ঢাকা , শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সেপ্টেম্বরে জামায়াত এনসিপির লংমার্চের ঘোষণা ডিসেম্বরে আওয়ামী লীগ ফেরার পথ তৈরি করছে: রাশেদ খান নেপালে আকস্মিক বন্যা-ভূমিধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫৭৯ ট্রলি ব্যাগে কুড়াল এনে শ্বশুরকে কুপিয়ে হত্যা করল জামাই বিশ্বের সব দেশকে ইরানের সতর্কবার্তা আধ্যাত্মিক সাধনায় নেপালে গিয়ে নিখোঁজ ইউক্রেনীয় পরিবারের ৩ সদস্য আ. লীগকে সঙ্গে নিয়ে জামায়াত-এনসিপি সরকার পতন করে ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে: রাশেদ খাঁন ফ্যাসিবাদী সরকারের আমদানি নির্ভরতার কারণেই জ্বালানি সংকট : জোনায়েদ সাকি বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় এক মাসের বেতন দেবেন নেপালের মন্ত্রীরা মৃত্যুর আগেই চল্লিশা, ৫ হাজার মানুষকে খাওয়ালেন দম্পতি আ.লীগকে রাজনীতিতে ফিরতে হলে অনুশোচনা করতে হবে, আত্ম উপলব্ধি করতে হবে: সোহেল তাজ

জিপিএস ব্যবহার ছাড়াই মার্কিন ঘাঁটিতে নিখুঁত হামলা চালান ইরানি পাইলটরা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:২২:২০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৭ অগাস্ট ২০২৬
  • ৩৮ বার পড়া হয়েছে

এবার ইরানের বিমানবাহিনীর পাইলটরা জিপিএস (গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম) কিংবা আইএনএসের (ইনারশিয়াল ন্যাভিগেশন সিস্টেম) মতো কোনো নেভিগেশন ব্যবস্থা ব্যবহার না করেই যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রিত সামরিক ঘাঁটিতে দুঃসাহসিক অভিযান চালিয়েছেন। এমনটি জানিয়েছেন ইরানের একজন শীর্ষ কমান্ডার।

প্রেস টিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ইসলামিক রিপাবলিক অব ইরান এয়ার ফোর্সের (আইআরআইএএফ) ডেপুটি কো-অর্ডিনেটর ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাসুদ জাফারি এ তথ্য জানান। তিনি ২ মার্চ কাতারে অবস্থিত আল-উদেইদ মার্কিন বিমানঘাঁটিতে ইরানের অভিযানের কথা উল্লেখ করে এসব মন্তব্য করেন।

জাফারির দাবি, নিষেধাজ্ঞার মধ্যে কাজ করতে করতে ইরানের পাইলটরা জিপিএস ও আইএনএস ছাড়াই উড্ডয়ন ও অভিযান পরিচালনায় অভ্যস্ত হয়ে উঠেছেন। তারা মানচিত্র পাঠ এবং মৌলিক নেভিগেশন কৌশলের ওপর নির্ভর করে সামরিক মিশন সম্পন্ন করেন।

তিনি বলেন, ‘সম্ভবত, আমাদের তুরুপের তাস ছিল যে আমরা কোনো ধরনের সংকেতই নির্গত করিনি—এমনকি বিমান থেকে কোনো রেডিও যোগাযোগ বা অন্য কোনো ইলেকট্রনিক সংকেতও নির্গত হয়নি।’ ইরানি এই কমান্ডারের ভাষ্য অনুযায়ী, ২ মার্চ ইরানের বিমানবাহিনী কাতারের আল-উদেইদ ঘাঁটিতে অভিযান চালায়। একই দিনে ইরানি এফ-৫ যুদ্ধবিমান কুয়েতে যুক্তরাষ্ট্র পরিচালিত আল-আদিরি ঘাঁটিতেও অভিযান পরিচালনা করে।

জাফারি আরও দাবি করেন, মার্কিন ঘাঁটির ওপর হামলার ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সতর্ক অবস্থায় চলে যায়। এ সময় কুয়েতি বাহিনীর আক্রমণে তিনটি মার্কিন এফ-১৫ই স্ট্রাইক ঈগল যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হয়।

