ঢাকা , মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
স্মার্ট টেকনোলজি থেকে ৫০ লাখ নিয়ে কাজ দেয়ার অভিযোগ বিসিসি’র কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সরকার দুই মাসের মধ্যে জনগণকে রাজপথে আসতে বাধ্য করছে: এটিএম আজহার বর্তমানে বাংলাদেশে বিদেশি ঋণের পরিমাণ ৭৮ বিলিয়ন ডলারের বেশি: অর্থমন্ত্রী জনগণের স্বার্থ বিবেচনা করে ইরানের উচিত যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাব গ্রহণ করা: জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইরানি জাহাজে চীনা মিসাইলের কেমিক্যাল, তবে কি ইরানকে টিকিয়ে রাখার নেপথ্যে বেইজিং? এক পরিবারে দুই এমপির নীতি না থাকায় আমিরের স্ত্রীকে মনোনয়ন দেওয়া হয়নি: হামিদুর রহমান আযাদ দৃষ্টি নেই, তবুও স্বপ্ন অটুট শরীফের ইসরায়েলি সেনাবাহিনী পৃথিবীর সবচেয়ে নিকৃষ্টতম সেনাবাহিনী: জাতিসংঘের বিশেষ দূত প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়নি, পরবর্তী পরীক্ষাগুলোও পর্যবেক্ষণ করা হবে: শিক্ষামন্ত্রী যুদ্ধে নিজেদের সাফল্য তুলে না ধরায় মার্কিন গণমাধ্যমের ওপর ক্ষুব্ধ ট্রাম্প

পানির নিচে টেকনাফের ৫০ গ্রাম, দুর্ভোগে ২ হাজার পরিবার

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:৫৩:১৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ জুলাই ২০২৫
  • ২৬৪ বার পড়া হয়েছে

এবার কক্সবাজারের টেকনাফে ভারী বর্ষণে ৫০ গ্রাম প্লাবিত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে প্রায় ২ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। কয়েক দিন ধরে থেমে থেমে বৃষ্টি হলেও ৪ জুলাই সন্ধ্যা থেকে টেকনাফে একটানা ভারী থেকে মাঝারি মাত্রার বৃষ্টিপাত শুরু হয়।

গতকাল সোমবার (৭ জুলাই) দুপুর পর্যন্ত থেমে থেমে বৃষ্টি হয়েছে। এতে টেকনাফের ৫০ গ্রাম প্লাবিত হয়ে যায়। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ এহসান। কক্সবাজার আবহাওয়া অফিস জানায়, ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বোচ্চ ১৪৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত কক্সবাজারে, টেকনাফে ১৪৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।

এ দিকে উপজেলা হোয়াইক্যং ইউনিয়নের আট, হ্নীলা ইউনিয়নের ১২, টেকনাফ পৌরসভার সাত, টেকনাফ সদর ইউনিয়নের ছয়, সাবরাং ইউনিয়নের আট, বাহারছড়া ইউনিয়নের ১০ গ্রাম প্লাবিত হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা।

হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী বলেন, আমার ইউনিয়নের পূর্ব রঙিখালী এলাকায় টানা বর্ষণের কারণে প্রায় ৩০০টি পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। এতে অনেকেই বিপাকে পড়েছেন। মূলত খাল দখলের কারণে বৃষ্টির পানি সরতে না পারায় তাদের বাড়িঘর তলিয়ে গেছে। পানি নিষ্কাশনে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।

এদিকে হোয়াইক্যং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নূর মোহাম্মদ আনোয়ারী বলেন, টানা বৃষ্টিতে আমার ইউনিয়নের নিম্ন অঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। পাহাড়ি এলাকায় যারা বসবাস করছেন তাদের নিরাপদ স্থানে আসার জন্য মাইকিং করা হচ্ছে। এ বিষয়ে টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ এহসান বলেন, উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের নিম্ন অঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের সঙ্গে যোগাযোগ করে শুকনো খাবার দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

স্মার্ট টেকনোলজি থেকে ৫০ লাখ নিয়ে কাজ দেয়ার অভিযোগ বিসিসি’র কর্মকর্তার বিরুদ্ধে

পানির নিচে টেকনাফের ৫০ গ্রাম, দুর্ভোগে ২ হাজার পরিবার

আপডেট সময় ১০:৫৩:১৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ জুলাই ২০২৫

এবার কক্সবাজারের টেকনাফে ভারী বর্ষণে ৫০ গ্রাম প্লাবিত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে প্রায় ২ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। কয়েক দিন ধরে থেমে থেমে বৃষ্টি হলেও ৪ জুলাই সন্ধ্যা থেকে টেকনাফে একটানা ভারী থেকে মাঝারি মাত্রার বৃষ্টিপাত শুরু হয়।

গতকাল সোমবার (৭ জুলাই) দুপুর পর্যন্ত থেমে থেমে বৃষ্টি হয়েছে। এতে টেকনাফের ৫০ গ্রাম প্লাবিত হয়ে যায়। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ এহসান। কক্সবাজার আবহাওয়া অফিস জানায়, ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বোচ্চ ১৪৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত কক্সবাজারে, টেকনাফে ১৪৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।

এ দিকে উপজেলা হোয়াইক্যং ইউনিয়নের আট, হ্নীলা ইউনিয়নের ১২, টেকনাফ পৌরসভার সাত, টেকনাফ সদর ইউনিয়নের ছয়, সাবরাং ইউনিয়নের আট, বাহারছড়া ইউনিয়নের ১০ গ্রাম প্লাবিত হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা।

হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী বলেন, আমার ইউনিয়নের পূর্ব রঙিখালী এলাকায় টানা বর্ষণের কারণে প্রায় ৩০০টি পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। এতে অনেকেই বিপাকে পড়েছেন। মূলত খাল দখলের কারণে বৃষ্টির পানি সরতে না পারায় তাদের বাড়িঘর তলিয়ে গেছে। পানি নিষ্কাশনে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।

এদিকে হোয়াইক্যং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নূর মোহাম্মদ আনোয়ারী বলেন, টানা বৃষ্টিতে আমার ইউনিয়নের নিম্ন অঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। পাহাড়ি এলাকায় যারা বসবাস করছেন তাদের নিরাপদ স্থানে আসার জন্য মাইকিং করা হচ্ছে। এ বিষয়ে টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ এহসান বলেন, উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের নিম্ন অঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের সঙ্গে যোগাযোগ করে শুকনো খাবার দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।