোতার কিছু বিষয়ে ট্রাম্পের সঙ্গে তার অবস্থান এক নয়।

সম্প্রতি ট্রাম্পের ‘বোর্ড অব পিস’-এর প্রধান দূত নিকোলাই ম্লাদেনভের সঙ্গে বৈঠকের পর নেতানিয়াহু বলেন, “হামাসের সঙ্গে হওয়া চুক্তি নিয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে আমার কিছু মতপার্থক্য রয়েছে। আমি সেটি গোপন করছি না।”

নেতানিয়াহুর মতে, গাজায় পুনর্গঠন কার্যক্রম শুরু করার আগে হামাসকে পুরোপুরি নিরস্ত্র করতে হবে এবং গাজা উপত্যকাকে সামরিকীকরণমুক্ত করতে হবে। এই শর্ত পূরণ না হলে স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয় বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

গত সপ্তাহে ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছিলেন, ‘বোর্ড অব পিস’-এর মধ্যস্থতায় হামাসের সঙ্গে একটি ‘ঐতিহাসিক’ সমঝোতা হয়েছে। ওই পরিকল্পনা অনুযায়ী, হামাস ধাপে ধাপে অস্ত্র সমর্পণ করবে এবং একই সঙ্গে গাজা থেকে পর্যায়ক্রমে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার করা হবে।

তবে এই কাঠামো নিয়ে আপত্তি তোলে ইসরায়েল। পরে ‘বোর্ড অব পিস’ জানায়, ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের আগে হামাসকে সম্পূর্ণভাবে নিরস্ত্র হতে হবে।

ফলে হামাসের নিরস্ত্রীকরণ এবং ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের ক্রম নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের অবস্থানের পার্থক্য স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই মতপার্থক্য ট্রাম্প প্রশাসনের প্রস্তাবিত গাজা শান্তি পরিকল্পনা বাস্তবায়নকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। হামাসের নিরস্ত্রীকরণ, ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার এবং গাজার পুনর্গঠন—এই তিনটি বিষয়ই এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে।