এবার বাংলাদেশের ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) অ্যাডহক কমিটিতে ছিল সরকারের মন্ত্রী–এমপিদের সন্তানদের আধিপত্য। যার কারণে জাতীয় সংসদে দাঁড়িয়ে বিরোধী দলের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ অ্যাডহক কমিটির নাম দিয়েছিলেন ‘বাপের দোয়া ক্রিকেট বোর্ড’। এই বিশেষণ ছড়িয়ে পড়ে সবার মুখে মুখে। রোববার (৭ জুন) বিসিবি পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচনে অংশ নিয়ে সেই সদস্যরা এখন বিসিবির নির্বাচিত পরিচালকও হয়ে গেছেন। আগামী চার বছরের জন্য বিসিবির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন তামিম ইকবাল।
নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর তামিমের সংবাদ সম্মেলনে তামিম বলেন, ‘অনেকে অনেক ধরনের ট্যাগ দিচ্ছে, এটা অবশ্যই তাদের ব্যক্তিগত মত। দেখি, বাপের দোয়া থেকে ক্রিকেটের দোয়া করতে পারি কি পারি না ভবিষ্যতে।’ এর আগে বিসিবির নতুন নির্বাচিত সভাপতি বলেন, ‘আমি একটা জিনিস একদম স্পষ্ট করে বলেছি যে (পরিচালকদের), আপনাদের ব্যক্তিগত পরিচয় যা–ই থাকুক না কেন, আমাদের দায়িত্ব একটাই; আর ওই দায়িত্বের কারণেই আমরা এখানে আজকে বসা। ওটা হলো বাংলাদেশ ক্রিকেটের সেবা করা, বাংলাদেশ ক্রিকেটকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া।’
এবারের বিসিবি নির্বাচনে ঢাকার ক্লাবগুলোকে নিয়ে ক্যাটাগরি–২ থেকে জিতেছেন তামিম ইকবাল, মাসুদুজ্জামান, রফিকুল ইসলাম বাবু, ইয়াসির আব্বাস, ইসরাফিল খসরু, সাঈদ ইব্রাহিম, শাহনিয়ান তানিম, ফাহিম সিনহা, ইয়াসির ফয়সাল, আসিফ রাব্বানি, ডা: মাহবুব শামীম, সাকেফ আহমেদ সালাম। যেখানে সর্বোচ্চ ৭৩ ভোট পেয়েছেন তামিম ইকবাল। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৭২ ভোট পেয়েছেন সাইদ ইব্রাহিম আহমেদ এবং ইশরাফিল খসরু। এরপর মাসুদুজ্জামান ৭০ এবং ফয়সাল ইয়াসির পেয়েছেন ৬৮ ভোট।
ফাহিম সিনহা এবং শানিয়ান তানিম ৬৬টি করে ভোট পেয়েছেন। আসিফ রাব্বানী ৬৪, মির্জা ইয়াসির আব্বাস ৬৩টি ভোট পেয়েছেন। রফিকুল ইসলাম বাবু ৫৩ এবং ড. শামীম ৪১ ভোট পেয়েছেন । ক্লাব ক্যাটাগরিতে মোট ভোট ছিল ৭৬টি। এর মধ্যে ৭৪টি ভোট কাস্ট হয়েছে।

ডেস্ক রিপোর্ট 























