ঢাকা , সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬, ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
দেখি, বোর্ডকে বাপের দোয়া থেকে ক্রিকেটের দোয়া করতে পারি কিনা: তামিম এক ভূমিকম্পেই  কেঁপে উঠল বাংলাদেশসহ পাঁচ দেশ এটাই হয়তো ‘সিন্থেসিস’, আমরাই বুঝিনি এতদিন: মাহফুজ আলম এবার ইয়েমেন থেকে মিসাইল নিক্ষেপ, ইসরায়েলে বাজছে সতর্কতামূলক সাইরেন ৭০ ঘণ্টা পর সেই ১০ জনকে শূন্যরেখা থেকে সরিয়ে নিতে বাধ্য হলো বিএসএফ ৪৮০০ জনকে ওপারে পাঠানো হয়েছে, অপেক্ষায় আরও ৮৩৬: মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু ৭.৮ মাত্রার ভূমিকম্পে ফিলিপাইনে ধ্বংসলীলা, ধসে পড়েছে বহু ভবন কোরআনে চুমু দিয়ে বিশ্বকাপ খেলতে গেলেন ইরানের ফুটবলাররা নেতানিয়াহুর ইরান চুক্তি মেনে নেওয়া ছাড়া কোনো উপায় নেই: ট্রাম্প  আ. লীগের ফিরে আসার আতঙ্কে অনেকের হাত-পা কাঁপছে: রনি

৪৮০০ জনকে ওপারে পাঠানো হয়েছে, অপেক্ষায় আরও ৮৩৬: মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:১৯:৩৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬
  • ৬ বার পড়া হয়েছে

এবার পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, হোল্ডিং সেন্টারগুলোতে থাকা ৪৮০০ জনকে ইতোমধ্যেই পুশব্যাক করা হয়েছে। এ ছাড়া পুশব্যাকের অপেক্ষায় আছেন আরও ৮৩৬ জন। রোববার (৭ জুন) কলকাতায় আয়োজিতপণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায় প্রশিক্ষণ মহা অভিযানকর্মসূচিতে অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন তিনি।

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু বলেন সিএএএর আওতায় যারা পড়েননি এমন অনুপ্রবেশকারীদের ডিপোর্ট করার কাজ নিয়ম মেনে শুরু করেছি। এই ইস্যুতে ভারত সরকারের একটি আইন ছিল। সেই আইনে ওদেরকে কারাগারে না পাঠিয়ে সরাসরি বিএসএফের হাতে হস্তান্তর করার কথা বলা আছে। কিন্তু এ রাজ্যে সেটি কার্যকর হয়নি। এবার তাদের জন্য রাজ্যের সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে হোল্ডিং সেন্টার বানানো হয়েছে। সেখান থেকে এখন পর্যন্ত ৪ হাজার ৮০০ নাগরিককে ওপারে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে হোল্ডিং সেন্টারে অবস্থান করছেন ৮৩৬ জন। খাইয়ে পড়িয়ে তাদেরকেও আমরা ওদিকে পাঠানোর ব্যবস্থা করছি।

সীমান্তে কাঁটাতার নির্মাণ নিয়ে শুভেন্দু বলেন, আমরা বিএসএফকে জমি হস্তান্তর প্রক্রিয়া শুরু করেছি। বাংলাদেশের সঙ্গে ৫৫৬ কিলোমিটার অরক্ষিত সীমান্ত রয়েছে। সেখানে কাঁটাতার বেড়া নির্মাণে এখন পর্যন্ত ১০০ কিলোমিটার জমি হস্তান্তর করা হয়েছে। এক্ষেত্রে চিকেন নেককে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।

মুখ্যমন্ত্রীর অভিমত, আমরা অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে এই কাজ করছি, না হলে দেশ সুরক্ষিত থাকত না। তাছাড়া অনেক আগেই বাংলায় জনবিন্যাস পরিবর্তন হয়েছে। অবৈধ অনুপ্রবেশ ইস্যুতে ইতোমধ্যে কঠোর অবস্থান নিয়েছে পশ্চিমবঙ্গের নতুন সরকার। অনুপ্রবেশকারী সন্দেহে আটক ব্যক্তিদের প্রথমে হোল্ডিং সেন্টারে রাখা হচ্ছে, এরপর বিএসএফের হাত ঘুরে তাদের পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে বাংলাদেশে। যদিও এ ব্যাপারে এতদিন বিএসএফ বা বিজিবির তরফে আনুষ্ঠানিকভাবে এই প্রত্যর্পণের বিষয়টি স্বীকার করা হয়নি।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

দেখি, বোর্ডকে বাপের দোয়া থেকে ক্রিকেটের দোয়া করতে পারি কিনা: তামিম

৪৮০০ জনকে ওপারে পাঠানো হয়েছে, অপেক্ষায় আরও ৮৩৬: মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু

আপডেট সময় ১০:১৯:৩৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬

এবার পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, হোল্ডিং সেন্টারগুলোতে থাকা ৪৮০০ জনকে ইতোমধ্যেই পুশব্যাক করা হয়েছে। এ ছাড়া পুশব্যাকের অপেক্ষায় আছেন আরও ৮৩৬ জন। রোববার (৭ জুন) কলকাতায় আয়োজিতপণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায় প্রশিক্ষণ মহা অভিযানকর্মসূচিতে অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন তিনি।

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু বলেন সিএএএর আওতায় যারা পড়েননি এমন অনুপ্রবেশকারীদের ডিপোর্ট করার কাজ নিয়ম মেনে শুরু করেছি। এই ইস্যুতে ভারত সরকারের একটি আইন ছিল। সেই আইনে ওদেরকে কারাগারে না পাঠিয়ে সরাসরি বিএসএফের হাতে হস্তান্তর করার কথা বলা আছে। কিন্তু এ রাজ্যে সেটি কার্যকর হয়নি। এবার তাদের জন্য রাজ্যের সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে হোল্ডিং সেন্টার বানানো হয়েছে। সেখান থেকে এখন পর্যন্ত ৪ হাজার ৮০০ নাগরিককে ওপারে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে হোল্ডিং সেন্টারে অবস্থান করছেন ৮৩৬ জন। খাইয়ে পড়িয়ে তাদেরকেও আমরা ওদিকে পাঠানোর ব্যবস্থা করছি।

সীমান্তে কাঁটাতার নির্মাণ নিয়ে শুভেন্দু বলেন, আমরা বিএসএফকে জমি হস্তান্তর প্রক্রিয়া শুরু করেছি। বাংলাদেশের সঙ্গে ৫৫৬ কিলোমিটার অরক্ষিত সীমান্ত রয়েছে। সেখানে কাঁটাতার বেড়া নির্মাণে এখন পর্যন্ত ১০০ কিলোমিটার জমি হস্তান্তর করা হয়েছে। এক্ষেত্রে চিকেন নেককে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।

মুখ্যমন্ত্রীর অভিমত, আমরা অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে এই কাজ করছি, না হলে দেশ সুরক্ষিত থাকত না। তাছাড়া অনেক আগেই বাংলায় জনবিন্যাস পরিবর্তন হয়েছে। অবৈধ অনুপ্রবেশ ইস্যুতে ইতোমধ্যে কঠোর অবস্থান নিয়েছে পশ্চিমবঙ্গের নতুন সরকার। অনুপ্রবেশকারী সন্দেহে আটক ব্যক্তিদের প্রথমে হোল্ডিং সেন্টারে রাখা হচ্ছে, এরপর বিএসএফের হাত ঘুরে তাদের পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে বাংলাদেশে। যদিও এ ব্যাপারে এতদিন বিএসএফ বা বিজিবির তরফে আনুষ্ঠানিকভাবে এই প্রত্যর্পণের বিষয়টি স্বীকার করা হয়নি।