ঢাকা , শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বাউফলে নির্বাচন ঘিরে একাধিক সহিংসতা; পাল্টাপাল্টি অভিযোগ বিএনপি—জামায়াতের ১১ দলীয় জোটের চূড়ান্ত আসন ঘোষণা ১১ দলীয় জোটে আসন সমঝোতা চূড়ান্ত, সর্বোচ্চ ১৯০ আসন জামায়াতে ইসলামী ভোলায় বালিশ চাপায় স্ত্রীকে হত্যা, পাষণ্ড স্বামী আটক ফ্যামিলি ও কৃষি কার্ড বিতরণ বন্ধের দাবি জামায়াতের, সিইসির সঙ্গে বৈঠকে প্রটোকল সমতার আহ্বান জাতীয় পরিচয়পত্র জালিয়াতি ও তথ্য বিক্রি করে মাসে কোটি টাকার বেশি আয়; নির্বাচন কমিশনের দুই কর্মচারী গ্রেফতার বাউফলে ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ে পেট্রোল ঢেলে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ বাউফলে জামায়াতের নেতা–কর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন শেষ মুহূর্তে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন রাশেদ প্রধান ‘১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য’ নামে নির্বাচনে অংশ নেবে ১১ দল

সংবাদ সম্মেলনে নারী সাংবাদিককে চোখ মেরে বিতর্কে পাক আইএসপিআর প্রধান

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৩:৩৩:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১৯৯ বার পড়া হয়েছে

এবার সংবাদ সম্মেলনে পাকিস্তানের একজন নারী সাংবাদিককে লক্ষ্য করে চোখ মেরে ব্যাপক বিতর্কের সৃষ্টি করেছেন দেশটির সেনাবাহিনীর আন্তঃবাহিনী সংযোগ বিভাগের প্রধান (আইএসপিআর) আহমেদ শরিফ চৌধুরী। গত মঙ্গলবার পাঞ্জাব প্রদেশের রাওয়ালপিন্ডি শহরে আইএসপিআরের সদরদপ্তরে ঘটেছে এ ঘটনা। যে নারী সাংবাদিককে চোখ মেরেছেন আইএসপিআর প্রধান, তার নাম আবসা কোমাল। বর্তমানে পাকিস্তানের সম্প্রচার সংবাদমাধ্যম জিও নিউজ উর্দুতে কর্মরত আছেন তিনি।

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। সেখানে দেখা গেছে আইএসপিআরের সদর দপ্তরে আহমেদ শরিফ চৌধুরীকে পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে নিয়ে প্রশ্ন করছেন কোমাল। তাকে বলতে দেখা গেছে, “আপনার বলা তিনটি কথা বেশ গুরুত্বপূর্ণ; যেমন ইমরান খান ‘জাতীয় ‍নিরাপত্তার জন্য হুমকি’, তিনি ‘রাষ্ট্রদ্রোহী’ এবং ‘দিল্লির হাতের পুতুল’। অতীতে তার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ তোলা হয়েছিলো— সেসব থেকে কি এগুলো আলাদা? ভবিষ্যতে কি এমন আরও অভিযোগ যুক্ত হবে?”

জবাবে আহমেদ শরিফ চৌধুরী বলেন, “চতুর্থ হিসেবে আপনি আরও একটি পয়েন্ট যোগ করে নিতে পারেন। সেটি হলো— তিনি (ইমরান) একজন মানসিক রোগী।” এ কথা বলার পর স্মিত হেসে কোমালকে চোখ মারেন আইএসপিআর প্রধান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই ভিডিও প্রকাশের এ ইস্যুতে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয় পাকিস্তানের নেটিজেনদের মধ্যে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক নেটিজেন লিখেছেন, “একদম খোলাখুলিভাবে ক্যামেরার সামনে এ ঘটনা ঘটল। গণতন্ত্র পাকিস্তান থেকে উঠে গেছে। প্রধানমন্ত্রী পুতুলে পরিণত হয়েছেন।”

আরেক নেটিজেন লিখেছেন, “তিনি (আহমেদ শরিফ চৌধুরী) পেশাদার সেনা কর্মকর্তা নন।” তৃতীয় আরেক নেটিজেন লিখেছেন, “এই হলো দেশের প্রকৃত অবস্থা। এই ভিডিও প্রমাণ করে যে আমাদের সেনাবাহিনী কী পরিমাণ অপেশাদার। কোনো সৈনিক ইউনিফর্ম পরা অবস্থায় কীভাবে এমন করতে পারে!”

