ঢাকা , শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ২৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
শেষ আবদার পূরণ হলো না: পিআইসিইউতে বাবার সামনে পানির জন্য কাঁদতে কাঁদতেই নিভে গেল আকিরা বাউফলে তিনটি বসতঘর পুড়ে ছাই, প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি ইরানের হরমুজ নিয়ন্ত্রণ: ক্রিপ্টোতে টোল আদায়, ব্যারেল প্রতি গুনতে হবে ১ ডলার মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রীর সাক্ষাৎ, ফের খুলছে শ্রমবাজার আবু সাঈদের মরদেহে গুলির অস্তিত্ব প্রমাণ হয়নি: আসামিপক্ষের আইনজীবী হেলিকপ্টারে গিয়ে নয়, নিজ কক্ষে বসেই দেখব কোন স্কুলে কী হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী ভোট বর্জন করলেন শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক মজবুত করতে রাশিয়ান দূতাবাসে মাওলানা মামুনুল হক এই সরকারের অধীনে প্রথম নির্বাচনেই কারচুপি-অনিয়ম ঘটছে: পরওয়ার ‘জঙ্গি এমপি’ অপবাদে খেলাফত মজলিসের সংসদ সদস্যের বিশেষ অধিকারের নোটিশ

পালটা হামলা ছাড়া কোনো উপায় ছিল না: ইরানের প্রেসিডেন্ট

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:৫৯:৪৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬
  • ৪৬ বার পড়া হয়েছে

এবার ইরান কূটনীতির মাধ্যমে সংঘাত এড়ানোর চেষ্টা করেছিল, কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার পর পালটা আঘাত ছাড়া কোন পথ খোলা ছিল না বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। এদিকে হোয়াইট হাউস বলছে, হামলার আগে ইরানকে বেশকিছু প্রস্তাব দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। কিন্ত তেহরান প্রত্যাখ্যান করায় অভিযান চালানো হয় দেশটিতে। অন্যদিকে চলমান সংঘাতে ইরানের বিরুদ্ধে হামলা অংশ নেবে না বলে সাফ জানিয়েছে জার্মানি।

পরমাণু ইস্যুতে পরোক্ষ আলোচনার মধ্যে গত শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ইরানে যৌথ বিমান হামলা শুরু যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল। জবাবে মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে পাল্টা আঘাতের পথ বেছে নেয় তেহরান। বুধবার (৪ মার্চ) ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান জানিয়েছেন, তেহরান কূটনীতির মাধ্যমে সংঘাত এড়াতে চেয়েছিল। কিন্তু ওয়াশিংটন ও তেল আবিবের হামলার পর তাদের সামনে আর কোনো পথ খোলা ছিল না।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে শুরু হওয়া অপারেশনএপিক ফিউরিনিয়ে বিশ্বজুড়ে তোলপাড় চলছে। বুধবার (৪ মার্চ) হোয়াইট হাউসের প্রেস ব্রিফিংয়েও উঠে আসে ইরানের হামলা ও মধ্যপ্রাচ্য ইস্যু। প্রেস সচিব ক্যারোলিন লেভিট দাবি করেন, ইরান হামলা করতে পারে ট্রাম্পের এমনঅনুভূতিরভিত্তিতেই আগাম হামলা চালানো হয়েছে। লেভিট আরও দাবি করেন, ইরানের ওপর হামলা চালানোর আগে ট্রাম্প প্রশাসন তেহরানকে কয়েকটি প্রস্তাব দিয়েছিল। এর মধ্যে ছিল ইরানের ওপর থেকে সব কঠোর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, শান্তিপূর্ণ ব্যবহারের জন্য পারমাণবিক জ্বালানি সরবরাহ এবং মার্কিন বিনিয়োগে একটি যৌথ বেসামরিক পারমাণবিক কর্মসূচি চালু করা।

