এবার ব্রিক্স সম্মেলনের মাঝেই রাষ্ট্রনেতাদের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক সেরে ফেলছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিঙের সঙ্গেও তিনি শনিবার বৈঠক করেছেন। কিন্তু রাতে তাঁর আয়োজিত নৈশভোজে জিনপিংকে দেখা যায়নি। নৈশভোজে না গিয়ে হোটেলেই বিশ্রাম নেন চিনা প্রেসিডেন্ট। তবে ব্রিক্সে উপস্থিত অন্য রাষ্ট্রনেতারা নৈশভোজে হাজির ছিলেন।
আন্তর্জাতিক সম্মেলন উপলক্ষে শনিবার রাতে অতিথিদের জন্য নয়াদিল্লির ভারত মণ্ডপমে নৈশভোজের আয়োজন করেছিলেন মোদী। জিনপিং কেন সেখানে গেলেন না, এখনও স্পষ্ট নয়। সূত্রের খবর, বিশ্রাম নেবেন বলেই তিনি হোটেলে ফিরে গিয়েছিলেন। শনিবার বেলা ১২টার কিছু আগে জিনপিং দিল্লিতে পৌঁছোন। ব্রিক্স সম্মেলনে যোগ দেন এবং মোদীর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক সারেন। তাঁর বিশ্রামের প্রয়োজন ছিল, ফলে নৈশভোজ উপলক্ষে আরও একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে চাননি বলে দাবি কয়েকটি রিপোর্টে। তবে জিনপিঙের প্রতিনিধিদলের তরফে আলাদা করে এর কোনও ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।
নৈশভোজে যোগ দিতে পারেননি আরও এক রাষ্ট্রনেতা। সংযুক্ত আরব আমিরশাহির প্রতিনিধি হিসেবে আবু ধাবির যুবরাজ শেখ খালেদ বিন মহম্মদ ব্রিক্স সম্মেলনে ছিলেন। কিন্তু সম্মেলনের পরেই তিনি দেশে ফিরে গিয়েছেন। ব্যস্ততার কারণে নৈশভোজে থাকতে পারেননি। তবে শনিবারের নৈশভোজে উপস্থিত ছিলেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন–সহ আমন্ত্রিত অন্য সকল রাষ্ট্রনেতা। এ ছাড়া, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও একাধিক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নৈশভোজে যোগ দেন। ছিলেন নির্মলা সীতারামন, পীযূষ গোয়ল, অশ্বিনী বৈষ্ণব, শিবরাজ সিংহ চৌহানেরা। লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ, মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফডণবীস, অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মাও প্রধানমন্ত্রী আয়োজিত নৈশভোজে উপস্থিত ছিলেন। সংসদ ভবন থেকে দু’টি বাসে করে তাঁরা ভারত মণ্ডপমে নৈশভোজের আসরে যান।
শনিবার থেকে ব্রিক্স সম্মেলন শুরু হয়েছে। রবিবার তার শেষ দিন। সেই উপলক্ষেই দু’দিনের সফরে ভারতে এসেছেন জিনপিং। সাত বছর পর তাঁর এই ভারত সফর। এ ছাড়াও, ব্রিক্সের ১১টি সদস্য রাষ্ট্র ও ১০টি সহযোগী রাষ্ট্র থেকে প্রতিনিধিরা সম্মেলনে যোগ দিয়েছেন।

ডেস্ক রিপোর্ট 

















