ঢাকা , শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের অভিযোগে যুবক আটক, এনসিপি-বিএনপি মুখোমুখি ইরানের শাসনব্যবস্থা উৎখাতই ইসরায়েলের প্রধান লক্ষ্য: নেতানিয়াহু নোয়াখালী বিভাগ ঘোষণার দাবিতে শাহবাগ অবরোধ রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে বরণে প্রস্তুত ঠাকুরগাঁও, জেলাজুড়ে উৎসবের আমেজ ভারতের রাফাল ধ্বংসকারী সেই যুদ্ধবিমান কেনার সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের, আছে সুবিধা-অসুবিধা ক্ষমতাসীনদের গালি দেওয়া কি অপরাধ? প্রশ্ন তাসনিম জারার কক্সবাজারে ২ হাজার আইফোনসহ আন্তর্জাতিক জুয়া চক্রের ৬ চীনা নাগরিক আটক দেশের বিচারব্যবস্থা এখনও দুর্বল: নাহিদ ইসলাম সরকারের সমালোচনা বিরোধীদল করবে, কিন্তু সেটা যৌক্তিক হতে হবে: রিজভী ৬ মাসে প্রতিটি ক্ষেত্রে ব্যর্থ সরকার: ইসলামী আন্দোলন

ক্ষমতাসীনদের গালি দেওয়া কি অপরাধ? প্রশ্ন তাসনিম জারার

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৯:০০:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৬ বার পড়া হয়েছে

বাসায় অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল আসছে—এমন অভিযোগ তুলে প্রধানমন্ত্রীসহ সরকারের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের গালিগালাজ করে ফেসবুকে একটি ভিডিও প্রকাশ করেন গাজীপুরের সিফাত আব্দুল্লাহ। ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর তাকে আটক করা হয়। পরে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা মামলায় তাকে গাজীপুরের আদালতে পাঠানো হয়েছে।

 

এ প্রসঙ্গে শুক্রবার বিকালে (৪ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করেছেন এনসিপির সাবেক নেত্রী ডা. তাসনিম জারা। তার পোস্টটি যুগান্তরের পাঠকদের জন্য হুবহু দেওয়া হলো-

 

‘সিফাতের ভাষা ভদ্র ছিল না। এটা নিয়ে তর্ক করার কিছু নাই। কিন্তু প্রশ্নটা ভদ্রতার নয়। কারণ সিফাতকে অভদ্রতার জন্য গ্রেফতার করা হয়নি। মামলা দেওয়া হয়েছে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে। তাহলে গালি দেওয়া কি সন্ত্রাস?

 

দেখলাম যারা এই গ্রেফতারের বিপক্ষে লিখছেন; তাদের কমেন্টবক্সে গালির বন্যা। সঙ্গে বলছেন যে ছেলেটা গালি দিয়েছে, তাই ধরা ঠিক হয়েছে। আয়রনি হলো, তারা নিজেরাই গালি দিয়ে সেটা বলছেন। এবং তাদের কোনো ভয় নাই। কারণ তারা জানেন গালিটা তারা কাকে দিচ্ছেন, আর কাকে দিচ্ছেন না। অর্থাৎ ক্ষমতাসীন কাউকে গালি দিলে সেটা অপরাধ, ক্ষমতায় না থাকা কাউকে দিলে সেটা গ্রহণযোগ্য।

 

আপনারা একটা তালিকা করে দিন। কী কী লিখলে, কী কী আঁকলে, বিলের কাগজ হাতে নিয়ে কী কী বললে রাত সাড়ে আটটায় দরজায় পুলিশ আসবে না। লিখে দিন। আমরা মেনে চলব। আর যদি তালিকা দিতে অস্বস্তি হয়, ‘দ্য ডিক্টেটর’ সিনেমার আলাদিনের আচরণের মতো মনে হয়, তাহলে নিজেদের সংযত করুন।

 

সিফাতকে অবিলম্বে মুক্তি দিন। মামলা প্রত্যাহার করুন। আর সন্ত্রাসবিরোধী আইনের যে ধারাগুলো কথা বলার বিরুদ্ধে ব্যবহার করা যায়, সেগুলো সংশোধন করুন।’

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের অভিযোগে যুবক আটক, এনসিপি-বিএনপি মুখোমুখি

ক্ষমতাসীনদের গালি দেওয়া কি অপরাধ? প্রশ্ন তাসনিম জারার

আপডেট সময় ০৯:০০:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাসায় অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল আসছে—এমন অভিযোগ তুলে প্রধানমন্ত্রীসহ সরকারের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের গালিগালাজ করে ফেসবুকে একটি ভিডিও প্রকাশ করেন গাজীপুরের সিফাত আব্দুল্লাহ। ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর তাকে আটক করা হয়। পরে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা মামলায় তাকে গাজীপুরের আদালতে পাঠানো হয়েছে।

 

এ প্রসঙ্গে শুক্রবার বিকালে (৪ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করেছেন এনসিপির সাবেক নেত্রী ডা. তাসনিম জারা। তার পোস্টটি যুগান্তরের পাঠকদের জন্য হুবহু দেওয়া হলো-

 

‘সিফাতের ভাষা ভদ্র ছিল না। এটা নিয়ে তর্ক করার কিছু নাই। কিন্তু প্রশ্নটা ভদ্রতার নয়। কারণ সিফাতকে অভদ্রতার জন্য গ্রেফতার করা হয়নি। মামলা দেওয়া হয়েছে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে। তাহলে গালি দেওয়া কি সন্ত্রাস?

 

দেখলাম যারা এই গ্রেফতারের বিপক্ষে লিখছেন; তাদের কমেন্টবক্সে গালির বন্যা। সঙ্গে বলছেন যে ছেলেটা গালি দিয়েছে, তাই ধরা ঠিক হয়েছে। আয়রনি হলো, তারা নিজেরাই গালি দিয়ে সেটা বলছেন। এবং তাদের কোনো ভয় নাই। কারণ তারা জানেন গালিটা তারা কাকে দিচ্ছেন, আর কাকে দিচ্ছেন না। অর্থাৎ ক্ষমতাসীন কাউকে গালি দিলে সেটা অপরাধ, ক্ষমতায় না থাকা কাউকে দিলে সেটা গ্রহণযোগ্য।

 

আপনারা একটা তালিকা করে দিন। কী কী লিখলে, কী কী আঁকলে, বিলের কাগজ হাতে নিয়ে কী কী বললে রাত সাড়ে আটটায় দরজায় পুলিশ আসবে না। লিখে দিন। আমরা মেনে চলব। আর যদি তালিকা দিতে অস্বস্তি হয়, ‘দ্য ডিক্টেটর’ সিনেমার আলাদিনের আচরণের মতো মনে হয়, তাহলে নিজেদের সংযত করুন।

 

সিফাতকে অবিলম্বে মুক্তি দিন। মামলা প্রত্যাহার করুন। আর সন্ত্রাসবিরোধী আইনের যে ধারাগুলো কথা বলার বিরুদ্ধে ব্যবহার করা যায়, সেগুলো সংশোধন করুন।’