ঢাকা , সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এপ্রিল মাসে নির্বাচন ‘একেবারেই অযৌক্তিক’: আমীর খসরু

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৭:৩৮:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ জুন ২০২৫
  • ৪৫৩ বার পড়া হয়েছে

এপ্রিল মাসে জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তাবকে ‘একেবারেই অযৌক্তিক’ আখ্যা দিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

সোমবার (৮ জুন) চট্টগ্রামে এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, “রমজান সংযমের মাস। মানুষ এ সময় নামাজ, রোজা ও ইবাদতে মগ্ন থাকে। পাশাপাশি এপ্রিল মাসে ঘূর্ণিঝড়ের ঝুঁকি থাকে এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে পরীক্ষাও শুরু হয়। এমন পরিস্থিতিতে নির্বাচন আয়োজন করা একেবারেই অসম্ভব।”

তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশের সিংহভাগ রাজনৈতিক দল ডিসেম্বরের মধ্যেই নির্বাচন চায়। ডিসেম্বরের পরে যাওয়ার কোনো যুক্তি নেই। চাইলে আগস্ট বা সেপ্টেম্বরের দিকেও নির্বাচন করা যেতে পারে।”

নির্বাচনের সময় নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন তুলে আমীর খসরু বলেন, “এপ্রিলে নির্বাচন করার পেছনে কারা রয়েছে, কার স্বার্থ রক্ষিত হচ্ছে—সেই প্রশ্নও এখন সামনে এসেছে। যদি সেই স্বার্থ অক্ষুণ্ন থাকে, তবে এই সরকারের অধীনে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন হবে কিনা তা নিয়েও গুরুতর সন্দেহ রয়েছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

এপ্রিল মাসে নির্বাচন ‘একেবারেই অযৌক্তিক’: আমীর খসরু

আপডেট সময় ০৭:৩৮:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ জুন ২০২৫

এপ্রিল মাসে জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তাবকে ‘একেবারেই অযৌক্তিক’ আখ্যা দিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

সোমবার (৮ জুন) চট্টগ্রামে এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, “রমজান সংযমের মাস। মানুষ এ সময় নামাজ, রোজা ও ইবাদতে মগ্ন থাকে। পাশাপাশি এপ্রিল মাসে ঘূর্ণিঝড়ের ঝুঁকি থাকে এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে পরীক্ষাও শুরু হয়। এমন পরিস্থিতিতে নির্বাচন আয়োজন করা একেবারেই অসম্ভব।”

তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশের সিংহভাগ রাজনৈতিক দল ডিসেম্বরের মধ্যেই নির্বাচন চায়। ডিসেম্বরের পরে যাওয়ার কোনো যুক্তি নেই। চাইলে আগস্ট বা সেপ্টেম্বরের দিকেও নির্বাচন করা যেতে পারে।”

নির্বাচনের সময় নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন তুলে আমীর খসরু বলেন, “এপ্রিলে নির্বাচন করার পেছনে কারা রয়েছে, কার স্বার্থ রক্ষিত হচ্ছে—সেই প্রশ্নও এখন সামনে এসেছে। যদি সেই স্বার্থ অক্ষুণ্ন থাকে, তবে এই সরকারের অধীনে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন হবে কিনা তা নিয়েও গুরুতর সন্দেহ রয়েছে।