ঢাকা , সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ক্যাম্পাসে কুত্তা পেটাতে ছাত্রদলের হেডাম লাগে না: রাকসু জিএসকে ছাত্রদল সভাপতি আমিরাতে শাবানের চাঁদ দেখা গেছে, রমজানের অপেক্ষায় মুসলিম বিশ্ব গণভোট নিয়ে যারা প্রশ্ন তুলছে, তারা মূলত পলাতক শক্তি: আদিলুর রহমান বাংলাদেশকে ৩০ হাজার টন সার উপহার দিলো রাশিয়া কেন্দ্রের আশপাশেও স্বতন্ত্র ও জামায়াতকে ঢুকতে দেব না: বিএনপি নেতার হুঁশিয়ারি দেশের অর্থনীতি আর ভঙ্গুর অবস্থায় নেই, রিজার্ভ এখন ৩২ বিলিয়ন: অর্থ উপদেষ্টা কোনো দলের পক্ষ নেওয়া যাবে না, ভোট হবে নিরপেক্ষ: সেনাপ্রধান আসিফ মাহমুদের বিচার এই বাংলার মাটিতেই হবে: ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সরকারি কর্মচারীদের সর্বনিম্ন বেতন হচ্ছে ৪২ হাজার টাকা! শাকসু নির্বাচন বন্ধ হলে সারা দেশব্যাপী কঠোর লাগাতার কর্মসূচির হুমকি ছাত্রশিবিরের

আপনাকে চট্টগ্রাম শহরে ঢুকতে দেব না: নৌপরিবহন উপদেষ্টাকে মেয়র শাহাদাত

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০১:৫১:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৪৪২ বার পড়া হয়েছে

এবার নৌপরিবহন উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেনের সাম্প্রতিক মন্তব্যে ক্ষোভ প্রকাশ করে তাঁকে চট্টগ্রামে ঢুকতে না দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। একই সঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দরে প্রতিদিন দুই থেকে আড়াই কোটি টাকা চাঁদাবাজি হচ্ছে বলে উপদেষ্টা যে মন্তব্য করেছেন, সেটির সুনির্দিষ্ট ব্যাখ্যা চেয়েছেন মেয়র; দিতে বলেছেন চাঁদাবাজের তালিকাও।

গতকাল বুধবার চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে অনুষ্ঠানে বক্তব্যে এ অবস্থান জানান মেয়র শাহাদাত। মেয়র বলেন, ‘কয়েকটি অনলাইন পত্রিকা নিউজ করেছে– মেয়র যারা ছিল সবাই ভক্ষক। এটা আমার গায়েও এসেছে। আমি উপদেষ্টাকে ফোন করে জিজ্ঞেস করেছি, তিনি কি এমন কিছু বলেছেন? বলেছি, আপনি স্পষ্ট না করলে আমি প্রেস কনফারেন্স করব এবং যতদিন ব্যাখ্যা না দেবেন, ততদিন আপনাকে চট্টগ্রাম শহরে ঢুকতে দেব না।’

শাহাদাত হোসেন জানান, উপদেষ্টা পরে তাঁকে বলেন, তিনি অতীতের মেয়রদের প্রসঙ্গে এমন মন্তব্য করেছেন। এর পরই তিনি উপদেষ্টাকে প্রশ্ন করেন– বন্দর থেকে প্রতিদিন দুই থেকে আড়াই কোটি টাকা চাঁদাবাজির বক্তব্যের উৎস কী? মেয়র বলেন, ‘আমি তো বন্দর থেকে হোল্ডিং ট্যাক্সই পাচ্ছি না। সাত থেকে আট টনের সড়কে ৩০ থেকে ৪০ টনের গাড়ি চলছে। বন্দরের কার্যক্রমে আমার সব রাস্তা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। বছরে ৩০০ থেকে ৪০০ কোটি টাকা খরচ করতে হয় রাস্তাগুলো মেরামতে। তাহলে চাঁদাবাজি কারা করছে? আপনি বছরে ২০০ কোটি টাকা দেন না। আবার বলছেন, প্রতিদিন আড়াই কোটি টাকা চাঁদাবাজি হয়– এর মানে কী?’

