ঢাকা , শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাথায় কাফনের কাপড় বেঁধে চট্টগ্রামে যুবলীগের বিক্ষোভ, ভিডিও ছড়িয়ে পড়তেই শনাক্তে পুলিশের অভিযান বলের মধ্যেই নজরদারি, ধরা পড়বে অফসাইড – ২০২৬ বিশ্বকাপে যে মহিষের চুল আঁচড়াতেও ছিল ট্রাম্প স্টাইল, এখন তাকে দেখে চিনতেই কষ্ট! এবার কন্যা সন্তানের বাবা-মা হলেন শাকিব-বুবলী জাতীয় স্বাস্থ্য ব্যবস্থা পুনর্গঠনে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: তিতুমীর বিশ্বকাপে নতুন বিধিনিষেধ, তালিকায় ভুভুজেলাও যাত্রীদের নামিয়ে দেওয়ার নিয়ম অনুসরণ করায় হতাহত নেই: নৌ মন্ত্রণালয় ঝড়ে পড়ে যাওয়ার পর ‌‌‘উঠে দাঁড়ানো’ সেই গাছ কেটে ফেললো প্রশাসন মানচিত্র থেকে মু’ছে যেতে পারে বাংলাদেশ! নতুন গবেষণায় স’ত’র্ক’বা’র্তা

ফ্যামিলি-কৃষক কার্ড ও খাল খনন মানুষের মধ্যে আশা জাগিয়েছে : মির্জা ফখরুল

  • অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:৩২:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬
  • ১০২ বার পড়া হয়েছে

ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড ও খাল খনন কর্মসূচি মানুষের মধ্যে আশার সঞ্চার করেছে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বুধবার সকালে রাজধানীর বনানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে ‘দ্য কম্পাস ডায়ালগ’ শীর্ষক সংলাপ শেষে তিনি এ মন্তব্য করেন। এর আয়োজন করে ইনস্টিটিউট অব স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড ট্যাকটিকস রিসার্চ (আইএসটিআর)।

স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার নির্বাচনি ইশতেহারে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, সেগুলো বাস্তবায়ন করার জন্য তিনি একটার পর একটা কাজ করে যাচ্ছেন। ইতোমধ্যে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড ও খাল খনন কর্মসূচি– এই বিষয়গুলো জনগণের মধ্যে একটা আশার সঞ্চার করেছে।

তিনি বলেন, আমাদের বিনিয়োগের যে সমস্যা এখানে রয়েছে, বিশেষ করে বিনিয়োগের ব্যাপারে সবচেয়ে বড় যে বাধাটা হয়ে দাঁড়িয়েছে, সেটা হলো সরকারের এজেন্সিগুলো খুব ধীর গতিতে চলে। বিনিয়োগকারীরা যে গতিতে সমাধান চান, তা না হওয়ায় সেখানে নেতিবাচক অবস্থা তৈরি হয়। ফলে তারা হতাশ হয়ে যান। এটা অন্যতম প্রধান একটা সমস্যা। আমরা চেষ্টা করছি এ বিষয়গুলোকে ঠিক করার।

তিনি আরও বলেন, আমাদের আমলাতন্ত্রকে ঠিক করার মাধ্যমে বিনিয়োগের পরিবেশ তৈরি করা হবে। কেননা এখানে ব্যবসা করার পরিবেশ কিন্তু খুব একটা ভালো না। আমরা এটাকে ভালো করার চেষ্টা করছি, প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে অত্যন্ত আগ্রহী। তিনি প্রতিদিনই এ বিষয় নিয়ে আলোচনা করছেন, কথা বলছেন। প্রত্যেকটা মন্ত্রণালয়কে তিনি অতি দ্রুত এই সমাধান করতে বলেছেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, আমাদের সবচেয়ে বড় সমস্যা রয়েছে জ্বালানি খাতে। এক্ষেত্রে আমরা রিনিউয়েবল এনার্জির দিকে যাওয়ার চেষ্টা করছি। সোলার এনার্জির দিকে আমরা যাওয়ার চেষ্টা করছি। গ্যাস ও তেল উত্তোলন করার কাজগুলো আমরা ইতোমধ্যে শুরু করেছি। তিন মাসের মধ্যে আমরা টেন্ডারে যাব বলে আশা করছি।