চারজন পাইলট এসইউ-২৪ যুদ্ধবিমানে করে শিরাজের শহিদ দৌরান বিমানঘাঁটি থেকে আল-উদেইদ ঘাঁটিতে অভিযান চালান। তাদের মধ্যে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মজিদ কাজেমির মরদেহ সম্প্রতি দেশে ফিরেছে। বাকি তিন পাইলটের ভাগ্যে কী ঘটেছে, তা এখনও জানা অজানা। জাফারি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক অভিযানের শুরুর দিকে প্রতিপক্ষ সম্ভবত ধারণাই করেনি যে ইরানের বিমানবাহিনী এত ঝুঁকিপূর্ণ অভিযান পরিচালনার সাহস দেখাবে।’

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

সেপ্টেম্বরে জামায়াত এনসিপির লংমার্চের ঘোষণা ডিসেম্বরে আওয়ামী লীগ ফেরার পথ তৈরি করছে: রাশেদ খান

জিপিএস ব্যবহার ছাড়াই মার্কিন ঘাঁটিতে নিখুঁত হামলা চালান ইরানি পাইলটরা

আপডেট সময় ১১:২২:২০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৭ অগাস্ট ২০২৬

এবার ইরানের বিমানবাহিনীর পাইলটরা জিপিএস (গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম) কিংবা আইএনএসের (ইনারশিয়াল ন্যাভিগেশন সিস্টেম) মতো কোনো নেভিগেশন ব্যবস্থা ব্যবহার না করেই যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রিত সামরিক ঘাঁটিতে দুঃসাহসিক অভিযান চালিয়েছেন। এমনটি জানিয়েছেন ইরানের একজন শীর্ষ কমান্ডার।

প্রেস টিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ইসলামিক রিপাবলিক অব ইরান এয়ার ফোর্সের (আইআরআইএএফ) ডেপুটি কো-অর্ডিনেটর ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাসুদ জাফারি এ তথ্য জানান। তিনি ২ মার্চ কাতারে অবস্থিত আল-উদেইদ মার্কিন বিমানঘাঁটিতে ইরানের অভিযানের কথা উল্লেখ করে এসব মন্তব্য করেন।

জাফারির দাবি, নিষেধাজ্ঞার মধ্যে কাজ করতে করতে ইরানের পাইলটরা জিপিএস ও আইএনএস ছাড়াই উড্ডয়ন ও অভিযান পরিচালনায় অভ্যস্ত হয়ে উঠেছেন। তারা মানচিত্র পাঠ এবং মৌলিক নেভিগেশন কৌশলের ওপর নির্ভর করে সামরিক মিশন সম্পন্ন করেন।

তিনি বলেন, ‘সম্ভবত, আমাদের তুরুপের তাস ছিল যে আমরা কোনো ধরনের সংকেতই নির্গত করিনি—এমনকি বিমান থেকে কোনো রেডিও যোগাযোগ বা অন্য কোনো ইলেকট্রনিক সংকেতও নির্গত হয়নি।’ ইরানি এই কমান্ডারের ভাষ্য অনুযায়ী, ২ মার্চ ইরানের বিমানবাহিনী কাতারের আল-উদেইদ ঘাঁটিতে অভিযান চালায়। একই দিনে ইরানি এফ-৫ যুদ্ধবিমান কুয়েতে যুক্তরাষ্ট্র পরিচালিত আল-আদিরি ঘাঁটিতেও অভিযান পরিচালনা করে।

জাফারি আরও দাবি করেন, মার্কিন ঘাঁটির ওপর হামলার ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সতর্ক অবস্থায় চলে যায়। এ সময় কুয়েতি বাহিনীর আক্রমণে তিনটি মার্কিন এফ-১৫ই স্ট্রাইক ঈগল যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হয়।

চারজন পাইলট এসইউ-২৪ যুদ্ধবিমানে করে শিরাজের শহিদ দৌরান বিমানঘাঁটি থেকে আল-উদেইদ ঘাঁটিতে অভিযান চালান। তাদের মধ্যে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মজিদ কাজেমির মরদেহ সম্প্রতি দেশে ফিরেছে। বাকি তিন পাইলটের ভাগ্যে কী ঘটেছে, তা এখনও জানা অজানা। জাফারি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক অভিযানের শুরুর দিকে প্রতিপক্ষ সম্ভবত ধারণাই করেনি যে ইরানের বিমানবাহিনী এত ঝুঁকিপূর্ণ অভিযান পরিচালনার সাহস দেখাবে।’