ঢাকা , শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বাংলাদেশ থেকে ফিরিয়ে নিতে ৩ লাখ রোহিঙ্গা বাছাই করেছে মিয়ানমার মোবাইল ফোন কিনতে ইএমআই সুবিধা দেবে দেশের সব ব্যাংক: তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা রাজশাহীতে সারের দামে নৈরাজ্য: জিম্মি লাখো কৃষক, ভরা মৌসুমে সক্রিয় সার সিন্ডিকেট রিং অব ফায়ার থেকে হিমালয় বেল্ট- কেন এই অঞ্চলগুলো এত ভূমিকম্পপ্রবণ? বাকশাল নামে গরু জবাই করে ‘জুলাই জিয়াফত’ উদযাপন করলেন রাকসু জিএস আধুনিক যন্ত্রপাতির অভাবে চট্টগ্রামে প্রতিদিন ১,০০০ টন বর্জ্য থেকে যাচ্ছে সংগ্রহের বাইরে হরমুজকে যুক্তরাষ্ট্রের ভূখণ্ড ঘোষণা ট্রাম্পের ‘রসিকতা’ মমতার তৃণমূল থেকে বের হয়ে যাওয়ার কারণ জানালেন রচনা বিএনপির স্থায়ী কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত হলেন ৪ নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধা জানালেন মাশরাফি

পৃথিবীর যে প্রান্তেই যাই, সবচেয়ে প্রিয় জায়গা ঠাকুরগাঁও: শামারুহ মির্জা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১২:৪৩:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬
  • ৫৬ বার পড়া হয়েছে

নিজ জেলা ঠাকুরগাঁওয়ের মানুষের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন বিএনপির রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন পাওয়া মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মেয়ে শামারুহ মির্জা। তিনি বলেছেন, ঠাকুরগাঁওয়ের মানুষের সঙ্গে তাদের পরিবারের সম্পর্ক আত্মার আত্মীয়ের মতো। এই জেলার মানুষের অবদান তাদের পরিবার কোনোদিন শোধ করতে পারবে না।

শুক্রবার (১৪ আগস্ট) নিজের ফেসবুক পেজে বাবাকে নিয়ে আবেগঘন এক পোস্টে এসব কথা লেখেন শামারুহ মির্জা।

তিনি বলেন, পৃথিবীর যেখানেই যাই, যত সুন্দর জায়গাই দেখি—কেউ যদি তাঁর কাছে জানতে চান, সবচেয়ে প্রিয় জায়গা কোনটি, তাঁর উত্তর একটাই—ঠাকুরগাঁও।

শৈশবের স্মৃতিচারণ করে শামারুহ মির্জা লেখেন, জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর তাঁর বাবা ঠাকুরগাঁওয়ে ফিরে আসেন। তখন তিনি ছিলেন খুব ছোট। বোনের সঙ্গে সারাদিন খেলাধুলা, বিকেলে আশপাশের শিশুদের সঙ্গে লুকোচুরি, কাবাডি, সাতচাড়া কিংবা শীতের দিনে ব্যাডমিন্টন—ঠাকুরগাঁও ঘিরে তাঁর শৈশবের অসংখ্য স্মৃতি রয়েছে।

তিনি লেখেন, ঠাকুরগাঁও শুধু একটি শহর বা জেলা নয়, এটি তাদের পরিবারের সবচেয়ে প্রিয় জায়গা। পরিবারের সদস্যদের স্বপ্ন দেখার শুরু এই জেলাতেই। জেলার মানুষ তাদের পরিবারের ‘আত্মার আত্মীয়’।

বাবার রাজনৈতিক জীবনের প্রসঙ্গ তুলে শামারুহ মির্জা বলেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর যখন সারা দেশে ঘুরে আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তুলেছেন, তখন ঠাকুরগাঁওয়ের বিএনপির নেতাকর্মীরা দলীয় দুর্গ আগলে রেখেছেন। নিজেদের শ্রম, ভালোবাসা, সাহস ও সামর্থ্য দিয়ে তারা বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের রাজনীতিকে এগিয়ে নিয়েছেন।

নিজের নির্বাচনী প্রচারণার অভিজ্ঞতাও তুলে ধরেন তিনি। শামারুহ মির্জা বলেন, প্রতিটি ইউনিয়নে তিনি দেখেছেন সাধারণ মানুষ কীভাবে তাদের পাশে থেকেছেন। এ কারণেই তিনি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলেছিলেন, তাঁর বাবা ঠাকুরগাঁওয়ের মানুষের আমানত এবং তিনি সেই আমানতের মর্যাদা রাখবেন।

তিনি দাবি করেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরও তাঁর প্রতিশ্রুতি রেখেছেন। গত ছয় মাসে ঠাকুরগাঁওয়ে বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের সূচনা হয়েছে এবং সামনে আরও বড় কাজ রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

দেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও পোস্টে নিজের মতামত তুলে ধরেন শামারুহ মির্জা। তিনি বলেন, দেশের উগ্রবাদী তৎপরতা নিয়ে সতর্ক হওয়ার সময় এসেছে। একই সঙ্গে ঠাকুরগাঁওয়ের মানুষ ভবিষ্যতেও উদার ও অসাম্প্রদায়িক অবস্থান ধরে রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

সবশেষে বাবার জন্য সবার কাছে দোয়া চান শামারুহ মির্জা। তিনি বলেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি পদের জন্য দলের মনোনয়ন পেয়েছেন। এ সময়ে তাঁর দাদা-দাদির কথা খুব মনে পড়ছে।

বাবা যেন আমৃত্যু মানুষের জন্য কাজ করতে পারেন—এমন প্রত্যাশা জানিয়ে শামারুহ মির্জা বলেন, ঠাকুরগাঁওয়ের মানুষের কাছে তাদের পরিবারের যে ঋণ, তা কোনোদিন শোধ করা সম্ভব নয়।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশ থেকে ফিরিয়ে নিতে ৩ লাখ রোহিঙ্গা বাছাই করেছে মিয়ানমার

পৃথিবীর যে প্রান্তেই যাই, সবচেয়ে প্রিয় জায়গা ঠাকুরগাঁও: শামারুহ মির্জা

আপডেট সময় ১২:৪৩:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬

নিজ জেলা ঠাকুরগাঁওয়ের মানুষের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন বিএনপির রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন পাওয়া মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মেয়ে শামারুহ মির্জা। তিনি বলেছেন, ঠাকুরগাঁওয়ের মানুষের সঙ্গে তাদের পরিবারের সম্পর্ক আত্মার আত্মীয়ের মতো। এই জেলার মানুষের অবদান তাদের পরিবার কোনোদিন শোধ করতে পারবে না।

শুক্রবার (১৪ আগস্ট) নিজের ফেসবুক পেজে বাবাকে নিয়ে আবেগঘন এক পোস্টে এসব কথা লেখেন শামারুহ মির্জা।

তিনি বলেন, পৃথিবীর যেখানেই যাই, যত সুন্দর জায়গাই দেখি—কেউ যদি তাঁর কাছে জানতে চান, সবচেয়ে প্রিয় জায়গা কোনটি, তাঁর উত্তর একটাই—ঠাকুরগাঁও।

শৈশবের স্মৃতিচারণ করে শামারুহ মির্জা লেখেন, জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর তাঁর বাবা ঠাকুরগাঁওয়ে ফিরে আসেন। তখন তিনি ছিলেন খুব ছোট। বোনের সঙ্গে সারাদিন খেলাধুলা, বিকেলে আশপাশের শিশুদের সঙ্গে লুকোচুরি, কাবাডি, সাতচাড়া কিংবা শীতের দিনে ব্যাডমিন্টন—ঠাকুরগাঁও ঘিরে তাঁর শৈশবের অসংখ্য স্মৃতি রয়েছে।

তিনি লেখেন, ঠাকুরগাঁও শুধু একটি শহর বা জেলা নয়, এটি তাদের পরিবারের সবচেয়ে প্রিয় জায়গা। পরিবারের সদস্যদের স্বপ্ন দেখার শুরু এই জেলাতেই। জেলার মানুষ তাদের পরিবারের ‘আত্মার আত্মীয়’।

বাবার রাজনৈতিক জীবনের প্রসঙ্গ তুলে শামারুহ মির্জা বলেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর যখন সারা দেশে ঘুরে আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তুলেছেন, তখন ঠাকুরগাঁওয়ের বিএনপির নেতাকর্মীরা দলীয় দুর্গ আগলে রেখেছেন। নিজেদের শ্রম, ভালোবাসা, সাহস ও সামর্থ্য দিয়ে তারা বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের রাজনীতিকে এগিয়ে নিয়েছেন।

নিজের নির্বাচনী প্রচারণার অভিজ্ঞতাও তুলে ধরেন তিনি। শামারুহ মির্জা বলেন, প্রতিটি ইউনিয়নে তিনি দেখেছেন সাধারণ মানুষ কীভাবে তাদের পাশে থেকেছেন। এ কারণেই তিনি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলেছিলেন, তাঁর বাবা ঠাকুরগাঁওয়ের মানুষের আমানত এবং তিনি সেই আমানতের মর্যাদা রাখবেন।

তিনি দাবি করেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরও তাঁর প্রতিশ্রুতি রেখেছেন। গত ছয় মাসে ঠাকুরগাঁওয়ে বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের সূচনা হয়েছে এবং সামনে আরও বড় কাজ রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

দেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও পোস্টে নিজের মতামত তুলে ধরেন শামারুহ মির্জা। তিনি বলেন, দেশের উগ্রবাদী তৎপরতা নিয়ে সতর্ক হওয়ার সময় এসেছে। একই সঙ্গে ঠাকুরগাঁওয়ের মানুষ ভবিষ্যতেও উদার ও অসাম্প্রদায়িক অবস্থান ধরে রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

সবশেষে বাবার জন্য সবার কাছে দোয়া চান শামারুহ মির্জা। তিনি বলেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি পদের জন্য দলের মনোনয়ন পেয়েছেন। এ সময়ে তাঁর দাদা-দাদির কথা খুব মনে পড়ছে।

বাবা যেন আমৃত্যু মানুষের জন্য কাজ করতে পারেন—এমন প্রত্যাশা জানিয়ে শামারুহ মির্জা বলেন, ঠাকুরগাঁওয়ের মানুষের কাছে তাদের পরিবারের যে ঋণ, তা কোনোদিন শোধ করা সম্ভব নয়।