ঢাকা , সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ২১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বিশেষ অভিযানে বস্তিতে মিলল সুড়ঙ্গপথ, ভেতরে বিলাসবহুল ঘর ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সাড়ে ৭ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে: কৃষিমন্ত্রী বিসিবি ৬৫০ দিলেও কর্মীরা পান ৩০০ টাকা: দুর্নীতি দেখে ক্ষুব্ধ তামিম হিন্দু বিজেপির, মুসলিম তৃণমূলের: শুভেন্দু জয়ের পথে পশ্চিমবঙ্গে বাবরি মসজিদ বানাতে চাওয়া হুমায়ুন বিজেপিতে যোগ দিলে পরদিনই রাহুল গান্ধীকে বিয়ে করবো: এমপি কঙ্গনা অগ্রণী ব্যাংকের কাছে শেখ হাসিনার ৮৩২ ভরি সোনার নথি তলব ধেয়ে আসছে বন্যা, বিপৎসীমার ওপরে ৭ নদীর পানি থালাপতি বিজয়ের বাড়িতে চলছে উদযাপন, অপেক্ষা চূড়ান্ত ফলের বন্ধ কারখানার জন্য বিশাল তহবিল ঘোষণা করতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

আমার নির্দেশ পেলে তোমাদের তুলোধুনো করে দিত: হাসপাতালের পরিস্থিতি প্রসঙ্গে মির্জা আব্বাস

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৫:২২:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৭৬৮ বার পড়া হয়েছে

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদির ওপর বর্বরোচিত হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। তিনি একই আসন থেকে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেবেন।

শনিবার রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মির্জা আব্বাস বলেন, হাসপাতালে যারা অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছিল, তারা হাদির সমর্থক নয়; তারা অন্য একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের লোক। তিনি বলেন, “আমি শান্ত ছিলাম বলেই হাদির চিকিৎসা ব্যাহত হয়নি। আমার নির্দেশনা পেলে তোমাদের তুলোধুনো করে দিত।”

মির্জা আব্বাস বলেন, “হাদি আমার সন্তানের মতো। তার ওপর হামলা শুধু একজন মানুষের ওপর নয়, গণতন্ত্রের ওপর আঘাত।” হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, এসব ঘটনার পেছনে পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, হাদি গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের লোকজন ফেসবুকে উসকানিমূলক পোস্ট দিয়ে দেশে অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা করেছে। “আমি ৫০ বছর ঢাকার রাজনীতি করেছি। কখনো সহিংসতায় জড়াইনি। সহিংস রাজনীতি করে আওয়ামী লীগ ও সেই বিতর্কিত রাজনৈতিক দলই নির্বাচন ও রাষ্ট্রকে অস্থির করে,” বলেন তিনি।

মির্জা আব্বাস বলেন, হাদি তার নির্বাচনি প্রতিদ্বন্দ্বী নয়, একজন প্রতিযোগী। তিনি হাদিকে সাহসী রাজপথের সৈনিক উল্লেখ করে দ্রুত সুস্থ হয়ে তাকে আবারও নির্বাচনি মাঠে সক্রিয় দেখতে চান।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্য সচিব তানভীর আহমেদ রবিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। আরও বক্তব্য দেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব আব্দুস সালাম আজাদ, ইশরাক হোসেন, যুবদল সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্নাসহ অন্যান্য নেতারা।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বিশেষ অভিযানে বস্তিতে মিলল সুড়ঙ্গপথ, ভেতরে বিলাসবহুল ঘর

আমার নির্দেশ পেলে তোমাদের তুলোধুনো করে দিত: হাসপাতালের পরিস্থিতি প্রসঙ্গে মির্জা আব্বাস

আপডেট সময় ০৫:২২:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদির ওপর বর্বরোচিত হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। তিনি একই আসন থেকে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেবেন।

শনিবার রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মির্জা আব্বাস বলেন, হাসপাতালে যারা অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছিল, তারা হাদির সমর্থক নয়; তারা অন্য একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের লোক। তিনি বলেন, “আমি শান্ত ছিলাম বলেই হাদির চিকিৎসা ব্যাহত হয়নি। আমার নির্দেশনা পেলে তোমাদের তুলোধুনো করে দিত।”

মির্জা আব্বাস বলেন, “হাদি আমার সন্তানের মতো। তার ওপর হামলা শুধু একজন মানুষের ওপর নয়, গণতন্ত্রের ওপর আঘাত।” হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, এসব ঘটনার পেছনে পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, হাদি গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের লোকজন ফেসবুকে উসকানিমূলক পোস্ট দিয়ে দেশে অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা করেছে। “আমি ৫০ বছর ঢাকার রাজনীতি করেছি। কখনো সহিংসতায় জড়াইনি। সহিংস রাজনীতি করে আওয়ামী লীগ ও সেই বিতর্কিত রাজনৈতিক দলই নির্বাচন ও রাষ্ট্রকে অস্থির করে,” বলেন তিনি।

মির্জা আব্বাস বলেন, হাদি তার নির্বাচনি প্রতিদ্বন্দ্বী নয়, একজন প্রতিযোগী। তিনি হাদিকে সাহসী রাজপথের সৈনিক উল্লেখ করে দ্রুত সুস্থ হয়ে তাকে আবারও নির্বাচনি মাঠে সক্রিয় দেখতে চান।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্য সচিব তানভীর আহমেদ রবিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। আরও বক্তব্য দেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব আব্দুস সালাম আজাদ, ইশরাক হোসেন, যুবদল সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্নাসহ অন্যান্য নেতারা।