ঢাকা , মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬, ২১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জামায়াতকে ভোট দিলে পহেলা বৈশাখ-বিজয় দিবস হতে দেবে না: বিএনপি প্রার্থী

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:০৬:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ২১৫ বার পড়া হয়েছে

 

বৃহস্পতিবার (১১ নভেম্বর) বিকেলে সাতক্ষীরার আশাশুনি সদরের নাটানা বারোনি মন্দির প্রাঙ্গণে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে নির্বাচনী মতবিনিময়সভা ও উঠান বৈঠকে বক্তব্য দেন সাতক্ষীরা-৩ (আশাশুনি–কালীগঞ্জ) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী কাজী আলাউদ্দিন।

তিনি বলেন, “জামায়াতের প্রার্থীকে ভোট দিলে পহেলা বৈশাখ, বিজয় দিবস ও একুশে ফেব্রুয়ারি পালনের সুযোগ থাকবে না। কারণ, তারা মহান মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করে পাকিস্তানের পক্ষ নিয়েছিল। তাদের অত্যাচারে লাখ লাখ হিন্দু-মুসলিম ভারতে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছিল। তাদের অতীত উগ্রতা ও নির্যাতনের কথা মনে হলেই শিউরে উঠি।”

আলাউদ্দিন অভিযোগ করে আরও বলেন, “এখন তারা সাধু সেজেছে। বেহেশতের টিকিট বিক্রি করা কিংবা দুর্গাপূজায় গীতা পাঠ—এসব ভণ্ডামি দিয়ে মানুষকে ধোঁকা দিতে চায়। কিন্তু তাদের প্রতিষ্ঠানে কতজন হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ চাকরি পেয়েছে? ৫ আগস্টের পর তাদের মব-তাণ্ডবে কত হিন্দু শিক্ষক—কর্মচারী চাকরিচ্যুত হয়েছেন—সেটা একটু খুঁজে দেখবেন।”

উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব মশিউল হুদা তুহিনের সঞ্চালনায় ও উপজেলা হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মৃন্ময় মল্লিকের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই সভায় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

উঠান বৈঠক শেষে নাটানা বারোনি মন্দিরের সংস্কারের জন্য মন্দির কর্তৃপক্ষের হাতে নগদ ৫০ হাজার টাকা তুলে দেন কাজী আলাউদ্দিন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

জামায়াতকে ভোট দিলে পহেলা বৈশাখ-বিজয় দিবস হতে দেবে না: বিএনপি প্রার্থী

আপডেট সময় ১০:০৬:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫

 

বৃহস্পতিবার (১১ নভেম্বর) বিকেলে সাতক্ষীরার আশাশুনি সদরের নাটানা বারোনি মন্দির প্রাঙ্গণে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে নির্বাচনী মতবিনিময়সভা ও উঠান বৈঠকে বক্তব্য দেন সাতক্ষীরা-৩ (আশাশুনি–কালীগঞ্জ) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী কাজী আলাউদ্দিন।

তিনি বলেন, “জামায়াতের প্রার্থীকে ভোট দিলে পহেলা বৈশাখ, বিজয় দিবস ও একুশে ফেব্রুয়ারি পালনের সুযোগ থাকবে না। কারণ, তারা মহান মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করে পাকিস্তানের পক্ষ নিয়েছিল। তাদের অত্যাচারে লাখ লাখ হিন্দু-মুসলিম ভারতে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছিল। তাদের অতীত উগ্রতা ও নির্যাতনের কথা মনে হলেই শিউরে উঠি।”

আলাউদ্দিন অভিযোগ করে আরও বলেন, “এখন তারা সাধু সেজেছে। বেহেশতের টিকিট বিক্রি করা কিংবা দুর্গাপূজায় গীতা পাঠ—এসব ভণ্ডামি দিয়ে মানুষকে ধোঁকা দিতে চায়। কিন্তু তাদের প্রতিষ্ঠানে কতজন হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ চাকরি পেয়েছে? ৫ আগস্টের পর তাদের মব-তাণ্ডবে কত হিন্দু শিক্ষক—কর্মচারী চাকরিচ্যুত হয়েছেন—সেটা একটু খুঁজে দেখবেন।”

উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব মশিউল হুদা তুহিনের সঞ্চালনায় ও উপজেলা হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মৃন্ময় মল্লিকের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই সভায় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

উঠান বৈঠক শেষে নাটানা বারোনি মন্দিরের সংস্কারের জন্য মন্দির কর্তৃপক্ষের হাতে নগদ ৫০ হাজার টাকা তুলে দেন কাজী আলাউদ্দিন।