ঢাকা , রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ডুবে গেছে ঘরবাড়ি, মরে গেছে খামারের মুরগি, আমার সব শেষ মেহেন্দিগঞ্জে লুডু খেলাকে কেন্দ্র করে হাতুড়ির আঘাতে যুবক নিহত লংগদু সেনা জোনের উদ্যোগে বন্যাদুর্গতদের মাঝে খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানি বিতরণ এনসিপিকে পাবনায় অবাঞ্ছিত ঘোষণা প্রবাস ফেরত হাবিব ক্যানসার থেকে বাঁচতে চান পাহাড়ি ঢল ও নদী ভাঙনে হবিগঞ্জে সাড়ে ৬ হাজার পরিবার পানিবন্দি বিএনপির প্রতিপক্ষ আ. লীগ, নিজেদের মধ্যে বিভেদ নয়: খায়রুল কবির খোকন বিশ্বকাপের মাঝেই মারা গেলেন বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া তরুণ ফুটবলার সাইরেন বাজার আগেই ইউক্রেনে রুশ ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত, বহু হতাহত ভারতে আয়রন ডোমের ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির পরিকল্পনা করছে ইসরায়েল

৭০ ঘণ্টা পর সেই ১০ জনকে শূন্যরেখা থেকে সরিয়ে নিতে বাধ্য হলো বিএসএফ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:২৫:৫৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬
  • ৭২ বার পড়া হয়েছে

এবার পঞ্চগড় সদর উপজেলার হাড়িভাসা ইউনিয়নের দক্ষিণ প্রধানপাড়া সীমান্তে নারী ও শিশুসহ ১০ জনকে পুশ ইনের চেষ্টাকে ঘিরে জটিলতার অবসান হয়েছে। প্রায় ৭০ ঘণ্টা শূন্যরেখার ওপারে ভারতের অভ্যন্তরে অবস্থানের পর রোববার গভীর রাতে তাদের সেখান থেকে সরিয়ে নেয় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)আজ সোমবার (৮ জুন) সকালে সীমান্ত এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, যেখানে গত কয়েক দিন ধরে ওই ১০ জন অবস্থান করছিলেন, সেখানে আর কাউকে দেখা যায়নি। আগের মতো বিজিবি ও বিএসএফের অতিরিক্ত সদস্যদের উপস্থিতিও ছিল না। উভয় বাহিনী নিজ নিজ অবস্থান থেকে সরে গেছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, শুক্রবার ভোর থেকে নারী, পুরুষ ও শিশুসহ ১০ জন ব্যক্তি সীমান্তসংলগ্ন একটি কৃষিজমিতে অবস্থান করছিলেন। বাংলাদেশে পুশ ইনের চেষ্টাকে ঘিরে তৈরি হওয়া এই পরিস্থিতিতে তারা দীর্ঘ সময় খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবন কাটান। রোদ, বৃষ্টি ও প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যেও তাদের জন্য কোনো ধরনের আশ্রয়ের ব্যবস্থা ছিল না।

স্থানীয় বাসিন্দা ইউসুফ আলী বলেন, আমরা বিজিবির সঙ্গে সীমান্ত এলাকায় পাহারা দিচ্ছিলাম। রাত ১২টার দিকে বিএসএফ তাদের লাইট বন্ধ করে দেয়। পরে রাত প্রায় আড়াইটার দিকে তারা ওই লোকজনকে সেখান থেকে নিয়ে যায়।

এর আগে রোববার দুপুরেও বিএসএফ ওই ১০ জনকে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করলে বিজিবি তা প্রতিহত করে। এ সময় সীমান্ত এলাকায় উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পরে উভয় পক্ষ অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করে সতর্ক অবস্থান নেয়। নীলফামারী ব্যাটালিয়নের (৫৬ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, বিএসএফ আমাদের সঙ্গে কথা বলে রাত আড়াইটার দিকে তাদেরকে সেখান থেকে নিয়ে গেছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ডুবে গেছে ঘরবাড়ি, মরে গেছে খামারের মুরগি, আমার সব শেষ

৭০ ঘণ্টা পর সেই ১০ জনকে শূন্যরেখা থেকে সরিয়ে নিতে বাধ্য হলো বিএসএফ

আপডেট সময় ১০:২৫:৫৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬

এবার পঞ্চগড় সদর উপজেলার হাড়িভাসা ইউনিয়নের দক্ষিণ প্রধানপাড়া সীমান্তে নারী ও শিশুসহ ১০ জনকে পুশ ইনের চেষ্টাকে ঘিরে জটিলতার অবসান হয়েছে। প্রায় ৭০ ঘণ্টা শূন্যরেখার ওপারে ভারতের অভ্যন্তরে অবস্থানের পর রোববার গভীর রাতে তাদের সেখান থেকে সরিয়ে নেয় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)আজ সোমবার (৮ জুন) সকালে সীমান্ত এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, যেখানে গত কয়েক দিন ধরে ওই ১০ জন অবস্থান করছিলেন, সেখানে আর কাউকে দেখা যায়নি। আগের মতো বিজিবি ও বিএসএফের অতিরিক্ত সদস্যদের উপস্থিতিও ছিল না। উভয় বাহিনী নিজ নিজ অবস্থান থেকে সরে গেছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, শুক্রবার ভোর থেকে নারী, পুরুষ ও শিশুসহ ১০ জন ব্যক্তি সীমান্তসংলগ্ন একটি কৃষিজমিতে অবস্থান করছিলেন। বাংলাদেশে পুশ ইনের চেষ্টাকে ঘিরে তৈরি হওয়া এই পরিস্থিতিতে তারা দীর্ঘ সময় খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবন কাটান। রোদ, বৃষ্টি ও প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যেও তাদের জন্য কোনো ধরনের আশ্রয়ের ব্যবস্থা ছিল না।

স্থানীয় বাসিন্দা ইউসুফ আলী বলেন, আমরা বিজিবির সঙ্গে সীমান্ত এলাকায় পাহারা দিচ্ছিলাম। রাত ১২টার দিকে বিএসএফ তাদের লাইট বন্ধ করে দেয়। পরে রাত প্রায় আড়াইটার দিকে তারা ওই লোকজনকে সেখান থেকে নিয়ে যায়।

এর আগে রোববার দুপুরেও বিএসএফ ওই ১০ জনকে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করলে বিজিবি তা প্রতিহত করে। এ সময় সীমান্ত এলাকায় উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পরে উভয় পক্ষ অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করে সতর্ক অবস্থান নেয়। নীলফামারী ব্যাটালিয়নের (৫৬ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, বিএসএফ আমাদের সঙ্গে কথা বলে রাত আড়াইটার দিকে তাদেরকে সেখান থেকে নিয়ে গেছে।