এদিকে চসিকের শিক্ষা খাতে বছরে ৭২ কোটি টাকা ভর্তুকি দিতে হয় জানিয়ে মেয়র বলেন, ‘আমরা শিক্ষকদের ঠিকমতো বেতনও দিতে পারি না। জনসেবার জন্য ট্যাক্স নিই, কিন্তু অসংখ্য রাস্তাঘাটে এখনও খানাখন্দ। যারা চাঁদাবাজি করছে তাদের নাম স্পষ্ট করুন; চট্টগ্রামবাসীকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিহত করব।’

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ক্যাম্পাসে কুত্তা পেটাতে ছাত্রদলের হেডাম লাগে না: রাকসু জিএসকে ছাত্রদল সভাপতি

আপনাকে চট্টগ্রাম শহরে ঢুকতে দেব না: নৌপরিবহন উপদেষ্টাকে মেয়র শাহাদাত

আপডেট সময় ০১:৫১:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫

এবার নৌপরিবহন উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেনের সাম্প্রতিক মন্তব্যে ক্ষোভ প্রকাশ করে তাঁকে চট্টগ্রামে ঢুকতে না দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। একই সঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দরে প্রতিদিন দুই থেকে আড়াই কোটি টাকা চাঁদাবাজি হচ্ছে বলে উপদেষ্টা যে মন্তব্য করেছেন, সেটির সুনির্দিষ্ট ব্যাখ্যা চেয়েছেন মেয়র; দিতে বলেছেন চাঁদাবাজের তালিকাও।

গতকাল বুধবার চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে অনুষ্ঠানে বক্তব্যে এ অবস্থান জানান মেয়র শাহাদাত। মেয়র বলেন, ‘কয়েকটি অনলাইন পত্রিকা নিউজ করেছে– মেয়র যারা ছিল সবাই ভক্ষক। এটা আমার গায়েও এসেছে। আমি উপদেষ্টাকে ফোন করে জিজ্ঞেস করেছি, তিনি কি এমন কিছু বলেছেন? বলেছি, আপনি স্পষ্ট না করলে আমি প্রেস কনফারেন্স করব এবং যতদিন ব্যাখ্যা না দেবেন, ততদিন আপনাকে চট্টগ্রাম শহরে ঢুকতে দেব না।’

শাহাদাত হোসেন জানান, উপদেষ্টা পরে তাঁকে বলেন, তিনি অতীতের মেয়রদের প্রসঙ্গে এমন মন্তব্য করেছেন। এর পরই তিনি উপদেষ্টাকে প্রশ্ন করেন– বন্দর থেকে প্রতিদিন দুই থেকে আড়াই কোটি টাকা চাঁদাবাজির বক্তব্যের উৎস কী? মেয়র বলেন, ‘আমি তো বন্দর থেকে হোল্ডিং ট্যাক্সই পাচ্ছি না। সাত থেকে আট টনের সড়কে ৩০ থেকে ৪০ টনের গাড়ি চলছে। বন্দরের কার্যক্রমে আমার সব রাস্তা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। বছরে ৩০০ থেকে ৪০০ কোটি টাকা খরচ করতে হয় রাস্তাগুলো মেরামতে। তাহলে চাঁদাবাজি কারা করছে? আপনি বছরে ২০০ কোটি টাকা দেন না। আবার বলছেন, প্রতিদিন আড়াই কোটি টাকা চাঁদাবাজি হয়– এর মানে কী?’

এদিকে চসিকের শিক্ষা খাতে বছরে ৭২ কোটি টাকা ভর্তুকি দিতে হয় জানিয়ে মেয়র বলেন, ‘আমরা শিক্ষকদের ঠিকমতো বেতনও দিতে পারি না। জনসেবার জন্য ট্যাক্স নিই, কিন্তু অসংখ্য রাস্তাঘাটে এখনও খানাখন্দ। যারা চাঁদাবাজি করছে তাদের নাম স্পষ্ট করুন; চট্টগ্রামবাসীকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিহত করব।’