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বাউফলে নির্বাচন ঘিরে একাধিক সহিংসতা; পাল্টাপাল্টি অভিযোগ বিএনপি—জামায়াতের

সংবাদ সম্মেলনে নারী সাংবাদিককে চোখ মেরে বিতর্কে পাক আইএসপিআর প্রধান

আপডেট সময় ০৩:৩৩:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫

এবার সংবাদ সম্মেলনে পাকিস্তানের একজন নারী সাংবাদিককে লক্ষ্য করে চোখ মেরে ব্যাপক বিতর্কের সৃষ্টি করেছেন দেশটির সেনাবাহিনীর আন্তঃবাহিনী সংযোগ বিভাগের প্রধান (আইএসপিআর) আহমেদ শরিফ চৌধুরী। গত মঙ্গলবার পাঞ্জাব প্রদেশের রাওয়ালপিন্ডি শহরে আইএসপিআরের সদরদপ্তরে ঘটেছে এ ঘটনা। যে নারী সাংবাদিককে চোখ মেরেছেন আইএসপিআর প্রধান, তার নাম আবসা কোমাল। বর্তমানে পাকিস্তানের সম্প্রচার সংবাদমাধ্যম জিও নিউজ উর্দুতে কর্মরত আছেন তিনি।

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। সেখানে দেখা গেছে আইএসপিআরের সদর দপ্তরে আহমেদ শরিফ চৌধুরীকে পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে নিয়ে প্রশ্ন করছেন কোমাল। তাকে বলতে দেখা গেছে, “আপনার বলা তিনটি কথা বেশ গুরুত্বপূর্ণ; যেমন ইমরান খান ‘জাতীয় ‍নিরাপত্তার জন্য হুমকি’, তিনি ‘রাষ্ট্রদ্রোহী’ এবং ‘দিল্লির হাতের পুতুল’। অতীতে তার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ তোলা হয়েছিলো— সেসব থেকে কি এগুলো আলাদা? ভবিষ্যতে কি এমন আরও অভিযোগ যুক্ত হবে?”

জবাবে আহমেদ শরিফ চৌধুরী বলেন, “চতুর্থ হিসেবে আপনি আরও একটি পয়েন্ট যোগ করে নিতে পারেন। সেটি হলো— তিনি (ইমরান) একজন মানসিক রোগী।” এ কথা বলার পর স্মিত হেসে কোমালকে চোখ মারেন আইএসপিআর প্রধান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই ভিডিও প্রকাশের এ ইস্যুতে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয় পাকিস্তানের নেটিজেনদের মধ্যে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক নেটিজেন লিখেছেন, “একদম খোলাখুলিভাবে ক্যামেরার সামনে এ ঘটনা ঘটল। গণতন্ত্র পাকিস্তান থেকে উঠে গেছে। প্রধানমন্ত্রী পুতুলে পরিণত হয়েছেন।”

আরেক নেটিজেন লিখেছেন, “তিনি (আহমেদ শরিফ চৌধুরী) পেশাদার সেনা কর্মকর্তা নন।” তৃতীয় আরেক নেটিজেন লিখেছেন, “এই হলো দেশের প্রকৃত অবস্থা। এই ভিডিও প্রমাণ করে যে আমাদের সেনাবাহিনী কী পরিমাণ অপেশাদার। কোনো সৈনিক ইউনিফর্ম পরা অবস্থায় কীভাবে এমন করতে পারে!”