ভারতের রাজধানী দিল্লিতে ৫ আগস্ট অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের বক্তব্য ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। শুধু ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কই নয়, তাদের মন্তব্যের প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে পাকিস্তানেও।
সংবাদ সম্মেলনে সজীব ওয়াজেদ জয় দাবি করেন, ভারতের দক্ষিণে বাংলাদেশ এখন ‘পাকিস্তানে পরিণত হয়েছে’ এবং পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই বাংলাদেশে অবাধে কার্যক্রম চালাচ্ছে।
তবে এটি নতুন কোনো অভিযোগ নয়। চলতি বছরের শুরু থেকেই আওয়ামী লীগের একাধিক শীর্ষ নেতা একই ধরনের বক্তব্য দিয়ে আসছেন। সাবেক মন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত অভিযোগ করেছিলেন, আইএসআই বাংলাদেশের রাজনীতিকে প্রভাবিত করছে। একইভাবে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ.ফ.ম. বাহাউদ্দিন নাছিমও পাকিস্তানের সঙ্গে বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠতা এবং আইএসআইয়ের সক্রিয়তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন।
বিশ্লেষকদের মতে, আওয়ামী লীগ বারবার পাকিস্তান প্রসঙ্গ সামনে এনে বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে একটি নিরাপত্তা ও ভূরাজনৈতিক বর্ণনায় তুলে ধরতে চাইছে। বিশেষ করে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকারের পতনের পর বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের শীতলতা এবং আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতৃত্বের ভারতে অবস্থান এই বক্তব্যগুলোকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলেছে।
এখন প্রশ্ন—পাকিস্তান প্রসঙ্গ কি কেবল রাজনৈতিক বার্তা, নাকি এটি ভবিষ্যৎ কূটনৈতিক অবস্থান গঠনেরও একটি কৌশল? সেই উত্তর খুঁজছে দুই দেশের রাজনৈতিক মহল।

ডেস্ক রিপোর্ট 























