জাতীয় সংসদ ভবনের পাশে বিশাল সবুজ চত্বরে ৪৪ বছর ধরে চিরনিদ্রায় শায়িত বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। এবার সেখানেই তার সঙ্গী হলেন সহধর্মিণী তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপাসন খালেদা জিয়া। অথচ ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা প্রতিহিংসার জেরে ইতিহাসের সাক্ষী এ সমাধি সৌধ সরাতে একাধিকবার চেষ্টা করেছিলেন। কবরে জিয়াউর রহমানের লাশ নেই দাবি করে বিতর্কও সৃষ্টি করেছিলেন।
জিয়াউর রহমানের সমাধি সরানোর নীলনকশা হিসেবে ‘ঢাকার শেরে বাংলানগরে জাতীয় সচিবালয় নির্মাণ’ প্রকল্প নিয়েছিলেন শেখ হাসিনা। ২০১৫ সালে প্রকল্পটি একনেক সভায় উপস্থাপনও করা হয়েছিল। প্রস্তাবিত প্রকল্পের মোট ব্যয় ধরা হয়েছিল দুই হাজার ২০৯ কোটি টাকা।
এদিকে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা ভারতে পালিয়ে যাওয়ায় রক্ষা পেয়েছে জিয়াউর রহমানের সমাধি। প্রকল্পেরও আর কোনো হদিস নেই পরিকল্পনা কমিশনে। প্রকল্প গায়েব হয়ে গেছে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় থেকে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে পরিকল্পনা কমিশনের ভৌত অবকাঠামো বিভাগের প্রধান (অতিরিক্ত সচিব) কবির আহামদ বলেন, ‘ঢাকার শেরেবাংলা নগরে জাতীয় সচিবালয় নির্মাণ’ প্রকল্প আমার চোখে পড়েনি। এটা কোথায় আছে বা কী আছে আমার কিছুই জানা নেই। এটা সম্পর্কে আমি কিছু জানিও না। এদিকে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন অধিশাখা-৩) খলিল আহমেদ বলেন, ‘প্রকল্পের এখন কোনো খবরও নেই, নড়াচড়াও নেই।’

ডেস্ক রিপোর্ট 



















