ঢাকা , বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
দিল্লিতে শেখ হাসিনার বক্তব্য দেওয়া নিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ক্ষোভ ইমরান খানের মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ জুলাই সনদ নিয়ে প্রতারণা করলে পরিণতি ভালো হবে না: ফয়জুল করিম একটি আদর্শিক গ্রুপের বিরোধিতা করলেই আপনাকে নাই করে দিবে: মাহফুজ বৈষম্যহীন বাংলাদেশ বিনির্মাণের আহ্বান ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের হাসিনাকে ফেরানোর অভিযোগে কুবির ১১ শিক্ষকের সম্পৃক্ততা, তদন্তে ৪ সদস্যের কমিটি রাষ্ট্রপতির উপস্থিতিতে আজ যা ঘটেছে, আমরা বিব্রত: নাহিদ ইসলাম দফায় দফায় সংঘর্ষের পর বেরোবিতে একই মঞ্চে ছাত্রদল-শিবির আমরা যেন জুলাইকে হারিয়ে না ফেলি: ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি ফেসবুক থেকে নরেন্দ্র মোদির ভিডিও সরানোর ঘটনায় এবার ক্ষমা চাইলেন জাকারবার্গ

হাসিনাকে ফেরানোর অভিযোগে কুবির ১১ শিক্ষকের সম্পৃক্ততা, তদন্তে ৪ সদস্যের কমিটি

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:০৩:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬
  • ৭ বার পড়া হয়েছে

সম্প্রতি বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরানোর পরিবেশ তৈরির লক্ষ্যে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পক্ষে দেশের ২২টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০৪ শিক্ষক গোপনে তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন। ‘বাংলাদেশ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ’ নামে টেলিগ্রামে খোলা একটি সিক্রেট গ্রুপের মাধ্যমে এসব কার্যক্রম সমন্বয় করা হচ্ছে বলে দাবি করা হয়। ওই প্রতিবেদনে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১ জন শিক্ষকের নামও রয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতেই অভিযোগের সত্যতা যাচাই ও সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের সম্পৃক্ততা নিরূপণে চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

 

 

বুধবার (৫ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো. মজিবুর রহমান মজুমদার স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।

 

 

আদেশে বলা হয়, গত ৪ ও ৫ আগস্ট বিভিন্ন জাতীয় সংবাদপত্রে প্রকাশিত ওই সংবাদের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজের তৎপরতা এবং নাম প্রকাশিত কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১ জন (বর্তমান ও সাবেক) শিক্ষকের সম্পৃক্ততা বিষয়ে তথ্য-উপাত্ত যাচাই, শিক্ষকদের পরিচয় ও কার্যক্রম নিরূপণের লক্ষ্যে উপাচার্যের অনুমোদনক্রমে এই তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

 

৪ সদস্যের কমিটিতে আহ্বায়ক হিসেবে রয়েছেন গণিত বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আবদুল হাকিম। সদস্য হিসেবে রয়েছেন সিএসই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোঃ ফয়সল বিন আবদুল আজিজ এবং আইসিটি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক পিন্টু চন্দ্র পাল। সদস্য-সচিব হিসেবে রয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী রেজিস্ট্রার মো. মনিরুজ্জামান।

 

প্রকাশিত সংবাদে দাবি করা হয়, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১ জন শিক্ষকের নাম ওই তালিকায় রয়েছে। তারা হলেন, (যেভাবে উল্লেখ ছিলো) ড. কাজী ওমর সিদ্দিকী, বাদশা মিয়া, মো. ইকরাবুল হক, ড. আবদুল্লাহ আল মাসুম, আলম (সাংকেতিক নাম), অধ্যাপক ড. এম. এ. এ. মামুন, আইয়ুব আনসারী পিনু, সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. রাসেল, রাসূল আমিন, জি. এম. সাদিক হাসান এবং ড. হেলাল উদ্দিন।

 

তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক ও গণিত বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আবদুল হাকিম বলেন, “আজই আমরা অফিস আদেশটি পেয়েছি। প্রকাশিত সংবাদে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১ জন শিক্ষকের নাম এসেছে। প্রাথমিকভাবে দেখেছি, সেখানে কয়েকটি নামের গরমিল রয়েছে। এসব তথ্যের সত্যতা ও সংশ্লিষ্টতা যাচাই করাই আমাদের মূল কাজ। খুব শিগগিরই কমিটির সভা করে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করব এবং নিরপেক্ষ অনুসন্ধানের ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে প্রতিবেদন জমা দেব।”

