ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বাংলা সাহিত্যে যুক্ত হচ্ছে জিয়াউর রহমানের প্রবন্ধ, থাকবে ওসমান হাদীর বীরত্বগাথাও! শিক্ষামন্ত্রীকে শূন্যে ভাসিয়ে এমআইএসটি গ্র্যাজুয়েটদের উল্লাস মার্কিন হামলায় ৩ ভারতীয় নাবিক নিহত থানায় রক্ষা পেলেও ডিসি অফিসে মার খেলেন সেই ‘সমন্বয়ক’ মাহাদী ইরান কখনোই আত্মসমর্পণ করবে না: পেজেশকিয়ান দেশে ফিরে বীরের সংবর্ধনা পেলেন বিশ্বকাপে নিষিদ্ধ সেই রেফারি থানা হেফাজতে পুশইন হওয়া বৃদ্ধ, মিলেছে নিজ ঠিকানা আরোহীর মাথায় ইট ছুঁড়ে বাইক ছিনতাইয়ের ঘটনা চমকে দিয়েছে দেশবাসীকে যুক্তরাষ্ট্রের এফ-৩৫, এফ-১৫ ও এফ-১৬ যুদ্ধবিমান লক্ষ্য করে হামলা ইরানের শিবিরের বট ও অ্যাক্টিভিস্টরা বারবার আমার ফাঁসির দাবি তুলছেন: মাহফুজ

থানা হেফাজতে পুশইন হওয়া বৃদ্ধ, মিলেছে নিজ ঠিকানা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১২:৩৯:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬
  • ৮ বার পড়া হয়েছে

এবার জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার ধানুয়া কামালপুর সীমান্তে বিএসএফের পুশইনের ঘটনায় আলোচনায় আসা সেই ৬০ বছর বয়সী বৃদ্ধ বাংলাদেশি নাগরিক বলে নিশ্চিত করেছে বিজিবি। প্রায় ২৪ ঘণ্টা নোম্যানস ল্যান্ডে অবস্থানের পর আজ বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকালে তাকে উদ্ধার করে বকশীগঞ্জ থানায় নেওয়া হয়েছে। পুশইন হওয়া ওই ব্যক্তির নাম ষষ্ঠী বর্মন। তিনি রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার চান্দলাই এলাকার বাবু চন্দ্র বর্মনের ছেলে।

জানা গেছে, ষষ্ঠী বর্মন গত দুই মাস ধরে বাড়ি থেকে নিখোঁজ ছিলেন। গতকাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর পরিবারের লোকজন তার অবস্থান সম্পর্কে জানতে পারে। পরে পরিবারের সদস্যরা বিজিবির সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তারপর পরিচয় যাচাইবাছাই করে তাকে সীমান্ত এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়। আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এ বিষয়ে বকশীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মকবুল হোসেন বলেন, ওই বৃদ্ধের পরিচয় পাওয়ার পর তাকে থানায় আনা হয়েছে। রাজশাহী থেকে তার পরিবারের লোকজনরা আসছে। এখন তিনি আমাদের হেফাজতে রয়েছেন। এ বিষয় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। প্রসঙ্গত, গতকাল বুধবার (১০ জুন) সকালে বকশীগঞ্জের রামরামপুর সীমান্তের ১০৮২ পিলারের কাছে এক ৬০ বছর বয়সী ব্যক্তিকে পুশইনের চেষ্টা করে বিএসএফ। এ সময় বিজিবি ও স্থানীয়দের বাধার মুখে পুশইন চেষ্টা ব্যর্থ হলে ওই ব্যক্তিকে শূন্য রেখায় ফেলে রেখে যায় বিএসএফ সদস্যরা। শূন্য রেখা থেকে ওই ব্যক্তি বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করলে বিজিবি ও স্থানীয়রা বাধা প্রদান করেন।

