ঢাকা , শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বাউফলে নির্বাচন ঘিরে একাধিক সহিংসতা; পাল্টাপাল্টি অভিযোগ বিএনপি—জামায়াতের ১১ দলীয় জোটের চূড়ান্ত আসন ঘোষণা ১১ দলীয় জোটে আসন সমঝোতা চূড়ান্ত, সর্বোচ্চ ১৯০ আসন জামায়াতে ইসলামী ভোলায় বালিশ চাপায় স্ত্রীকে হত্যা, পাষণ্ড স্বামী আটক ফ্যামিলি ও কৃষি কার্ড বিতরণ বন্ধের দাবি জামায়াতের, সিইসির সঙ্গে বৈঠকে প্রটোকল সমতার আহ্বান জাতীয় পরিচয়পত্র জালিয়াতি ও তথ্য বিক্রি করে মাসে কোটি টাকার বেশি আয়; নির্বাচন কমিশনের দুই কর্মচারী গ্রেফতার বাউফলে ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ে পেট্রোল ঢেলে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ বাউফলে জামায়াতের নেতা–কর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন শেষ মুহূর্তে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন রাশেদ প্রধান ‘১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য’ নামে নির্বাচনে অংশ নেবে ১১ দল

ভারতে রসগোল্লা কম পড়ায় চেয়ার ছুড়ে এলোপাথাড়ি মারামারি, বিয়ে বাতিল

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:৪৫:৫৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১৪৫ বার পড়া হয়েছে

এবার কিল, চড়, ঘুষি, এলোপাথাড়ি লাথির সঙ্গেই চেয়ার ছুড়ে মারামারি। এই ছবিই দেখা গেল বিয়ে বাড়িতে। সেখানে দেখা দিয়েছিল রসগোল্লার ঘাটতি। আর রসগোল্লা কম পড়তেই বিয়ে বাড়ি পরিণত হল লড়াইয়ের ময়দানে। এই ছবিই দেখা গিয়েছে বিহারের বুদ্ধগয়ার একটি বিয়ে বাড়ির অনুষ্ঠানে। কিন্তু তার পরে যা হয়েছে তার জন্য প্রস্তুত ছিলেন না পাত্র এবং কনে পক্ষ। ওই মারামারির পরেই বাতিল করে দেওয়া হয় বিয়ে। সেই সঙ্গেই কনের পরিবার বরের পক্ষের বিরুদ্ধে যৌতুকের মামলা দায়ের করেছে।

সম্প্রতি বিয়ের বাসর বসেছিল বুদ্ধগয়ার একটি হোটেলে। সেখানেই রসগোল্লার অভাব দেখা দেওয়ার পরেই পাত্র এবং পাত্রীর পরিবারের মধ্যে কার্যত লড়াই বেঁধে যায়। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গিয়েছে, উভয় পক্ষের পরিবারের সদস্যরা এবং অতিথিরা একে অপরকে ঘুষি মারছেন, ধাক্কা দিচ্ছেন এবং কেউ কেউ লাল প্লাস্টিকের চেয়ার তুলে নিয়ে তা মারামারি অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছেন।

জানা গিয়েছে, এই ঘটনা ঘটেছে গত ২৯ নভেম্বর। ওই হোটেলে ছিলেন পাত্রীর পরিবারের সদস্যরা। কাছের একটি গ্রাম থেকে বিয়ে করতে সেখানে আসেন পাত্র এবং তাঁর পরিবারের লোকজন। আর বিয়ের আচার মিটতেই পাত্র পক্ষের লোকজন সেখানে রসগোল্লার ঘাটতি নিয়ে অভিযোগ তোলেন। খাবার জায়গায় আসার পরেই এই অভিযোগ করেন তাঁরা। সেখানেই মারামারি শুরু হতেই খবর পেয়ে আসে পুলিশ। পুলিশের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, ওই মারামারিতে দু’পক্ষের কয়েক জন আহত হন। সেই সঙ্গেই রসগোল্লার অভাব নিয়ে ঝগড়ার ফলে বিয়ে বাতিল হওয়ার পর কনের পরিবার বরের পক্ষের বিরুদ্ধে যৌতুকের মামলা দায়ের করে।

