নেপালে টানা বিক্ষোভে প্রধানমন্ত্রীসহ কয়েকজন মন্ত্রী ও সাংসদ পদত্যাগ করলেও দেশ পরিচালনা বর্তমান মন্ত্রিসভার হাতেই থাকবে বলে জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট রামচন্দ্র পৌদেল। এক বিবৃতিতে তিনি সংবিধানের নিবন্ধ ৭৭-এর ধারা তিন অনুযায়ী নতুন প্রধানমন্ত্রী দায়িত্ব গ্রহণ না করা পর্যন্ত বিদায়ী মন্ত্রিসভাকেই কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব দেন।
প্রেসিডেন্ট পৌদেল অজ্ঞাত স্থান থেকে আন্দোলনকারী জেনারেশন জেড নেতাদের আলোচনায় বসার আহ্বান জানান। তবে তিনি কোথায় আছেন সে বিষয়ে আনুষ্ঠানিক তথ্য প্রকাশ করেনি সেনাবাহিনী। সেনা মুখপাত্র রাজারাম বাসনেতও শীর্ষ নেতাদের অবস্থান জানেন না বলে জানিয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলির পদত্যাগপত্র গ্রহণ করলেও, তাকে অন্তর্বর্তীকালীন দায়িত্বে রেখেছেন প্রেসিডেন্ট। তবে পদত্যাগের পর থেকে ওলির কোনো প্রকাশ্য উপস্থিতি দেখা যায়নি। সোশ্যাল মিডিয়ায় গুজব ছড়ালেও তার ঘনিষ্ঠজনরা দাবি করেছেন, তিনি দেশেই আছেন এবং সেনা সুরক্ষায় রয়েছেন।
মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন থেকে সেনা হেলিকপ্টারে তাকে সরিয়ে নেওয়া হয়।
সংবিধান অনুযায়ী, সংসদের যেকোনো সদস্য প্রধানমন্ত্রী হতে পারেন। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এমন কাউকে অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী করা উচিত, যিনি সাধারণ মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য এবং জেনারেশন জেড আন্দোলনকারীদের আস্থাও অর্জন করতে সক্ষম হবেন।

