যশোরের শার্শা উপজেলার বসতপুর গ্রামে পরকীয়া সম্পর্কের জেরে ইকরামুল নামে এক যুবককে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। হত্যার পর তার লাশ গোপনে বাড়ির মাটির নিচে পুঁতে রাখা হয়। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে মাটি খুঁড়ে লাশ উদ্ধার করেছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে এক দম্পতিকে আটক করা হয়েছে।
শনিবার (৯ মে) বিকেলে খবর পেয়ে শার্শা থানা পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে। নিহত ইকরামুলের বাড়ি একই এলাকায়।
স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা গেছে, বসতপুর গ্রামে এক গৃহবধূর সাথে ইকরামুলের দীর্ঘদিন ধরে পরকীয়া সম্পর্ক ছিল বলে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা চলছিল। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উক্ত গৃহবধূ ও তার স্বামীর মধ্যে প্রায়ই কলহ হতো। ধারণা করা হচ্ছে, এই বিরোধের জের ধরেই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে।
এলাকাবাসীরা জানান, হত্যার পর আটককৃতরা নিজেদের বাড়ির একটি স্থানে গোপনে লাশ পুঁতে রাখেন। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। খবর ছড়িয়ে পড়লে উৎসুক জনতা অভিযুক্ত বাড়ির আশপাশে ভিড় জমায়।
পুলিশ জানায়, সংবাদ পেয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেন। পরে নির্দিষ্ট একটি স্থান চিহ্নিত করে মাটি খনন করা হলে সেখান থেকে উদ্ধার করা হয় ইকরামুলের লাশ। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে উক্ত গৃহবধূ ও তার স্বামীকে আটক করা হয়।
শার্শা থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ মারুফ হোসেন জানান, হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং এ ঘটনায় আর কেউ জড়িত আছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ইকরামুলের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

ডেস্ক রিপোর্ট 
























