ঢাকা , সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ২৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
আমরা আবারও আন্দোলনের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি: নাহিদ ইসলাম নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে তেল আবিবের রাস্তায় নেমে এল হাজার হাজার মানুষ ২ মাসের মধ্যে তেল শোধন ক্ষমতা ৮০ শতাংশে ফেরাতে চায় ইরান জনগণের সঙ্গে ধোঁকাবাজির মাধ্যমে সংসদে যাত্রা শুরু করেছে বিএনপি: জামায়াতে আমির এসএসসি পরীক্ষার হল পরিদর্শনে এমপিরা যেতে পারবেন না: শিক্ষামন্ত্রী জুলাই যোদ্ধা ও শহীদ পরিবারকে কোনো দলের ব্যানারে দেখতে চাই না: সারজিস আলোচনা ব্যর্থ: পাকিস্তান ছাড়লো ইরানি প্রতিনিধিদল যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্বাসঘাতকতা ও বিদ্বেষের কথা আমরা ভুলব না: ইরান সরকারের সিদ্ধান্তেই ইন্টারনেট বন্ধ হয়: জয়-পলকের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিলেন আইএসপিএবি সভাপতি ইরানের সঙ্গে শান্তি আলোচনা যখন ব্যর্থ হচ্ছিল, ট্রাম্প তখন কুস্তি খেলা দেখছিলেন

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলি যৌথ হামলায় আহত ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০১:২১:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬
  • ৪৭ বার পড়া হয়েছে

এবার ইরানের নবনিযুক্ত সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার প্রথম দিনেই পায়ে গুরুতর আঘাত পেয়েছেন বলে দাবি করেছে মার্কিন সংবাদপত্র দ্য নিউইয়র্ক টাইমস। বুধবার (১১ মার্চ) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে ইসরায়েলি ও ইরানি কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে এই তথ্য জানানো হয়েছে। 

৫৬ বছর বয়সী মোজতবা খামেনি তার পিতা আলী খামেনির উত্তরসূরি হিসেবে গত রবিবার দায়িত্ব গ্রহণ করেন। উল্লেখ্য যে, দীর্ঘ সময় ইরানের ক্ষমতায় থাকা আলী খামেনি যুদ্ধের প্রথম দিনেই প্রাণ হারান, যার পরপরই মোজতবাকে নতুন নেতা হিসেবে ঘোষণা করা হয়। নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, যুদ্ধের একদম শুরুর দিকে চালানো ওই ভয়াবহ হামলায় মোজতবা খামেনির পা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। বর্তমানে তিনি ঠিক কোথায় এবং কী অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। 

দায়িত্ব গ্রহণের পরও এখন পর্যন্ত তিনি কেন জনসমক্ষে বা টেলিভিশন ভাষণে উপস্থিত হননি, এই শারীরিক আঘাতই তার অন্যতম প্রধান কারণ হতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। তেহরানের রাজপথে তার ছবি সম্বলিত ব্যানার ও পোস্টার দেখা গেলেও নেতার অনুপস্থিতি সাধারণ মানুষের মধ্যে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

ইরানের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এই সংবাদটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। আলী খামেনির মৃত্যুর পর মোজতবা খামেনিকে তড়িঘড়ি করে ক্ষমতায় বসানো হলেও তার শারীরিক সক্ষমতা নিয়ে যে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে, তা প্রশাসনের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।  একদিকে দেশের অভ্যন্তরে যুদ্ধকালীন জরুরি অবস্থা এবং অন্যদিকে সর্বোচ্চ নেতার আহত হওয়ার খবর ইরানি সামরিক বাহিনী ও জনগণের মনোবলকে চ্যালেঞ্জের মুখে ঠেলে দিয়েছে। তবে ইরানি গণমাধ্যমগুলো এখন পর্যন্ত তাদের নতুন নেতার আহত হওয়ার বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি দেয়নি।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান এই সংঘাত যখন চূড়ান্ত রূপ নিচ্ছে, তখন খামেনি পরিবারের ওপর একের পর এক এই আঘাত ইরানের শাসনব্যবস্থায় বড় ধরনের শূন্যতা তৈরির আশঙ্কা বাড়াচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো মোজতবার শারীরিক অবস্থার ওপর নিবিড় নজর রাখছে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।  যদি এই আঘাত গুরুতর হয়, তবে ইরানের নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষেত্রে মোজতবা কতটুকু কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারবেন, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। সূত্র: টাইমস অফ ইসরায়েল

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

আমরা আবারও আন্দোলনের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি: নাহিদ ইসলাম

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলি যৌথ হামলায় আহত ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা

আপডেট সময় ০১:২১:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

এবার ইরানের নবনিযুক্ত সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার প্রথম দিনেই পায়ে গুরুতর আঘাত পেয়েছেন বলে দাবি করেছে মার্কিন সংবাদপত্র দ্য নিউইয়র্ক টাইমস। বুধবার (১১ মার্চ) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে ইসরায়েলি ও ইরানি কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে এই তথ্য জানানো হয়েছে। 

৫৬ বছর বয়সী মোজতবা খামেনি তার পিতা আলী খামেনির উত্তরসূরি হিসেবে গত রবিবার দায়িত্ব গ্রহণ করেন। উল্লেখ্য যে, দীর্ঘ সময় ইরানের ক্ষমতায় থাকা আলী খামেনি যুদ্ধের প্রথম দিনেই প্রাণ হারান, যার পরপরই মোজতবাকে নতুন নেতা হিসেবে ঘোষণা করা হয়। নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, যুদ্ধের একদম শুরুর দিকে চালানো ওই ভয়াবহ হামলায় মোজতবা খামেনির পা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। বর্তমানে তিনি ঠিক কোথায় এবং কী অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। 

দায়িত্ব গ্রহণের পরও এখন পর্যন্ত তিনি কেন জনসমক্ষে বা টেলিভিশন ভাষণে উপস্থিত হননি, এই শারীরিক আঘাতই তার অন্যতম প্রধান কারণ হতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। তেহরানের রাজপথে তার ছবি সম্বলিত ব্যানার ও পোস্টার দেখা গেলেও নেতার অনুপস্থিতি সাধারণ মানুষের মধ্যে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

ইরানের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এই সংবাদটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। আলী খামেনির মৃত্যুর পর মোজতবা খামেনিকে তড়িঘড়ি করে ক্ষমতায় বসানো হলেও তার শারীরিক সক্ষমতা নিয়ে যে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে, তা প্রশাসনের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।  একদিকে দেশের অভ্যন্তরে যুদ্ধকালীন জরুরি অবস্থা এবং অন্যদিকে সর্বোচ্চ নেতার আহত হওয়ার খবর ইরানি সামরিক বাহিনী ও জনগণের মনোবলকে চ্যালেঞ্জের মুখে ঠেলে দিয়েছে। তবে ইরানি গণমাধ্যমগুলো এখন পর্যন্ত তাদের নতুন নেতার আহত হওয়ার বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি দেয়নি।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান এই সংঘাত যখন চূড়ান্ত রূপ নিচ্ছে, তখন খামেনি পরিবারের ওপর একের পর এক এই আঘাত ইরানের শাসনব্যবস্থায় বড় ধরনের শূন্যতা তৈরির আশঙ্কা বাড়াচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো মোজতবার শারীরিক অবস্থার ওপর নিবিড় নজর রাখছে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।  যদি এই আঘাত গুরুতর হয়, তবে ইরানের নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষেত্রে মোজতবা কতটুকু কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারবেন, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। সূত্র: টাইমস অফ ইসরায়েল