 

তদন্তে অভিযোগের সত্যতা মিললে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেওয়া আমাদের দায়িত্ব নয়। আমরা কেবল তদন্ত করে তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে প্রতিবেদন দাখিল করব। পরবর্তী সিদ্ধান্ত বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নেবে।”

 

উল্লেখ্য, আগামী ১৫ দিনের মধ্যে তদন্তপূর্বক প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

দিল্লিতে শেখ হাসিনার বক্তব্য দেওয়া নিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ক্ষোভ

হাসিনাকে ফেরানোর অভিযোগে কুবির ১১ শিক্ষকের সম্পৃক্ততা, তদন্তে ৪ সদস্যের কমিটি

আপডেট সময় ১১:০৩:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬

সম্প্রতি বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরানোর পরিবেশ তৈরির লক্ষ্যে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পক্ষে দেশের ২২টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০৪ শিক্ষক গোপনে তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন। ‘বাংলাদেশ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ’ নামে টেলিগ্রামে খোলা একটি সিক্রেট গ্রুপের মাধ্যমে এসব কার্যক্রম সমন্বয় করা হচ্ছে বলে দাবি করা হয়। ওই প্রতিবেদনে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১ জন শিক্ষকের নামও রয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতেই অভিযোগের সত্যতা যাচাই ও সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের সম্পৃক্ততা নিরূপণে চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

 

 

বুধবার (৫ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো. মজিবুর রহমান মজুমদার স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।

 

 

আদেশে বলা হয়, গত ৪ ও ৫ আগস্ট বিভিন্ন জাতীয় সংবাদপত্রে প্রকাশিত ওই সংবাদের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজের তৎপরতা এবং নাম প্রকাশিত কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১ জন (বর্তমান ও সাবেক) শিক্ষকের সম্পৃক্ততা বিষয়ে তথ্য-উপাত্ত যাচাই, শিক্ষকদের পরিচয় ও কার্যক্রম নিরূপণের লক্ষ্যে উপাচার্যের অনুমোদনক্রমে এই তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

 

৪ সদস্যের কমিটিতে আহ্বায়ক হিসেবে রয়েছেন গণিত বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আবদুল হাকিম। সদস্য হিসেবে রয়েছেন সিএসই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোঃ ফয়সল বিন আবদুল আজিজ এবং আইসিটি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক পিন্টু চন্দ্র পাল। সদস্য-সচিব হিসেবে রয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী রেজিস্ট্রার মো. মনিরুজ্জামান।

 

প্রকাশিত সংবাদে দাবি করা হয়, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১ জন শিক্ষকের নাম ওই তালিকায় রয়েছে। তারা হলেন, (যেভাবে উল্লেখ ছিলো) ড. কাজী ওমর সিদ্দিকী, বাদশা মিয়া, মো. ইকরাবুল হক, ড. আবদুল্লাহ আল মাসুম, আলম (সাংকেতিক নাম), অধ্যাপক ড. এম. এ. এ. মামুন, আইয়ুব আনসারী পিনু, সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. রাসেল, রাসূল আমিন, জি. এম. সাদিক হাসান এবং ড. হেলাল উদ্দিন।

 

তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক ও গণিত বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আবদুল হাকিম বলেন, “আজই আমরা অফিস আদেশটি পেয়েছি। প্রকাশিত সংবাদে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১ জন শিক্ষকের নাম এসেছে। প্রাথমিকভাবে দেখেছি, সেখানে কয়েকটি নামের গরমিল রয়েছে। এসব তথ্যের সত্যতা ও সংশ্লিষ্টতা যাচাই করাই আমাদের মূল কাজ। খুব শিগগিরই কমিটির সভা করে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করব এবং নিরপেক্ষ অনুসন্ধানের ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে প্রতিবেদন জমা দেব।”

 

তদন্তে অভিযোগের সত্যতা মিললে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেওয়া আমাদের দায়িত্ব নয়। আমরা কেবল তদন্ত করে তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে প্রতিবেদন দাখিল করব। পরবর্তী সিদ্ধান্ত বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নেবে।”

 

উল্লেখ্য, আগামী ১৫ দিনের মধ্যে তদন্তপূর্বক প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।