ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের নির্মাণাধীন অংশে জরুরি ভিত্তিতে চলছে অস্থায়ী সংস্কার কাজ। আশুগঞ্জ থেকে বিশ্বরোড পর্যন্ত প্রায় ১২ কিলোমিটার নাজুক সড়কে দুই কোটি টাকারও বেশি ব্যয়ে এই কাজ হলেও এর স্থায়িত্ব ও উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা। তাদের অভিযোগ, এটি মূলত লোক দেখানো আয়োজন, যা সরকারি অর্থের অপচয় ছাড়া আর কিছুই নয়।

আজ বুধবার সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খানের মহাসড়কটি পরিদর্শনে আসার কথা রয়েছে। তার আগমন উপলক্ষে তড়িঘড়ি করে সড়কের বড় বড় গর্ত ভরাট এবং খানাখন্দ ঢাকার কাজ চলছে। বিশ্বরোড গোলচত্বর এলাকায় মূল সড়কের ওপর প্রায় ১৫ ইঞ্চি উঁচু করে কয়েক স্তরে ইট বিছানো হচ্ছে, যা এখনই যানবাহন চলাচলে বিঘ্ন ঘটাচ্ছে এবং চালক ও যাত্রীদের ভোগান্তি বাড়াচ্ছে।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে একনেকে অনুমোদনের পর আশুগঞ্জ নৌবন্দর থেকে আখাউড়া স্থলবন্দর পর্যন্ত ৫১ কিলোমিটার সড়ক চারলেনে উন্নীত করার কাজ শুরু হয়। ভারতীয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এফকনস ইনফ্রাস্ট্রাকচার লিমিটেড ২০২০ সালে কাজ শুরু করলেও করোনা মহামারি, বালু সংকট ও রাজনৈতিক অস্থিরতাসহ নানা কারণে প্রকল্পের অগ্রগতি বারবার থমকে গেছে। ২০২৫ সালের ৩০ জুন প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও কাজের গতি এখনো সন্তোষজনক নয়। বিশেষ করে বর্ষায় সড়কের বিভিন্ন অংশ প্রায় চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ে।