পরে আবার শূন্য রেখায় চলে যায় ৬০ বছর বয়সী ওই ব্যক্তি। এ নিয়ে বিজিবি ও বিএসএফ এর সদস্যদের মধ্যে পতাকা বৈঠক হলেও কোনো পক্ষই ওই ব্যক্তিকে নিতে রাজি হননি। এরপর থেকে স্থানীয়দের মধ্যে উত্তেজনা আরও বাড়তে থাকে। এক পর্যায়ে দুই দেশের জনগণের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে বিকেল ৫টার দিকে কাঁটাতারের বেড়া ভেদ করে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া শুরু হয় দুই দেশের জনগণের মধ্যে। এ সময় বাংলাদেশি নাগরিকদের ধাওয়া খেয়ে পালিয়ে যায় ভারতীয়রা।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলা সাহিত্যে যুক্ত হচ্ছে জিয়াউর রহমানের প্রবন্ধ, থাকবে ওসমান হাদীর বীরত্বগাথাও!

থানা হেফাজতে পুশইন হওয়া বৃদ্ধ, মিলেছে নিজ ঠিকানা

আপডেট সময় ১২:৩৯:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

এবার জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার ধানুয়া কামালপুর সীমান্তে বিএসএফের পুশইনের ঘটনায় আলোচনায় আসা সেই ৬০ বছর বয়সী বৃদ্ধ বাংলাদেশি নাগরিক বলে নিশ্চিত করেছে বিজিবি। প্রায় ২৪ ঘণ্টা নোম্যানস ল্যান্ডে অবস্থানের পর আজ বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকালে তাকে উদ্ধার করে বকশীগঞ্জ থানায় নেওয়া হয়েছে। পুশইন হওয়া ওই ব্যক্তির নাম ষষ্ঠী বর্মন। তিনি রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার চান্দলাই এলাকার বাবু চন্দ্র বর্মনের ছেলে।

জানা গেছে, ষষ্ঠী বর্মন গত দুই মাস ধরে বাড়ি থেকে নিখোঁজ ছিলেন। গতকাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর পরিবারের লোকজন তার অবস্থান সম্পর্কে জানতে পারে। পরে পরিবারের সদস্যরা বিজিবির সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তারপর পরিচয় যাচাইবাছাই করে তাকে সীমান্ত এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়। আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এ বিষয়ে বকশীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মকবুল হোসেন বলেন, ওই বৃদ্ধের পরিচয় পাওয়ার পর তাকে থানায় আনা হয়েছে। রাজশাহী থেকে তার পরিবারের লোকজনরা আসছে। এখন তিনি আমাদের হেফাজতে রয়েছেন। এ বিষয় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। প্রসঙ্গত, গতকাল বুধবার (১০ জুন) সকালে বকশীগঞ্জের রামরামপুর সীমান্তের ১০৮২ পিলারের কাছে এক ৬০ বছর বয়সী ব্যক্তিকে পুশইনের চেষ্টা করে বিএসএফ। এ সময় বিজিবি ও স্থানীয়দের বাধার মুখে পুশইন চেষ্টা ব্যর্থ হলে ওই ব্যক্তিকে শূন্য রেখায় ফেলে রেখে যায় বিএসএফ সদস্যরা। শূন্য রেখা থেকে ওই ব্যক্তি বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করলে বিজিবি ও স্থানীয়রা বাধা প্রদান করেন।

পরে আবার শূন্য রেখায় চলে যায় ৬০ বছর বয়সী ওই ব্যক্তি। এ নিয়ে বিজিবি ও বিএসএফ এর সদস্যদের মধ্যে পতাকা বৈঠক হলেও কোনো পক্ষই ওই ব্যক্তিকে নিতে রাজি হননি। এরপর থেকে স্থানীয়দের মধ্যে উত্তেজনা আরও বাড়তে থাকে। এক পর্যায়ে দুই দেশের জনগণের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে বিকেল ৫টার দিকে কাঁটাতারের বেড়া ভেদ করে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া শুরু হয় দুই দেশের জনগণের মধ্যে। এ সময় বাংলাদেশি নাগরিকদের ধাওয়া খেয়ে পালিয়ে যায় ভারতীয়রা।