ঢাকা , রবিবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০২৫, ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
প্রবাসে সব থেকে কম বেতনে চাকরি করে বাংলাদেশিরা: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ‘বাবরি মসজিদ’ নির্মাণ উপলক্ষে ৪০ হাজার মানুষকে খাওনো হলো বিরিয়ানি জনতার ভাষা বুঝতে চেষ্টা করুন: রেজাউল করীম বেগম জিয়ার খোঁজ নিতে ফের এভারকেয়ারে জুবাইদা রহমান বাবরি মসজিদ নির্মাণে বাজেট ৩০০ কোটি, এক ব্যবসায়ীই দিবেন ৮০ কোটি টাকা তফসিল এ সপ্তাহেই, ভোটের সময় বাড়বে এক ঘণ্টা: ইসি সানাউল্লাহ টাকা, প্রভাবশালী মামা-খালু-শ্বশুর না থাকলে রাজনীতি কইরেন না: দুধ দিয়ে গোসল যুবদল নেতার নিজ এলাকায় বিক্ষুব্ধ জনতার স্লোগান ‘ফুয়াদের দুই গালে জুতা মারো তালে তালে’ ভয়াবহ হামলায় একদিনে ১৪৫০ ইউক্রেনীয় সেনা নিহত বিকেলে এনসিপিসহ তিন দলের নতুন জোটের ঘোষণা

জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলের রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবি মামুনুল হকের

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৩:১৫:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ২৫৮ বার পড়া হয়েছে

এবার জাতীয় পার্টি (জাপা) ও আওয়ামী লীগের জোটসঙ্গী ১৪ দলীয় জোটের রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবি তুলেছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক। তিনি বলেন, জাতীয় পার্টি ও ১৪ দল হলো এ দেশে ভারতীয় আধিপত্যবাদের এজেন্ট এবং আওয়ামী লীগের দোসর। আজ রোববার (১৪ সেপ্টেম্বর) পুরানা পল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে মামুনুল হক এসব কথা বলেন। জুলাই সনদের কার্যকর বাস্তবায়নসহ পাঁচ দফা দাবিতে এই সংবাদ সম্মেলন করেন তিনি।

মামুনুল হক দাবি করেন, এখন আবার এদের (জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলীয় জোট) ঘাড়ে ভর করে পলাতক আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসন করতে দেশি-বিদেশি চক্রান্ত শুরু হয়েছে। দেশের সার্বভৌমত্ব ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের স্বার্থে এই দলটিকে রাজনৈতিক মাঠে রাখা যৌক্তিক নয়। আমরা পুনর্ব্যক্ত করছি- জাতীয় পার্টিসহ ১৪ দলের রাজনীতি অবিলম্বে নিষিদ্ধ করতে হবে। গতকাল শনিবার মজলিস থেকে জানানো হয়, ৮টি দল এই দাবি আদায়ে যুগপৎ কর্মসূচি দেবে। পরে বিকালে এবি পার্টি ও এনসিপি এই প্রক্রিয়ায় নেই বলে বিবৃতি দেয়।

তিনি বলেন, জুলাই ঘোষণাপত্রের মতো জুলাই সনদকেও কাগুজে, অকার্যকর লেখায় পরিণত করা যাবে না। যেকোনো মূল্যে জুলাই সনদকে কার্যকর করতে হবে। এটি আগামী সংসদের হাতে ছেড়ে দেওয়া যাবে না। অতীত অভিজ্ঞতা বলে, ক্ষমতায় গিয়ে সবাই ক্ষমতার বাইরে থাকা অবস্থার প্রতিশ্রুতি ভুলে যায়- ৭২-এর বিশেষ ক্ষমতা আইন তার জ্বলন্ত উদাহরণ। সুতরাং জুলাই সনদ অবিলম্বে বাস্তবায়নের জন্য অধ্যাদেশ, রাষ্ট্রপতির সাংবিধানিক ঘোষণা কিংবা অন্য যেকোনো কার্যকর প্রক্রিয়া গ্রহণ করতে হবে।

মামুনুল হক জুলাই সনদের ভিত্তিতে আগামী ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠেয় জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দাবি করেন। তিনি বলেন, এককক্ষ সংসদ ব্যবস্থা ক্ষমতার একচেটিয়া আধিপত্য সৃষ্টি করে। এজন্য সংসদে উচ্চকক্ষ দরকার। জাতীয় ঐকমত্য কমিশনে এ ব্যাপারে সব দলই একমত পোষণ করেছে।’ পিআর (সংখ্যানুপাতিক) ছাড়া উচ্চকক্ষ গঠিত হলে তা কেবল বেকার পুনর্বাসনের উচ্চকক্ষ হবে বলেও উল্লেখ করে মামুনুল হক। দাবি আদায়ে মামুনুল হক কয়েকটি কর্মসূচি দেন মামুনুল হক। এগুলো হচ্ছে ১৮ সেপ্টেম্বর ঢাকায় বিক্ষোভ মিছিল; ১৯ সেপ্টেম্বর সব বিভাগীয় শহরে বিক্ষোভ মিছিল; ২৬ সেপ্টেম্বর দেশব্যাপী সব জেলা ও উপজেলায় বিক্ষোভ মিছিল।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রবাসে সব থেকে কম বেতনে চাকরি করে বাংলাদেশিরা: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলের রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবি মামুনুল হকের

আপডেট সময় ০৩:১৫:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

এবার জাতীয় পার্টি (জাপা) ও আওয়ামী লীগের জোটসঙ্গী ১৪ দলীয় জোটের রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবি তুলেছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক। তিনি বলেন, জাতীয় পার্টি ও ১৪ দল হলো এ দেশে ভারতীয় আধিপত্যবাদের এজেন্ট এবং আওয়ামী লীগের দোসর। আজ রোববার (১৪ সেপ্টেম্বর) পুরানা পল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে মামুনুল হক এসব কথা বলেন। জুলাই সনদের কার্যকর বাস্তবায়নসহ পাঁচ দফা দাবিতে এই সংবাদ সম্মেলন করেন তিনি।

মামুনুল হক দাবি করেন, এখন আবার এদের (জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলীয় জোট) ঘাড়ে ভর করে পলাতক আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসন করতে দেশি-বিদেশি চক্রান্ত শুরু হয়েছে। দেশের সার্বভৌমত্ব ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের স্বার্থে এই দলটিকে রাজনৈতিক মাঠে রাখা যৌক্তিক নয়। আমরা পুনর্ব্যক্ত করছি- জাতীয় পার্টিসহ ১৪ দলের রাজনীতি অবিলম্বে নিষিদ্ধ করতে হবে। গতকাল শনিবার মজলিস থেকে জানানো হয়, ৮টি দল এই দাবি আদায়ে যুগপৎ কর্মসূচি দেবে। পরে বিকালে এবি পার্টি ও এনসিপি এই প্রক্রিয়ায় নেই বলে বিবৃতি দেয়।

তিনি বলেন, জুলাই ঘোষণাপত্রের মতো জুলাই সনদকেও কাগুজে, অকার্যকর লেখায় পরিণত করা যাবে না। যেকোনো মূল্যে জুলাই সনদকে কার্যকর করতে হবে। এটি আগামী সংসদের হাতে ছেড়ে দেওয়া যাবে না। অতীত অভিজ্ঞতা বলে, ক্ষমতায় গিয়ে সবাই ক্ষমতার বাইরে থাকা অবস্থার প্রতিশ্রুতি ভুলে যায়- ৭২-এর বিশেষ ক্ষমতা আইন তার জ্বলন্ত উদাহরণ। সুতরাং জুলাই সনদ অবিলম্বে বাস্তবায়নের জন্য অধ্যাদেশ, রাষ্ট্রপতির সাংবিধানিক ঘোষণা কিংবা অন্য যেকোনো কার্যকর প্রক্রিয়া গ্রহণ করতে হবে।

মামুনুল হক জুলাই সনদের ভিত্তিতে আগামী ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠেয় জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দাবি করেন। তিনি বলেন, এককক্ষ সংসদ ব্যবস্থা ক্ষমতার একচেটিয়া আধিপত্য সৃষ্টি করে। এজন্য সংসদে উচ্চকক্ষ দরকার। জাতীয় ঐকমত্য কমিশনে এ ব্যাপারে সব দলই একমত পোষণ করেছে।’ পিআর (সংখ্যানুপাতিক) ছাড়া উচ্চকক্ষ গঠিত হলে তা কেবল বেকার পুনর্বাসনের উচ্চকক্ষ হবে বলেও উল্লেখ করে মামুনুল হক। দাবি আদায়ে মামুনুল হক কয়েকটি কর্মসূচি দেন মামুনুল হক। এগুলো হচ্ছে ১৮ সেপ্টেম্বর ঢাকায় বিক্ষোভ মিছিল; ১৯ সেপ্টেম্বর সব বিভাগীয় শহরে বিক্ষোভ মিছিল; ২৬ সেপ্টেম্বর দেশব্যাপী সব জেলা ও উপজেলায় বিক্ষোভ মিছিল।