ঢাকা , বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বাংলাদেশের এলএনজির জাহাজ হরমুজ পার হতে সমস্যা হবে না: ইরানের রাষ্ট্রদূত মামলা-হামলা ও জেল-জুলম সহ্য করে আজ রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায়: খাদ্যমন্ত্রী গ্যাস সংকট আন্তর্জাতিক সমস্যা, সমাধান হতে দেড় সপ্তাহ লাগবে: রিজভী আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অনুসন্ধান শুরু ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যোগ দেয়া ২২৭ ভারতীয়র মধ্যে ৫১ জন নিহত ঘুষ.সাইট তৈরি করা সেই ভাইরাল শাহেদের খোঁজ নিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় যাচ্ছে সিমেন্ট-খাদ্য-ওষুধ, আসছে ই’য়া’বা-আইস ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় মার্কিন বিমানঘাঁটিতে পাইলট-ক্রু নিহত, দাবি ইরানের ইরানে বিয়ের অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্রের হা’ম’লা: নি’হত ৪, আ’হত অর্ধশতাধিক ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দেড়কোটি টাকার ভারতীয় পণ্যসহ ট্রাক জব্দ

গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী না হলে ফ্যাসিবাদ ফিরে আসবেই: প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৫:১০:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৭৪৪ বার পড়া হয়েছে

এবার প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার বলেছেন, যদি এবারের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বিজয়ী না হয়, যদি ‘না’ জয়যুক্ত হয় তাহলে নিশ্চিন্ত থাকতে পারেন বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদ আবার ফিরে আসবেই, কেউ ঠেকাতে পারবে না। তিনি বলেন, গণভোটের আয়োজনই করা হয়েছে ফ্যাসিবাদের পুনরাগমন ঠেকানোর জন্য, আর কিছু না।

আজ বুধবার (৭ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর সিরডাপে শামসুল হক মিলনায়তনে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) আয়োজিত ‘গণভোট: ২০২৬, কী এবং কেন?’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন। মনির হায়দার বলেন, ভোটে দুটি ঘটনা ঘটে—হয় বিজয়ী হয়, না হলে পরাজিত হয়। ক্যান্ডিডেট থাকুক বা না থাকুক এবারও তা-ই হবে। গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জিতলে গণভোট যে সাবজেক্ট নিয়ে এসেছে সেটা জনগণ দ্বারা অনুমোদিত হবে, আর ‘হ্যাঁ’ না জিতলে অনুমোদিত হবে না। ‘হ্যাঁ’ না জিতলে ফ্যাসিবাদ ফিরে আসবে।

সবার মতামতের ভিত্তিতে জুলাই সনদ হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, জুলাই জাতীয় সনদ হঠাৎ কারও মাথা থেকে এসেছে, আর রাজনৈতিক দলগুলো সুরসুর করে সেখানে স্বাক্ষর করে দিয়েছে—ব্যাপারটা এরকম ছিল না। এটি তৈরি করা হয়েছে জাতীয় সম্পদ হিসেবে। জাতির পক্ষে সরকার এবং সব রাজনৈতিক দল, সিভিল সোসাইটি সবাই দিনের পর দিন, মাসের পর মাস বসে আলোচনা করে, গবেষণা করে, শলাপরামর্শ করে এটি তৈরি করেছে।

জুলাই সনদকে ফ্যাসিবাদ তাড়ানোর ব্যবস্থাপত্র আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, এটি করাই হয়েছে ফ্যাসিবাদের পুনরাগমন ঠেকাতে। সহজ ভাষায় ফ্যাসিবাদের পুনরাগমন ঠেকানোর প্রেসক্রিপশন হলো জুলাই সনদ। আমরা যদি এ ব্যবস্থাপত্র অনুমোদন করে জাতীয় জীবনে বাস্তবায়ন ঘটাতে না পারি, তাহলে নিশ্চিতভাবে ফ্যাসিবাদ ফিরে আসবে এবং আমরাই ফিরিয়ে নিয়ে আসবো। তখন এজন্য অন্য কেউ দায়ী থাকবে না।

জুলাই সনদ বাস্তবায়নে আশঙ্কার কথা জানিয়ে মনির হায়দার বলেন, এখন পর্যন্ত সাধারণ ভোটারদের কাছে এটির অনেক কিছুই অস্পষ্ট। পাশাপাশি জুলাই সনদ, সংস্কার ও গণভোট ঘিরে নেগেটিভ ক্যাম্পেইন, অপপ্রচার এবং মানুষকে বিভ্রান্ত করার নানান তৎপরতা অত্যন্ত সক্রিয়ভাবে বিদ্যমান। যারা ৫ আগস্ট ক্ষমতাচ্যুত হয়েছে তাদের ক্ষমতা কিন্তু পুরোপুরি শেষ হয়ে যায়নি।

এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তাদের (ক্ষমতাচ্যুতদের) এখনো অন্তত দুটি মহাক্ষমতা আছে। একটি হলো তাদের কাছে লুটপাটের অঢেল টাকা আছে, অন্যটি হলো দেশি-বিদেশি কায়েমি স্বার্থবাদী চক্র তাদের নিরন্তর মদত দিচ্ছে। এ দুটি শক্তি নিয়ে তারা জুলাই সনদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচার করে যাচ্ছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশের এলএনজির জাহাজ হরমুজ পার হতে সমস্যা হবে না: ইরানের রাষ্ট্রদূত

গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী না হলে ফ্যাসিবাদ ফিরে আসবেই: প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী

আপডেট সময় ০৫:১০:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৬

এবার প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার বলেছেন, যদি এবারের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বিজয়ী না হয়, যদি ‘না’ জয়যুক্ত হয় তাহলে নিশ্চিন্ত থাকতে পারেন বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদ আবার ফিরে আসবেই, কেউ ঠেকাতে পারবে না। তিনি বলেন, গণভোটের আয়োজনই করা হয়েছে ফ্যাসিবাদের পুনরাগমন ঠেকানোর জন্য, আর কিছু না।

আজ বুধবার (৭ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর সিরডাপে শামসুল হক মিলনায়তনে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) আয়োজিত ‘গণভোট: ২০২৬, কী এবং কেন?’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন। মনির হায়দার বলেন, ভোটে দুটি ঘটনা ঘটে—হয় বিজয়ী হয়, না হলে পরাজিত হয়। ক্যান্ডিডেট থাকুক বা না থাকুক এবারও তা-ই হবে। গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জিতলে গণভোট যে সাবজেক্ট নিয়ে এসেছে সেটা জনগণ দ্বারা অনুমোদিত হবে, আর ‘হ্যাঁ’ না জিতলে অনুমোদিত হবে না। ‘হ্যাঁ’ না জিতলে ফ্যাসিবাদ ফিরে আসবে।

সবার মতামতের ভিত্তিতে জুলাই সনদ হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, জুলাই জাতীয় সনদ হঠাৎ কারও মাথা থেকে এসেছে, আর রাজনৈতিক দলগুলো সুরসুর করে সেখানে স্বাক্ষর করে দিয়েছে—ব্যাপারটা এরকম ছিল না। এটি তৈরি করা হয়েছে জাতীয় সম্পদ হিসেবে। জাতির পক্ষে সরকার এবং সব রাজনৈতিক দল, সিভিল সোসাইটি সবাই দিনের পর দিন, মাসের পর মাস বসে আলোচনা করে, গবেষণা করে, শলাপরামর্শ করে এটি তৈরি করেছে।

জুলাই সনদকে ফ্যাসিবাদ তাড়ানোর ব্যবস্থাপত্র আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, এটি করাই হয়েছে ফ্যাসিবাদের পুনরাগমন ঠেকাতে। সহজ ভাষায় ফ্যাসিবাদের পুনরাগমন ঠেকানোর প্রেসক্রিপশন হলো জুলাই সনদ। আমরা যদি এ ব্যবস্থাপত্র অনুমোদন করে জাতীয় জীবনে বাস্তবায়ন ঘটাতে না পারি, তাহলে নিশ্চিতভাবে ফ্যাসিবাদ ফিরে আসবে এবং আমরাই ফিরিয়ে নিয়ে আসবো। তখন এজন্য অন্য কেউ দায়ী থাকবে না।

জুলাই সনদ বাস্তবায়নে আশঙ্কার কথা জানিয়ে মনির হায়দার বলেন, এখন পর্যন্ত সাধারণ ভোটারদের কাছে এটির অনেক কিছুই অস্পষ্ট। পাশাপাশি জুলাই সনদ, সংস্কার ও গণভোট ঘিরে নেগেটিভ ক্যাম্পেইন, অপপ্রচার এবং মানুষকে বিভ্রান্ত করার নানান তৎপরতা অত্যন্ত সক্রিয়ভাবে বিদ্যমান। যারা ৫ আগস্ট ক্ষমতাচ্যুত হয়েছে তাদের ক্ষমতা কিন্তু পুরোপুরি শেষ হয়ে যায়নি।

এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তাদের (ক্ষমতাচ্যুতদের) এখনো অন্তত দুটি মহাক্ষমতা আছে। একটি হলো তাদের কাছে লুটপাটের অঢেল টাকা আছে, অন্যটি হলো দেশি-বিদেশি কায়েমি স্বার্থবাদী চক্র তাদের নিরন্তর মদত দিচ্ছে। এ দুটি শক্তি নিয়ে তারা জুলাই সনদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচার করে যাচ্ছে।