তবে বিনিময়ে ইরানকে তাদের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ অবকাঠামো স্থায়ীভাবে ধ্বংস করার শর্ত দেয়া হয়। লেভিটের দাবি, ইরান এইশান্তির প্রস্তাবপ্রত্যাখ্যান করার কারণেই দেশটির ওপর অভিযান চালায় যুক্তরাষ্ট্র। লেভিট আরও জানান, ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই খামেনির অবস্থান শনাক্ত করে হামলার সময় নির্ধারণ করা হয়। সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যুর পর ইরানের নেতৃত্বের শূন্যতা ও উত্তরাধিকারী নিয়ে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো কড়া নজর রাখছে বলেও জানান তিনি।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

শেষ আবদার পূরণ হলো না: পিআইসিইউতে বাবার সামনে পানির জন্য কাঁদতে কাঁদতেই নিভে গেল আকিরা

পালটা হামলা ছাড়া কোনো উপায় ছিল না: ইরানের প্রেসিডেন্ট

আপডেট সময় ১১:৫৯:৪৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬

এবার ইরান কূটনীতির মাধ্যমে সংঘাত এড়ানোর চেষ্টা করেছিল, কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার পর পালটা আঘাত ছাড়া কোন পথ খোলা ছিল না বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। এদিকে হোয়াইট হাউস বলছে, হামলার আগে ইরানকে বেশকিছু প্রস্তাব দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। কিন্ত তেহরান প্রত্যাখ্যান করায় অভিযান চালানো হয় দেশটিতে। অন্যদিকে চলমান সংঘাতে ইরানের বিরুদ্ধে হামলা অংশ নেবে না বলে সাফ জানিয়েছে জার্মানি।

পরমাণু ইস্যুতে পরোক্ষ আলোচনার মধ্যে গত শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ইরানে যৌথ বিমান হামলা শুরু যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল। জবাবে মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে পাল্টা আঘাতের পথ বেছে নেয় তেহরান। বুধবার (৪ মার্চ) ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান জানিয়েছেন, তেহরান কূটনীতির মাধ্যমে সংঘাত এড়াতে চেয়েছিল। কিন্তু ওয়াশিংটন ও তেল আবিবের হামলার পর তাদের সামনে আর কোনো পথ খোলা ছিল না।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে শুরু হওয়া অপারেশনএপিক ফিউরিনিয়ে বিশ্বজুড়ে তোলপাড় চলছে। বুধবার (৪ মার্চ) হোয়াইট হাউসের প্রেস ব্রিফিংয়েও উঠে আসে ইরানের হামলা ও মধ্যপ্রাচ্য ইস্যু। প্রেস সচিব ক্যারোলিন লেভিট দাবি করেন, ইরান হামলা করতে পারে ট্রাম্পের এমনঅনুভূতিরভিত্তিতেই আগাম হামলা চালানো হয়েছে। লেভিট আরও দাবি করেন, ইরানের ওপর হামলা চালানোর আগে ট্রাম্প প্রশাসন তেহরানকে কয়েকটি প্রস্তাব দিয়েছিল। এর মধ্যে ছিল ইরানের ওপর থেকে সব কঠোর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, শান্তিপূর্ণ ব্যবহারের জন্য পারমাণবিক জ্বালানি সরবরাহ এবং মার্কিন বিনিয়োগে একটি যৌথ বেসামরিক পারমাণবিক কর্মসূচি চালু করা।

তবে বিনিময়ে ইরানকে তাদের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ অবকাঠামো স্থায়ীভাবে ধ্বংস করার শর্ত দেয়া হয়। লেভিটের দাবি, ইরান এইশান্তির প্রস্তাবপ্রত্যাখ্যান করার কারণেই দেশটির ওপর অভিযান চালায় যুক্তরাষ্ট্র। লেভিট আরও জানান, ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই খামেনির অবস্থান শনাক্ত করে হামলার সময় নির্ধারণ করা হয়। সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যুর পর ইরানের নেতৃত্বের শূন্যতা ও উত্তরাধিকারী নিয়ে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো কড়া নজর রাখছে বলেও জানান তিনি।