বুধবার, পাত্রের বাবা মহেন্দ্র প্রসাদ স্বীকার করেন যে রসগোল্লার ঘাটতি নিয়েই সেখানে মারামারি হয়েছিল। তবে পাত্রীর পরিবার তাঁদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছে বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর দাবি, তাঁরা বিয়ে অনুষ্ঠান চালিয়ে যেতে আগ্রহী থাকলেও বেঁকে বসেছিল কনের পরিবার। অন্য দিকে, পাত্রীর মায়ের অভিযোগ, মেয়েকে উপহার হিসেবে দেওয়ার জন্য তিনি যে গয়না এনেছিলেন তা নিয়ে চলে গিয়েছে পাত্রের পরিবার। পাত্রীর কাকা সুশীল কুমার জানিয়েছেন, এত কিছুর পরেও তাঁরা পাত্রের পরিবারের সঙ্গে সমঝোতা করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তাতে কোনও ফল হয়নি।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বাউফলে নির্বাচন ঘিরে একাধিক সহিংসতা; পাল্টাপাল্টি অভিযোগ বিএনপি—জামায়াতের

ভারতে রসগোল্লা কম পড়ায় চেয়ার ছুড়ে এলোপাথাড়ি মারামারি, বিয়ে বাতিল

আপডেট সময় ১১:৪৫:৫৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২৫

এবার কিল, চড়, ঘুষি, এলোপাথাড়ি লাথির সঙ্গেই চেয়ার ছুড়ে মারামারি। এই ছবিই দেখা গেল বিয়ে বাড়িতে। সেখানে দেখা দিয়েছিল রসগোল্লার ঘাটতি। আর রসগোল্লা কম পড়তেই বিয়ে বাড়ি পরিণত হল লড়াইয়ের ময়দানে। এই ছবিই দেখা গিয়েছে বিহারের বুদ্ধগয়ার একটি বিয়ে বাড়ির অনুষ্ঠানে। কিন্তু তার পরে যা হয়েছে তার জন্য প্রস্তুত ছিলেন না পাত্র এবং কনে পক্ষ। ওই মারামারির পরেই বাতিল করে দেওয়া হয় বিয়ে। সেই সঙ্গেই কনের পরিবার বরের পক্ষের বিরুদ্ধে যৌতুকের মামলা দায়ের করেছে।

সম্প্রতি বিয়ের বাসর বসেছিল বুদ্ধগয়ার একটি হোটেলে। সেখানেই রসগোল্লার অভাব দেখা দেওয়ার পরেই পাত্র এবং পাত্রীর পরিবারের মধ্যে কার্যত লড়াই বেঁধে যায়। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গিয়েছে, উভয় পক্ষের পরিবারের সদস্যরা এবং অতিথিরা একে অপরকে ঘুষি মারছেন, ধাক্কা দিচ্ছেন এবং কেউ কেউ লাল প্লাস্টিকের চেয়ার তুলে নিয়ে তা মারামারি অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছেন।

জানা গিয়েছে, এই ঘটনা ঘটেছে গত ২৯ নভেম্বর। ওই হোটেলে ছিলেন পাত্রীর পরিবারের সদস্যরা। কাছের একটি গ্রাম থেকে বিয়ে করতে সেখানে আসেন পাত্র এবং তাঁর পরিবারের লোকজন। আর বিয়ের আচার মিটতেই পাত্র পক্ষের লোকজন সেখানে রসগোল্লার ঘাটতি নিয়ে অভিযোগ তোলেন। খাবার জায়গায় আসার পরেই এই অভিযোগ করেন তাঁরা। সেখানেই মারামারি শুরু হতেই খবর পেয়ে আসে পুলিশ। পুলিশের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, ওই মারামারিতে দু’পক্ষের কয়েক জন আহত হন। সেই সঙ্গেই রসগোল্লার অভাব নিয়ে ঝগড়ার ফলে বিয়ে বাতিল হওয়ার পর কনের পরিবার বরের পক্ষের বিরুদ্ধে যৌতুকের মামলা দায়ের করে।

বুধবার, পাত্রের বাবা মহেন্দ্র প্রসাদ স্বীকার করেন যে রসগোল্লার ঘাটতি নিয়েই সেখানে মারামারি হয়েছিল। তবে পাত্রীর পরিবার তাঁদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছে বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর দাবি, তাঁরা বিয়ে অনুষ্ঠান চালিয়ে যেতে আগ্রহী থাকলেও বেঁকে বসেছিল কনের পরিবার। অন্য দিকে, পাত্রীর মায়ের অভিযোগ, মেয়েকে উপহার হিসেবে দেওয়ার জন্য তিনি যে গয়না এনেছিলেন তা নিয়ে চলে গিয়েছে পাত্রের পরিবার। পাত্রীর কাকা সুশীল কুমার জানিয়েছেন, এত কিছুর পরেও তাঁরা পাত্রের পরিবারের সঙ্গে সমঝোতা করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তাতে কোনও ফল হয়নি।