মন্ত্রী বলেন, আমরা সবাই জানি যে, আমাদের দেশের জনসংখ্যা বিশাল। এক্ষেত্রে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে অর্থনৈতিক উন্নয়নের দিকে। আমাদের রাজনৈতিক যে সমস্যাগুলো এখানে তৈরি হয়েছিল অতীতে, সেই সমস্যা চলে গেছে তা বলব না। তবে আগের চাইতে অনেকটা ইতিবাচক। তবে আমরা বিশ্বাস করি যে, দেশে একটা স্থিতিশীলতা আনা গেলে অবশ্যই আমরা অর্থনৈতিক উন্নয়ন করার জন্য বিনিয়োগ বাড়ানোর মাধ্যমে মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে সক্ষম হবো।

এ সময় প্রতিবেশী ও বন্ধু দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের ওপর তাগিদ দিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, রোহিঙ্গা ইস্যু এটা আমাদের জন্য একটা বড় সমস্যা। আমরা এ সমস্যার সমাধান করতে চাই।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ফ্যামিলি-কৃষক কার্ড ও খাল খনন মানুষের মধ্যে আশা জাগিয়েছে : মির্জা ফখরুল

আপডেট সময় ০৪:৩২:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬

ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড ও খাল খনন কর্মসূচি মানুষের মধ্যে আশার সঞ্চার করেছে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বুধবার সকালে রাজধানীর বনানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে ‘দ্য কম্পাস ডায়ালগ’ শীর্ষক সংলাপ শেষে তিনি এ মন্তব্য করেন। এর আয়োজন করে ইনস্টিটিউট অব স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড ট্যাকটিকস রিসার্চ (আইএসটিআর)।

স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার নির্বাচনি ইশতেহারে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, সেগুলো বাস্তবায়ন করার জন্য তিনি একটার পর একটা কাজ করে যাচ্ছেন। ইতোমধ্যে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড ও খাল খনন কর্মসূচি– এই বিষয়গুলো জনগণের মধ্যে একটা আশার সঞ্চার করেছে।

তিনি বলেন, আমাদের বিনিয়োগের যে সমস্যা এখানে রয়েছে, বিশেষ করে বিনিয়োগের ব্যাপারে সবচেয়ে বড় যে বাধাটা হয়ে দাঁড়িয়েছে, সেটা হলো সরকারের এজেন্সিগুলো খুব ধীর গতিতে চলে। বিনিয়োগকারীরা যে গতিতে সমাধান চান, তা না হওয়ায় সেখানে নেতিবাচক অবস্থা তৈরি হয়। ফলে তারা হতাশ হয়ে যান। এটা অন্যতম প্রধান একটা সমস্যা। আমরা চেষ্টা করছি এ বিষয়গুলোকে ঠিক করার।

তিনি আরও বলেন, আমাদের আমলাতন্ত্রকে ঠিক করার মাধ্যমে বিনিয়োগের পরিবেশ তৈরি করা হবে। কেননা এখানে ব্যবসা করার পরিবেশ কিন্তু খুব একটা ভালো না। আমরা এটাকে ভালো করার চেষ্টা করছি, প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে অত্যন্ত আগ্রহী। তিনি প্রতিদিনই এ বিষয় নিয়ে আলোচনা করছেন, কথা বলছেন। প্রত্যেকটা মন্ত্রণালয়কে তিনি অতি দ্রুত এই সমাধান করতে বলেছেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, আমাদের সবচেয়ে বড় সমস্যা রয়েছে জ্বালানি খাতে। এক্ষেত্রে আমরা রিনিউয়েবল এনার্জির দিকে যাওয়ার চেষ্টা করছি। সোলার এনার্জির দিকে আমরা যাওয়ার চেষ্টা করছি। গ্যাস ও তেল উত্তোলন করার কাজগুলো আমরা ইতোমধ্যে শুরু করেছি। তিন মাসের মধ্যে আমরা টেন্ডারে যাব বলে আশা করছি।

মন্ত্রী বলেন, আমরা সবাই জানি যে, আমাদের দেশের জনসংখ্যা বিশাল। এক্ষেত্রে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে অর্থনৈতিক উন্নয়নের দিকে। আমাদের রাজনৈতিক যে সমস্যাগুলো এখানে তৈরি হয়েছিল অতীতে, সেই সমস্যা চলে গেছে তা বলব না। তবে আগের চাইতে অনেকটা ইতিবাচক। তবে আমরা বিশ্বাস করি যে, দেশে একটা স্থিতিশীলতা আনা গেলে অবশ্যই আমরা অর্থনৈতিক উন্নয়ন করার জন্য বিনিয়োগ বাড়ানোর মাধ্যমে মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে সক্ষম হবো।

এ সময় প্রতিবেশী ও বন্ধু দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের ওপর তাগিদ দিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, রোহিঙ্গা ইস্যু এটা আমাদের জন্য একটা বড় সমস্যা। আমরা এ সমস্যার সমাধান করতে চাই।