ঢাকা , শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বাউফলে নির্বাচন ঘিরে একাধিক সহিংসতা; পাল্টাপাল্টি অভিযোগ বিএনপি—জামায়াতের ১১ দলীয় জোটের চূড়ান্ত আসন ঘোষণা ১১ দলীয় জোটে আসন সমঝোতা চূড়ান্ত, সর্বোচ্চ ১৯০ আসন জামায়াতে ইসলামী ভোলায় বালিশ চাপায় স্ত্রীকে হত্যা, পাষণ্ড স্বামী আটক ফ্যামিলি ও কৃষি কার্ড বিতরণ বন্ধের দাবি জামায়াতের, সিইসির সঙ্গে বৈঠকে প্রটোকল সমতার আহ্বান জাতীয় পরিচয়পত্র জালিয়াতি ও তথ্য বিক্রি করে মাসে কোটি টাকার বেশি আয়; নির্বাচন কমিশনের দুই কর্মচারী গ্রেফতার বাউফলে ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ে পেট্রোল ঢেলে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ বাউফলে জামায়াতের নেতা–কর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন শেষ মুহূর্তে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন রাশেদ প্রধান ‘১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য’ নামে নির্বাচনে অংশ নেবে ১১ দল

হাদিকে কৃত্রিম শ্বাস-প্রশ্বাসে রাখা হয়েছে, ৭২ ঘণ্টা অতি ঝুঁকিপূর্ণ: ডা. সায়েদুর রহমান

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:৩১:৪২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১৫৪ বার পড়া হয়েছে

এবার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডা. সায়েদুর রহমান জানিয়েছেন, শরিফ ওসমান হাদির মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে মস্তিষ্কের কাণ্ড বা ব্রেন স্টেম পর্যন্ত গুরুতর ক্ষতি হয়েছে। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় এটি ‘ম্যাসিভ ব্রেন ইনজুরি’। এ অবস্থায় আগামী ৭২ ঘণ্টা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ, এবং আপাতত নতুন কোনো চিকিৎসা হস্তক্ষেপ করা হবে না। গতকাল শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন হাদির শারীরিক অবস্থা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

ডা. সায়েদুর রহমান বলেন, হাদি বর্তমানে অত্যন্ত সংকটাপন্ন (ক্রিটিক্যাল) অবস্থায় আছেন। তাকে কৃত্রিম শ্বাস-প্রশ্বাসে রাখা হয়েছে। তবে চিকিৎসকেরা এখনই আশাবাদী কোনো নিশ্চয়তা দিতে পারছেন না। তিনি জানান, বুলেটটি হাদির বাম কানের ওপর দিয়ে মাথায় প্রবেশ করে ডান দিক দিয়ে বেরিয়ে যায়। এ গতিপথে মস্তিষ্কের গুরুত্বপূর্ণ অংশ ব্রেন স্টেম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যা মানুষের শ্বাস-প্রশ্বাস ও হৃদস্পন্দনসহ জীবনরক্ষাকারী কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে। বর্তমানে রোগীকে কেবল লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, রোগীর শরীরে এখনো সাইন অব লাইফ রয়েছে। অস্ত্রোপচারের সময় তার নিজের শ্বাস নেওয়ার কিছু প্রচেষ্টা লক্ষ্য করা গেছে, যা সামান্য আশার জায়গা তৈরি করে। তবে পরিস্থিতি যে অত্যন্ত জটিল, সেটিও স্পষ্ট করেন তিনি। জানান, অস্ত্রোপচারের আগেই হাদি একবার শকে চলে গিয়েছিলেন। পরে অ্যাম্বুলেন্সে স্থানান্তরের সময় তার নাক ও গলা দিয়ে প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়, যা আপাতত নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে।

এদিকে ডা. সায়েদুর রহমান বলেন, এই মুহূর্তে আশার গল্প শোনানোর মতো কোনো পরিস্থিতি নেই। রোগীর অবস্থা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বাউফলে নির্বাচন ঘিরে একাধিক সহিংসতা; পাল্টাপাল্টি অভিযোগ বিএনপি—জামায়াতের

হাদিকে কৃত্রিম শ্বাস-প্রশ্বাসে রাখা হয়েছে, ৭২ ঘণ্টা অতি ঝুঁকিপূর্ণ: ডা. সায়েদুর রহমান

আপডেট সময় ১১:৩১:৪২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫

এবার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডা. সায়েদুর রহমান জানিয়েছেন, শরিফ ওসমান হাদির মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে মস্তিষ্কের কাণ্ড বা ব্রেন স্টেম পর্যন্ত গুরুতর ক্ষতি হয়েছে। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় এটি ‘ম্যাসিভ ব্রেন ইনজুরি’। এ অবস্থায় আগামী ৭২ ঘণ্টা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ, এবং আপাতত নতুন কোনো চিকিৎসা হস্তক্ষেপ করা হবে না। গতকাল শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন হাদির শারীরিক অবস্থা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

ডা. সায়েদুর রহমান বলেন, হাদি বর্তমানে অত্যন্ত সংকটাপন্ন (ক্রিটিক্যাল) অবস্থায় আছেন। তাকে কৃত্রিম শ্বাস-প্রশ্বাসে রাখা হয়েছে। তবে চিকিৎসকেরা এখনই আশাবাদী কোনো নিশ্চয়তা দিতে পারছেন না। তিনি জানান, বুলেটটি হাদির বাম কানের ওপর দিয়ে মাথায় প্রবেশ করে ডান দিক দিয়ে বেরিয়ে যায়। এ গতিপথে মস্তিষ্কের গুরুত্বপূর্ণ অংশ ব্রেন স্টেম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যা মানুষের শ্বাস-প্রশ্বাস ও হৃদস্পন্দনসহ জীবনরক্ষাকারী কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে। বর্তমানে রোগীকে কেবল লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, রোগীর শরীরে এখনো সাইন অব লাইফ রয়েছে। অস্ত্রোপচারের সময় তার নিজের শ্বাস নেওয়ার কিছু প্রচেষ্টা লক্ষ্য করা গেছে, যা সামান্য আশার জায়গা তৈরি করে। তবে পরিস্থিতি যে অত্যন্ত জটিল, সেটিও স্পষ্ট করেন তিনি। জানান, অস্ত্রোপচারের আগেই হাদি একবার শকে চলে গিয়েছিলেন। পরে অ্যাম্বুলেন্সে স্থানান্তরের সময় তার নাক ও গলা দিয়ে প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়, যা আপাতত নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে।

এদিকে ডা. সায়েদুর রহমান বলেন, এই মুহূর্তে আশার গল্প শোনানোর মতো কোনো পরিস্থিতি নেই। রোগীর অবস্থা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।