ঢাকা , সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
যে ৩ শ্রেণির মানুষের ঠিকানা হবে জাহান্নাম ওমরাহ ভিসা নিয়ে সৌদিতে ভিক্ষাবৃত্তি, দেশে ফিরতেই ৩ নারীসহ আটক ৪  কিলোমিটার প্রতি ৪ টাকা ৫ পয়সা ভাড়া চান বাস মালিকরা সাত ডাকাতের সঙ্গে একই লড়লেন গৃহকর্তা, এক ডাকাত নিহত জনরোষের মুখে পদত্যাগ করলেন শ্রীলঙ্কার জ্বালানি মন্ত্রী ইরানকে পারমাণবিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করার ট্রাম্প কে?: ইরানি প্রেসিডেন্ট জনগণের কষ্টের কথা ভেবে তেলের দাম খুব সামান্য বাড়িয়েছে সরকার: জ্বালানি মন্ত্রী এনসিপিতে যোগ দিলেন জুনায়েদ-রাফে-রিফাতরাসহ ৩০ জন, বিকেলে দায়িত্ব বণ্টন দেশীয় কোম্পানির ট্যাংকারে পেট্রোল-অকটেন উপচে পড়ছে, নিচ্ছে না সরকার এস আলমের কাছে ইসলামী ব্যাংকের মালিকানা ফেরাতে চাকরিচ্যুতদের অবস্থান

গুমে জড়িত সেনা কর্মকর্তাদের সেনা আইনে বিচার দাবি এক্স-ফোর্সেস অ্যাসোসিয়েশনের

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৭:৩৯:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৫
  • ৩০১ বার পড়া হয়েছে

 

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযুক্ত সেনা কর্মকর্তাদের সেনা আইনে বিচারের দাবি জানিয়েছে এক্স-ফোর্সেস অ্যাসোসিয়েশন। প্রয়োজনে সেনা আইন সংশোধন করে গুমসহ মানবাধিকার লঙ্ঘনের মতো অপরাধে যুক্ত কর্মকর্তাদের বিচারের আওতায় আনার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।

মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এক্স-ফোর্সেস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট সাইফুল্লাহ খাঁন সাইফ এ দাবি জানান।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, “আমরা অপরাধীদের বিচারের পক্ষে, তবে সেই বিচার হতে হবে স্বচ্ছ, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের ভিত্তিতে এবং সংবিধান ও মানবাধিকারের মূলনীতির আলোকে—যেখানে কোনো ফুলস্টপ থাকবে না।”

তিনি আরও বলেন, “আর্জেন্টিনা, চিলি, মেক্সিকো ও তুরস্কে ডিক্টেটরদের বিচার সেনা আইন সংশোধনের মাধ্যমেই হয়েছে। আইসিটি আইনে বিচার হলে ভবিষ্যতে আসামিরা পার পেয়ে যেতে পারে।”

সাইফুল্লাহ খাঁন আরও বলেন, “কোনো নাগরিকের মৌলিক অধিকার হরণ করা সংবিধানবিরোধী। কোনো ব্যক্তি অপরাধী প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তাকে অপরাধী বলা যাবে না। এমনকি প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী হলেও তার চাকরি আইনগতভাবে বহাল থাকবে।”

তিনি বলেন, “দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় নিয়োজিত সদস্যদের মনোবল ভেঙে দেওয়া বা বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের সম্মান ক্ষুণ্ণ করা কোনো দেশপ্রেমিকের কাজ নয়।”

সরকারের পক্ষ থেকে “আর কোনো সেনা সদস্যকে গ্রেপ্তারের পরিকল্পনা নেই” — এই বক্তব্যের সমালোচনা করে তিনি বলেন, “তদন্ত করতে গেলে আরও অপরাধীর নাম আসতে পারে। এখন ফুলস্টপ দিলে বিচারের স্বচ্ছতা নষ্ট হবে।”

সংবাদ সম্মেলনে অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল রোকন উদ্দিন বলেন, “পরবর্তী সরকার যদি এই আইন সংশোধন না করে, তাহলে অনেক আসামি পার পেয়ে যেতে পারে। তবে কোনো ব্যক্তিগত আক্রোশ বা তড়িঘড়ি করে বিচার করা হলে তা যেন পরবর্তীতে প্রশ্নবিদ্ধ না হয়।”

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

যে ৩ শ্রেণির মানুষের ঠিকানা হবে জাহান্নাম

গুমে জড়িত সেনা কর্মকর্তাদের সেনা আইনে বিচার দাবি এক্স-ফোর্সেস অ্যাসোসিয়েশনের

আপডেট সময় ০৭:৩৯:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৫

 

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযুক্ত সেনা কর্মকর্তাদের সেনা আইনে বিচারের দাবি জানিয়েছে এক্স-ফোর্সেস অ্যাসোসিয়েশন। প্রয়োজনে সেনা আইন সংশোধন করে গুমসহ মানবাধিকার লঙ্ঘনের মতো অপরাধে যুক্ত কর্মকর্তাদের বিচারের আওতায় আনার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।

মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এক্স-ফোর্সেস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট সাইফুল্লাহ খাঁন সাইফ এ দাবি জানান।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, “আমরা অপরাধীদের বিচারের পক্ষে, তবে সেই বিচার হতে হবে স্বচ্ছ, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের ভিত্তিতে এবং সংবিধান ও মানবাধিকারের মূলনীতির আলোকে—যেখানে কোনো ফুলস্টপ থাকবে না।”

তিনি আরও বলেন, “আর্জেন্টিনা, চিলি, মেক্সিকো ও তুরস্কে ডিক্টেটরদের বিচার সেনা আইন সংশোধনের মাধ্যমেই হয়েছে। আইসিটি আইনে বিচার হলে ভবিষ্যতে আসামিরা পার পেয়ে যেতে পারে।”

সাইফুল্লাহ খাঁন আরও বলেন, “কোনো নাগরিকের মৌলিক অধিকার হরণ করা সংবিধানবিরোধী। কোনো ব্যক্তি অপরাধী প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তাকে অপরাধী বলা যাবে না। এমনকি প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী হলেও তার চাকরি আইনগতভাবে বহাল থাকবে।”

তিনি বলেন, “দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় নিয়োজিত সদস্যদের মনোবল ভেঙে দেওয়া বা বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের সম্মান ক্ষুণ্ণ করা কোনো দেশপ্রেমিকের কাজ নয়।”

সরকারের পক্ষ থেকে “আর কোনো সেনা সদস্যকে গ্রেপ্তারের পরিকল্পনা নেই” — এই বক্তব্যের সমালোচনা করে তিনি বলেন, “তদন্ত করতে গেলে আরও অপরাধীর নাম আসতে পারে। এখন ফুলস্টপ দিলে বিচারের স্বচ্ছতা নষ্ট হবে।”

সংবাদ সম্মেলনে অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল রোকন উদ্দিন বলেন, “পরবর্তী সরকার যদি এই আইন সংশোধন না করে, তাহলে অনেক আসামি পার পেয়ে যেতে পারে। তবে কোনো ব্যক্তিগত আক্রোশ বা তড়িঘড়ি করে বিচার করা হলে তা যেন পরবর্তীতে প্রশ্নবিদ্ধ না হয়।”