ঢাকা , মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
দুর্নীতি করলে রাষ্ট্রের কোনো প্রতিষ্ঠানই আমার বিরুদ্ধে কিছু করত না: আসিফ মাহমুদ দেবিদ্বারে ১১ হাসপাতাল-ক্লিনিককে ৫ লাখ ৯০ হাজার টাকা জরিমানা কল্যাণমূলক রাষ্ট্র ও সমাজ প্রতিষ্ঠাই জনগণের প্রতি সরকারের অঙ্গীকার: প্রধানমন্ত্রী বিএনপির কার্যালয়ে হামলা-ভাঙচুর, সাবেক আওয়ামী লীগ চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার যুবদল নেতার ফোন না ধরায় রেলকর্মীকে মারধর বিদেশে অর্থ বিনিয়োগের ধূলিকণারও প্রমাণ দিতে পারলে রাজনীতি ছেড়ে দেব: আসিফ মাহমুদ হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন এমকিউ-১ ড্রো’ন ভূ’পা’তি’ত করল ই’রা’ন প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য চলাকালে লোডশেডিং, পিরোজপুর পল্লী বিদ্যুতের জিএম স্ট্যান্ড রিলিজ কার অনুরোধে হরমুজ প্রণালি ইস্যুতে বৈঠক স্থগিত, জানাল ইরান আ.লীগ নেতার গোডাউন থেকে সার জব্দ

১৭ দিনের যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটিতে বড় আঘাত হেনেছে ইরান: রেজায়ী

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৩:৪৪:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬
  • ৬৫ বার পড়া হয়েছে

সম্প্রতি ১৭ দিনের সংঘাতে মধ্যপ্রাচ্যে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিগুলোতে ইরান বড় ধরনের আঘাত হেনেছে বলে দাবি করেছেন দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির সামরিক উপদেষ্টা ও আইআরজিসির সাবেক প্রধান মেজর জেনারেল মোহসেন রেজায়ী।

সোমবার (৩ আগস্ট) স্থানীয় গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রেজায়ী বলেন, এই সংঘাতকে ‘তৃতীয় যুদ্ধ’ বা ‘মহররমের ১৭ দিনের যুদ্ধ’ হিসেবে দেখা উচিত। তার দাবি, এ সংঘাতে ইরান শুধু ইসরায়েল নয়, যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধেও কার্যকর পাল্টা হামলা চালিয়েছে।

রেজায়ী বলেন, বিশ্বের কাছে যুদ্ধটি অপ্রত্যাশিত মনে হলেও ইরান আগে থেকেই এমন পরিস্থিতির আশঙ্কা করেছিল। তার ভাষ্য, তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সমঝোতা থেকে সরে গিয়ে সামরিক পদক্ষেপ নিতে পারেন—এমন সতর্কবার্তা তিনি আগেই দিয়েছিলেন।

তিনি অভিযোগ করেন, চুক্তি স্বাক্ষরের পর প্রথম কয়েকদিন বাদেই যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতার শর্ত লঙ্ঘন করে। ইরান চুক্তির প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকলেও ওয়াশিংটন সেই অবস্থান বজায় রাখেনি বলে দাবি করেন তিনি।

হরমুজ প্রণালি নিয়েও যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলেন রেজায়ী। তার দাবি, যুক্তরাষ্ট্র সেখানে নতুন নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলার চেষ্টা করেছিল এবং ইরানের সতর্কবার্তা উপেক্ষা করেছিল। এর জবাবে ইরান দুই থেকে তিনটি জাহাজে হামলা চালিয়ে তাদের সমঝোতার আওতায় ফিরে আসার বার্তা দেয়।

এছাড়া রেজায়ীর দাবি, যুক্তরাষ্ট্র হরমুজ প্রণালিতে ইরানের সার্বভৌমত্ব সম্পর্কিত সমঝোতা ভঙ্গ করে দক্ষিণ ইরানে হামলা চালায়। এর পাল্টা জবাবে ইরান ইরাকের কুর্দিস্তান ও কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে সফল হামলা চালায়, যার ফলে যুক্তরাষ্ট্রকে ওই ঘাঁটিগুলো থেকে সেনা সরিয়ে নিতে হয়।

উল্লেখ্য, মোহসেন রেজায়ী ইরান-ইরাক যুদ্ধের সময় দীর্ঘদিন ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তার সাম্প্রতিক এসব বক্তব্যের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

দুর্নীতি করলে রাষ্ট্রের কোনো প্রতিষ্ঠানই আমার বিরুদ্ধে কিছু করত না: আসিফ মাহমুদ

১৭ দিনের যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটিতে বড় আঘাত হেনেছে ইরান: রেজায়ী

আপডেট সময় ০৩:৪৪:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬

সম্প্রতি ১৭ দিনের সংঘাতে মধ্যপ্রাচ্যে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিগুলোতে ইরান বড় ধরনের আঘাত হেনেছে বলে দাবি করেছেন দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির সামরিক উপদেষ্টা ও আইআরজিসির সাবেক প্রধান মেজর জেনারেল মোহসেন রেজায়ী।

সোমবার (৩ আগস্ট) স্থানীয় গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রেজায়ী বলেন, এই সংঘাতকে ‘তৃতীয় যুদ্ধ’ বা ‘মহররমের ১৭ দিনের যুদ্ধ’ হিসেবে দেখা উচিত। তার দাবি, এ সংঘাতে ইরান শুধু ইসরায়েল নয়, যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধেও কার্যকর পাল্টা হামলা চালিয়েছে।

রেজায়ী বলেন, বিশ্বের কাছে যুদ্ধটি অপ্রত্যাশিত মনে হলেও ইরান আগে থেকেই এমন পরিস্থিতির আশঙ্কা করেছিল। তার ভাষ্য, তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সমঝোতা থেকে সরে গিয়ে সামরিক পদক্ষেপ নিতে পারেন—এমন সতর্কবার্তা তিনি আগেই দিয়েছিলেন।

তিনি অভিযোগ করেন, চুক্তি স্বাক্ষরের পর প্রথম কয়েকদিন বাদেই যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতার শর্ত লঙ্ঘন করে। ইরান চুক্তির প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকলেও ওয়াশিংটন সেই অবস্থান বজায় রাখেনি বলে দাবি করেন তিনি।

হরমুজ প্রণালি নিয়েও যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলেন রেজায়ী। তার দাবি, যুক্তরাষ্ট্র সেখানে নতুন নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলার চেষ্টা করেছিল এবং ইরানের সতর্কবার্তা উপেক্ষা করেছিল। এর জবাবে ইরান দুই থেকে তিনটি জাহাজে হামলা চালিয়ে তাদের সমঝোতার আওতায় ফিরে আসার বার্তা দেয়।

এছাড়া রেজায়ীর দাবি, যুক্তরাষ্ট্র হরমুজ প্রণালিতে ইরানের সার্বভৌমত্ব সম্পর্কিত সমঝোতা ভঙ্গ করে দক্ষিণ ইরানে হামলা চালায়। এর পাল্টা জবাবে ইরান ইরাকের কুর্দিস্তান ও কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে সফল হামলা চালায়, যার ফলে যুক্তরাষ্ট্রকে ওই ঘাঁটিগুলো থেকে সেনা সরিয়ে নিতে হয়।

উল্লেখ্য, মোহসেন রেজায়ী ইরান-ইরাক যুদ্ধের সময় দীর্ঘদিন ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তার সাম্প্রতিক এসব বক্তব্যের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।