ঢাকা , সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নেপালে ধ্বংসস্তূপ থেকে ১০ দিন পর ৬৪ বছর বয়সী নারীকে জীবিত উদ্ধার

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:১৫:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৬ বার পড়া হয়েছে

নেপালে ভয়াবহ বন্যার ১০ দিন পর ৬৪ বছরের এক বৃদ্ধাকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) নুওয়াকোট জেলায় ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়া একটি বাড়ি থেকে তাকে উদ্ধার করে নিরাপত্তা বাহিনী। তার নাম চান্দিকা কুমারী শ্রেষ্ঠ। খবর বিবিসির।

যে চারতলা বাড়িতে তিনি বসবাস করতেন, তার নিচের তিনটি তলাই গত ২৬ অগাস্টের হড়পা বানের পর মাটির নীচে চলে গিয়েছিল। কাদামাটির স্তূপে চাপা পড়েছিল চতুর্থ তলার একাংশও। সেই ধ্বংসস্তূপ থেকেই হঠাৎ ভেসে এসেছিল ক্ষীণ শব্দ।

এতে চমকে ওঠেন নেপালের নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যেরা। এলাকাটিতে মাটি সরিয়ে রাস্তা তৈরির কাজ করতে গিয়েছিলেন তারা। বিপর্যয়ের ১০ দিন পরও কাউকে জীবিত উদ্ধার করা যাবে ভাবেননি।

৬৪ বছরের চণ্ডিকা শ্রেষ্ঠা উদ্ধার পাওয়া তাই তাদের কাছে অলৌকিক বিষয়। বন্যায় কাদামাটির স্তূপের নীচে চলে যাওয়া তার বাড়িটির উপরে ছিল কেবল চতুর্থ তলার একাংশ।

নেপাল পুলিশ জানিয়েছে, সেখানেও কিছু দিন আগে তল্লাশি চালানো হলেও কাউকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। এলাকায় আর কেউ বেঁচে নেই ভেবে রাস্তা নির্মাণ করা হচ্ছিল। শনিবার বাড়িটার পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় আচমকা খুব ক্ষীণ শব্দ আসার পর কাদা সরানো শুরু হয়।

চারতলার একটি জানলা ভেঙে হামাগুড়ি দিয়ে কোনও রকমে উদ্ধারকারীরা ভেতরে ঢোকার পর বৃদ্ধার গলার স্বর আরও স্পষ্ট হয়।

তাকে নেপালি সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টারে করে রাজধানী কাঠমান্ডুতে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে। ওই বৃদ্ধার পরিবারের কয়েকজন বিপর্যয়ের পর থেকে নিখোঁজ। এমনকি বৃদ্ধারও শেষকৃত্যের আয়োজন করে ফেলেছিলেন পরিবারের জীবিত সদস্যরা।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

নেপালে ধ্বংসস্তূপ থেকে ১০ দিন পর ৬৪ বছর বয়সী নারীকে জীবিত উদ্ধার

আপডেট সময় ১১:১৫:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নেপালে ভয়াবহ বন্যার ১০ দিন পর ৬৪ বছরের এক বৃদ্ধাকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) নুওয়াকোট জেলায় ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়া একটি বাড়ি থেকে তাকে উদ্ধার করে নিরাপত্তা বাহিনী। তার নাম চান্দিকা কুমারী শ্রেষ্ঠ। খবর বিবিসির।

যে চারতলা বাড়িতে তিনি বসবাস করতেন, তার নিচের তিনটি তলাই গত ২৬ অগাস্টের হড়পা বানের পর মাটির নীচে চলে গিয়েছিল। কাদামাটির স্তূপে চাপা পড়েছিল চতুর্থ তলার একাংশও। সেই ধ্বংসস্তূপ থেকেই হঠাৎ ভেসে এসেছিল ক্ষীণ শব্দ।

এতে চমকে ওঠেন নেপালের নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যেরা। এলাকাটিতে মাটি সরিয়ে রাস্তা তৈরির কাজ করতে গিয়েছিলেন তারা। বিপর্যয়ের ১০ দিন পরও কাউকে জীবিত উদ্ধার করা যাবে ভাবেননি।

৬৪ বছরের চণ্ডিকা শ্রেষ্ঠা উদ্ধার পাওয়া তাই তাদের কাছে অলৌকিক বিষয়। বন্যায় কাদামাটির স্তূপের নীচে চলে যাওয়া তার বাড়িটির উপরে ছিল কেবল চতুর্থ তলার একাংশ।

নেপাল পুলিশ জানিয়েছে, সেখানেও কিছু দিন আগে তল্লাশি চালানো হলেও কাউকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। এলাকায় আর কেউ বেঁচে নেই ভেবে রাস্তা নির্মাণ করা হচ্ছিল। শনিবার বাড়িটার পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় আচমকা খুব ক্ষীণ শব্দ আসার পর কাদা সরানো শুরু হয়।

চারতলার একটি জানলা ভেঙে হামাগুড়ি দিয়ে কোনও রকমে উদ্ধারকারীরা ভেতরে ঢোকার পর বৃদ্ধার গলার স্বর আরও স্পষ্ট হয়।

তাকে নেপালি সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টারে করে রাজধানী কাঠমান্ডুতে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে। ওই বৃদ্ধার পরিবারের কয়েকজন বিপর্যয়ের পর থেকে নিখোঁজ। এমনকি বৃদ্ধারও শেষকৃত্যের আয়োজন করে ফেলেছিলেন পরিবারের জীবিত সদস্যরা।