ঢাকা , বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
অহেতুক ইস্যু তৈরি করে দেশে অস্থিরতা সৃষ্টির অপচেষ্টা চলছে – তারেক রহমান জুলাইয়ের পরে বেঁচে থাকাটাই আমাদের অপরাধ: মাহিন বাংলাদেশ আর কখনই তাবেদার রাষ্ট্র হবে না: পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশ একবারই স্বাধীন হয়েছে, জুলাই সেই স্বাধীনতা রক্ষার লড়াই: ইশরাক দেশে আসেন, দেখা হবে রাজপথে: হাসিনাকে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি ভারত সম্ভবত আর শেখ হাসিনাকে রাখতে চায় না: আসিফ মাহমুদ ‘শেখ হাসিনা ফিরতে পারেন, তবে…’ ট্রাম্প ৭৫ বার ‘হরমুজ খোলা’, ১০৬ বার ‘ইরানের পরাজয়ের’ মিথ্যা দাবি করেছেন ৪০০ কোটি টাকা আত্মসাৎ এর অভিযোগে গ্রেপ্তার জামায়াতের সাবেক আমির তারেক রহমান ক্ষমতায় থাকবেন না, পতন শুরু হয়ে গেছে: পাটওয়ারী

দেশে আসেন, দেখা হবে রাজপথে: হাসিনাকে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৫:২৫:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬
  • ৯ বার পড়া হয়েছে

শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরে রাজপথে মোকাবিলার আহ্বান জানিয়েছেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম। তিনি বলেন, “আমরা অপেক্ষা করে আছি, দেশে আসেন। ইনশাআল্লাহ রাজপথেই দেখা হবে।”

বুধবার (৫ আগস্ট) ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬’ উপলক্ষে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে চীন-মৈত্রী আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে জুলাই শহীদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা এবং আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের পরিবারকে সহায়তা করা এবং আহতদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করা বর্তমান সরকারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও পবিত্র দায়িত্ব। যারা জীবন দিয়েছেন বা আহত হয়ে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ কিংবা দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছেন, তাদের পাশে দাঁড়ানো রাষ্ট্রের নৈতিক দায়িত্ব বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত জুলাই যোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের উদ্দেশে হাফিজ উদ্দিন বলেন, “আমরা আপনাদের নির্বাচিত সরকার। আমাদের কোনো ভুল হলে শুধরে দেবেন। আমরা কখনোই আওয়ামী লীগের মতো হতে চাই না।”

আওয়ামী লীগের সমালোচনা করে তিনি বলেন, দলটির নেতৃত্ব অতীতের হত্যাকাণ্ড, গুম, নির্যাতন, অর্থপাচারসহ নানা অভিযোগ নিয়ে কোনো অনুশোচনা প্রকাশ করেনি। বরং শেখ হাসিনার দেশে ফেরার সম্ভাবনা নিয়ে দেওয়া বক্তব্যেরও সমালোচনা করেন তিনি।

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণ করে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি বলেন, ২৭ বছর বয়সে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়ে আহত হয়েছিলেন তিনি। এখন ৮২ বছর বয়সেও দেশের গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে পাশে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের জনগণের শাসনব্যবস্থা ও গণতন্ত্রকে স্থায়ী ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠা করাই বর্তমান প্রজন্মের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

অহেতুক ইস্যু তৈরি করে দেশে অস্থিরতা সৃষ্টির অপচেষ্টা চলছে – তারেক রহমান

দেশে আসেন, দেখা হবে রাজপথে: হাসিনাকে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি

আপডেট সময় ০৫:২৫:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬

শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরে রাজপথে মোকাবিলার আহ্বান জানিয়েছেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম। তিনি বলেন, “আমরা অপেক্ষা করে আছি, দেশে আসেন। ইনশাআল্লাহ রাজপথেই দেখা হবে।”

বুধবার (৫ আগস্ট) ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬’ উপলক্ষে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে চীন-মৈত্রী আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে জুলাই শহীদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা এবং আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের পরিবারকে সহায়তা করা এবং আহতদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করা বর্তমান সরকারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও পবিত্র দায়িত্ব। যারা জীবন দিয়েছেন বা আহত হয়ে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ কিংবা দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছেন, তাদের পাশে দাঁড়ানো রাষ্ট্রের নৈতিক দায়িত্ব বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত জুলাই যোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের উদ্দেশে হাফিজ উদ্দিন বলেন, “আমরা আপনাদের নির্বাচিত সরকার। আমাদের কোনো ভুল হলে শুধরে দেবেন। আমরা কখনোই আওয়ামী লীগের মতো হতে চাই না।”

আওয়ামী লীগের সমালোচনা করে তিনি বলেন, দলটির নেতৃত্ব অতীতের হত্যাকাণ্ড, গুম, নির্যাতন, অর্থপাচারসহ নানা অভিযোগ নিয়ে কোনো অনুশোচনা প্রকাশ করেনি। বরং শেখ হাসিনার দেশে ফেরার সম্ভাবনা নিয়ে দেওয়া বক্তব্যেরও সমালোচনা করেন তিনি।

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণ করে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি বলেন, ২৭ বছর বয়সে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়ে আহত হয়েছিলেন তিনি। এখন ৮২ বছর বয়সেও দেশের গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে পাশে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের জনগণের শাসনব্যবস্থা ও গণতন্ত্রকে স্থায়ী ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠা করাই বর্তমান প্রজন্মের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব।