ঢাকা , রবিবার, ১০ মে ২০২৬, ২৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি নিহত মধ্যরাতে তাসনিম জারার বিস্ফোরক স্ট্যাটাস দ্বিতীয়বার বিয়ের ৪ মাস না যেতে আবারও বিচ্ছেদ, যা বললেন স্ত্রী সাবিকুন্নাহার অস্ত্র কিংবা ছুরি নয়, রক্তভর্তি সিরিঞ্জ নিয়ে ছিনতাই গাজীপুরে পাঁচ খুন: ঘটনাস্থলে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়লেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ভয় ধরাচ্ছে নতুন হান্টাভাইরাস, যা বলছে ডব্লিউএইচও গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হলে রাজপথে নামবে এনসিপি’ দেশকে ধ্বংসস্তূপ থেকে টেনে তোলাই বিএনপির নতুন চ্যালেঞ্জ: মির্জা ফখরুল স্কুলশিক্ষার্থী নাহিদের সন্ধান চায় পরিবার পরকীয়ার জেরে যুবককে হত্যা করে পুঁতে রাখলো মাটিতে, দম্পতি আটক

আ.লীগ নেতার বাড়িতে বিএনপি এমপির ভোজ, ক্ষোভে চার নেতার পদত্যাগ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:৪২:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২৬
  • ৭৫ বার পড়া হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে আওয়ামী লীগ নেতার বাড়িতে বিএনপির স্থানীয় সংসদ সদস্যের মধ্যাহ্নভোজকে ঘিরে প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে স্থানীয় নেতা কর্মীরা। এ ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন স্থানীয় ছাত্রদল ও অঙ্গ সংগঠনের চার নেতাকর্মী।

 

শনিবার (২ মে) উপজেলার পাহাড়পুর ইউনিয়নের আলিপুর গ্রামে পাহাড়পুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম অলি আহমেদের বাড়িতে তার বড় ছেলে এম জুবায়ের আহমেদের বৌভাত অনুষ্ঠানে অংশ নেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর-বিজয়নগর) আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল। অনুষ্ঠানে তিনি মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেন।

 

অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা দ্রুত ভাইরাল হয়। এরপর থেকেই বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ে শুরু হয় সমালোচনা ও ক্ষোভ। নেতাকর্মীদের অনেকে বিষয়টিকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে মন্তব্য করেন।

 

ঘটনার জেরে পদত্যাগের ঘোষণা দেওয়া নেতাকর্মীরা হলেন- বিষ্ণুপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি রিয়ান চৌধুরী রাসেল, জিয়া সাইবার ফোর্সের বিজয়নগর শাখার সভাপতি মুনায়েম মুন্না, ছাত্রদল নেতা এমদাদুল হক সাচ্চু এবং সাবেক ছাত্রদল নেতা তরিকুল ইসলাম সোহান।

 

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া পোস্টে মুনায়েম মুন্না জানান, তিনি ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তে বিএনপির রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন। রিয়ান চৌধুরী রাসেলও হতাশা প্রকাশ করে রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা দেন। অন্য দুই নেতাও একই ধরনের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।

 

এঘটনায় বিএনপি ও ছাত্রদলের একাধিক নেতাকর্মী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, দীর্ঘদিন যারা মামলা-হামলার শিকার হয়েছেন, তাদের পক্ষে এ ধরনের ঘটনা মেনে নেওয়া কঠিন।

 

এবিষয়ে আ.লীগ নেতা এম অলি আহমেদ বলেন, পারিবারিক ও ব্যবসায়িক সম্পর্কের ভিত্তিতেই তিনি এমপিকে দাওয়াত করেছিলেন। তার দাবি, অনুষ্ঠানে দুই থেকে তিন হাজার অতিথি উপস্থিত ছিলেন এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। তিনি বর্তমানে কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত নন বলেও জানান।

 

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্য বা বিএনপির জেলা নেতৃত্বের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি নিহত

আ.লীগ নেতার বাড়িতে বিএনপি এমপির ভোজ, ক্ষোভে চার নেতার পদত্যাগ

আপডেট সময় ১১:৪২:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে আওয়ামী লীগ নেতার বাড়িতে বিএনপির স্থানীয় সংসদ সদস্যের মধ্যাহ্নভোজকে ঘিরে প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে স্থানীয় নেতা কর্মীরা। এ ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন স্থানীয় ছাত্রদল ও অঙ্গ সংগঠনের চার নেতাকর্মী।

 

শনিবার (২ মে) উপজেলার পাহাড়পুর ইউনিয়নের আলিপুর গ্রামে পাহাড়পুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম অলি আহমেদের বাড়িতে তার বড় ছেলে এম জুবায়ের আহমেদের বৌভাত অনুষ্ঠানে অংশ নেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর-বিজয়নগর) আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল। অনুষ্ঠানে তিনি মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেন।

 

অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা দ্রুত ভাইরাল হয়। এরপর থেকেই বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ে শুরু হয় সমালোচনা ও ক্ষোভ। নেতাকর্মীদের অনেকে বিষয়টিকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে মন্তব্য করেন।

 

ঘটনার জেরে পদত্যাগের ঘোষণা দেওয়া নেতাকর্মীরা হলেন- বিষ্ণুপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি রিয়ান চৌধুরী রাসেল, জিয়া সাইবার ফোর্সের বিজয়নগর শাখার সভাপতি মুনায়েম মুন্না, ছাত্রদল নেতা এমদাদুল হক সাচ্চু এবং সাবেক ছাত্রদল নেতা তরিকুল ইসলাম সোহান।

 

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া পোস্টে মুনায়েম মুন্না জানান, তিনি ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তে বিএনপির রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন। রিয়ান চৌধুরী রাসেলও হতাশা প্রকাশ করে রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা দেন। অন্য দুই নেতাও একই ধরনের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।

 

এঘটনায় বিএনপি ও ছাত্রদলের একাধিক নেতাকর্মী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, দীর্ঘদিন যারা মামলা-হামলার শিকার হয়েছেন, তাদের পক্ষে এ ধরনের ঘটনা মেনে নেওয়া কঠিন।

 

এবিষয়ে আ.লীগ নেতা এম অলি আহমেদ বলেন, পারিবারিক ও ব্যবসায়িক সম্পর্কের ভিত্তিতেই তিনি এমপিকে দাওয়াত করেছিলেন। তার দাবি, অনুষ্ঠানে দুই থেকে তিন হাজার অতিথি উপস্থিত ছিলেন এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। তিনি বর্তমানে কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত নন বলেও জানান।

 

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্য বা বিএনপির জেলা নেতৃত্বের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।